বিসিএস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) পরীক্ষা বাংলাদেশের লাখো তরুণের কাছে একটি স্বপ্নের নাম। তবে এই স্বপ্নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় সঠিক নির্দেশনার অভাব। অনেকেই মনে করেন দামী কোচিং সেন্টারে ভর্তি না হলে বিসিএস প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, একাগ্রতা এবং একটি সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা থাকলে আপনি আপনার পড়ার টেবিলেই সেরা প্রস্তুতি নিতে পারেন।
আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা আলোচনা করব কীভাবে আপনি বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন অনুসরণ করে নিজেকে প্রথম সারির প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তুলবেন।
সিলেবাস এবং নম্বর বন্টন বিশ্লেষণ
বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভালো করার প্রথম শর্ত হলো এর বিশাল সিলেবাসকে আয়ত্তে আনা। ২০০ নম্বরের এই পরীক্ষায় ১০টি বিষয়ের ওপর প্রশ্ন করা হয়, যেখানে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর কাটা যায়। ঘরে বসে প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমেই বুঝতে হবে কোন বিষয়গুলোতে আপনি শক্তিশালী এবং কোনগুলোতে আপনার বাড়তি মনোযোগ প্রয়োজন। এই বিশ্লেষণই আপনাকে প্রতিযোগিতায় অন্যদের চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখবে।
বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন এর এই অংশে আমরা নম্বর বন্টন এবং সিলেবাসের গভীরতা নিয়ে আলোচনা করব।
১. বিষয়ভিত্তিক নম্বর বন্টন
বিসিএস প্রিলিমিনারিতে মোট ২০০টি প্রশ্ন থাকে। এর মধ্যে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে ৩৫, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে ৩৫, বাংলাদেশ বিষয়াবলীতে ৩০, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে ২০, এবং সাধারণ বিজ্ঞানে ১৫ নম্বর থাকে। এছাড়াও কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ১৫, গাণিতিক যুক্তিতে ১৫, মানসিক দক্ষতায় ১৫, এবং ভূগোল ও নৈতিকতায় ১০ করে মোট ২০ নম্বর বরাদ্দ থাকে।
২. কাট মার্কস এবং নেগেটিভ মার্কিং
প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় কত নম্বর পেলে পাস করবেন, তা নির্দিষ্ট নয়; তবে সাধারণত ১১০ থেকে ১২০ এর মধ্যে নিরাপদ স্কোর ধরা হয়। যেহেতু প্রতিটি ভুলের জন্য নম্বর কাটা যায়, তাই আন্দাজে উত্তর দেওয়া পরিহার করতে হবে। আপনার লক্ষ্য হওয়া উচিত নির্ভুলতার দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া।
| বিষয় | নম্বর | গুরুত্ব |
| বাংলা ও ইংরেজি | ৭০ | অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ |
| বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক | ৫০ | তথ্যবহুল |
| গণিত ও বিজ্ঞান | ৪৫ | প্র্যাকটিস নির্ভর |
| ভূগোল ও নৈতিকতা | ২০ | নম্বর তোলার সহজ জায়গা |
বিষয়ভিত্তিক বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ১০টি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের সমাহার থাকে, তাই ঢালাওভাবে না পড়ে বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। প্রতিটি বিষয়ের জন্য আলাদা কৌশল অবলম্বন করলে সিলেবাস দ্রুত শেষ করা সম্ভব হয়। ঘরে বসে পড়ার সময় আপনাকে প্রতিটি সাবজেক্টের গভীরে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো চিহ্নিত করতে হবে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো কীভাবে প্রতিটি বিষয়ের জন্য নিজেকে তৈরি করবেন।
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
বাংলার জন্য নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড ব্যাকরণ বইটি আদ্যোপান্ত শেষ করতে হবে। সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন ও মধ্যযুগের চেয়ে আধুনিক যুগ এবং বিশেষ করে ১১ জন প্রধান সাহিত্যিকের ওপর বেশি জোর দিতে হবে। পিএসসির প্রিয় সাহিত্যিকদের জীবন ও কর্ম নিয়ে নোট তৈরি করলে রিভিশন দিতে সুবিধা হয়।
২. ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
ইংরেজি গ্রামারের জন্য Basic Grammar এর নিয়মগুলো উদাহরণসহ শিখুন। বিশেষ করে Parts of Speech, Tense, এবং Clause থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন আসে। সাহিত্যের জন্য বিভিন্ন যুগ বা ‘Eras’ এর বৈশিষ্ট্য এবং বিখ্যাত লেখকদের উদ্ধৃতিগুলো মুখস্থ রাখতে হবে।
৩. গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা
গণিতে ভালো করার জন্য সূত্রের চেয়ে টেকনিক এবং প্রচুর প্র্যাকটিস বেশি জরুরি। পাটিগণিত, বীজগণিত এবং জ্যামিতির বেসিক ক্লিয়ার করতে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণীর বোর্ড বইগুলো সমাধান করুন। মানসিক দক্ষতার জন্য বিগত বছরের প্রশ্ন এবং চিত্রভিত্তিক সমস্যাগুলো বেশি বেশি সমাধান করতে হবে।
৪. বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
বাংলাদেশ বিষয়াবলীর জন্য সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর ক্ষেত্রে বৈশ্বিক রাজনীতি, বিভিন্ন সংস্থা এবং সাম্প্রতিক বিশ্ব পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হবে। নিয়মিত পত্রিকা পড়া এবং মানচিত্র দেখে পড়া মনে রাখার অন্যতম সেরা উপায়।
| বিষয় | প্রস্তুতির ধরণ | সহায়ক উৎস |
| বাংলা সাহিত্য | তথ্যভিত্তিক | লাল নীল দীপাবলি, এমপিথ্রি |
| ইংরেজি গ্রামার | নিয়মভিত্তিক | পিসি দাস বা মাস্টার ইংলিশ |
| গণিত | প্র্যাকটিস | খাইরুল’স ম্যাথ বা বোর্ড বই |
| সাধারণ জ্ঞান | আপডেট তথ্য | আজকের বিশ্ব বা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স |
প্রয়োজনীয় বই এবং রিসোর্স নির্বাচন
ঘরে বসে প্রস্তুতির জন্য সঠিক বই নির্বাচন করা অর্ধেক যুদ্ধের সমান। বাজারে অসংখ্য বই থাকলেও আপনাকে কেবল মানসম্মত এবং আপডেটেড তথ্য সমৃদ্ধ বইগুলোই বেছে নিতে হবে। অনেক বেশি বই না কিনে প্রতিটি বিষয়ের জন্য একটি মূল বই এবং একটি সহায়ক বই রাখা যথেষ্ট। বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন অনুযায়ী বই কেনার সময় অবশ্যই প্রকাশনী এবং তথ্যের নির্ভুলতা যাচাই করে নেবেন।
১. টেক্সট বুক বা বোর্ড বইয়ের গুরুত্ব
বিসিএস এর অনেক মৌলিক প্রশ্ন সরাসরি মাধ্যমিক পর্যায়ের বোর্ড বই থেকে আসে। বিশেষ করে সাধারণ বিজ্ঞান, ভূগোল, ইতিহাস এবং বাংলার জন্য বোর্ড বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। এই বইগুলো আপনার বেসিক মজবুত করতে সাহায্য করবে যা পরবর্তী লিখিত পরীক্ষায়ও কাজে আসবে।
২. গাইড বই এবং ডাইজেস্ট
পুরো সিলেবাস একসাথে রিভিশন দেওয়ার জন্য একটি ভালো মানের বিসিএস ডাইজেস্ট কেনা উচিত। এছাড়াও বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির জন্য ওরাকল, এমপিথ্রি বা প্রফেসরস প্রকাশনীর বইগুলো বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। বিগত বছরের প্রশ্নের ব্যাখ্যার জন্য একটি ভালো প্রশ্নব্যাংক (যেমন: এশিউরেন্স বা প্রফেসরস) অবশ্যই সংগ্রহে রাখুন।
| বইয়ের ধরণ | কেন পড়বেন | সেরা পছন্দ |
| বোর্ড বই | বেসিক তৈরির জন্য | ৬ষ্ঠ – ১০ম শ্রেণীর বই |
| প্রশ্নব্যাংক | প্রশ্নের ধরণ বুঝতে | ১০ম – ৪৬তম বিসিএস প্রশ্ন |
| ডাইজেস্ট | দ্রুত রিভিশনের জন্য | এশিউরেন্স বা প্রফেসরস ডাইজেস্ট |
| সাম্প্রতিক | আপডেট তথ্যের জন্য | মাসিক কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স |
দৈনিক রুটিন এবং সময় ব্যবস্থাপনা
বিসিএস প্রস্তুতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। ঘরে বসে পড়ার সময় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতে পারে, তাই একটি সুনির্দিষ্ট রুটিন থাকা অপরিহার্য। আপনার রুটিন এমনভাবে সাজান যেন দিনে অন্তত ৮-১০ ঘণ্টা পড়াশোনা করা যায়। ঘুমের সময় এবং বিশ্রামের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ রেখে একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরি করুন।
১. বিষয় বিন্যাস এবং বিরতি
একটানা একই বিষয় না পড়ে রুটিনে বৈচিত্র্য আনুন। যেমন সকালে কঠিন বিষয় (গণিত বা ইংরেজি) দিয়ে শুরু করুন এবং বিকেলে বা সন্ধ্যায় হালকা বিষয় (বাংলা বা সাধারণ জ্ঞান) পড়ুন। প্রতি দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পর ১৫ মিনিটের ছোট বিরতি নিলে মস্তিষ্ক সতেজ থাকে।
২. রিভিশন স্লট নির্ধারণ
সপ্তাহের ছয় দিন নতুন টপিক পড়ুন এবং সপ্তম দিনটি কেবল রিভিশনের জন্য রাখুন। যা পড়েছেন তা যদি বারবার ঝালাই না করেন, তবে পরীক্ষার হলে কনফিউশন তৈরি হতে পারে। রাতে ঘুমানোর আগে সারাদিনে কী পড়লেন তা একবার মনে করার চেষ্টা করা একটি দারুণ অভ্যাস।
| সময় | কার্যক্রম | টিপস |
| সকাল (৭টা – ১০টা) | গণিত ও ইংরেজি | মস্তিষ্ক যখন সতেজ থাকে |
| দুপুর (২টা – ৫টা) | বিজ্ঞান ও কম্পিউটার | তন্দ্রা ভাব কাটাতে সহায়ক |
| রাত (৮টা – ১১টা) | সাধারণ জ্ঞান ও সাহিত্য | তথ্য মুখস্থ করার সেরা সময় |
| ছুটির দিন | পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট | নিজের অবস্থান যাচাই |
মডেল টেস্ট এবং রিভিশন কৌশল
সিলেবাস শেষ করার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কতটুকু মনে রাখতে পারছেন এবং সময়ের মধ্যে উত্তর দিতে পারছেন কি না। এজন্য নিয়মিত মডেল টেস্ট দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। ঘরে বসেই বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা মডেল টেস্টের বই কিনে সময় ধরে পরীক্ষা দিন। এটি আপনার পরীক্ষার হলের ভীতি দূর করবে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে।
১. নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করা
মডেল টেস্ট দেওয়ার পর আপনার ভুলগুলো বিশ্লেষণ করুন। কোন কোন টপিক থেকে প্রশ্ন আসলে আপনি পারছেন না, তা নোট করে রাখুন। সেই দুর্বল জায়গাগুলো আবার পড়ার জন্য সময় বরাদ্দ করুন। মনে রাখবেন, কেবল পরীক্ষা দিলেই হবে না, ভুল থেকে শিখতে হবে।
২. গত বছরের প্রশ্ন সমাধান
১০ম থেকে সর্বশেষ বিসিএস এর প্রশ্নগুলো ব্যাখ্যাসহ সমাধান করলে প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ প্রস্তুতির ধারণা পাওয়া যায়। অনেক প্রশ্ন সরাসরি রিপিট না হলেও একই টপিক থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশি। তাই বিগত বছরের প্রশ্নগুলো আপনার প্রস্তুতির মূল ভিত্তি হওয়া উচিত।
| অ্যাকশন | উপকারিতা | কতবার করবেন |
| সাপ্তাহিক টেস্ট | নিয়মিত উন্নতি যাচাই | সপ্তাহে ১টি |
| বিষয়ভিত্তিক টেস্ট | গভীরতা যাচাই | প্রতিটি অধ্যায় শেষে |
| মেগা রিভিশন | সব তথ্য মনে রাখা | মাসে ১ বার |
| ওএমআর প্র্যাকটিস | বৃত্ত ভরাট দ্রুত করা | প্রতিদিন ১০টি |
মানসিক স্বাস্থ্য এবং অনুপ্রেরণা বজায় রাখা
বিসিএস একটি দীর্ঘ যাত্রা, যেখানে মাঝপথে ধৈর্য হারিয়ে ফেলা খুব স্বাভাবিক। এই দীর্ঘ সময়ে নিজেকে অনুপ্রাণিত রাখা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। পরিবারের সাথে সময় কাটানো, হালকা ব্যায়াম করা এবং পর্যাপ্ত ঘুমানো আপনার প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি করবে। নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থেকে লক্ষ্য অর্জনে অবিচল থাকুন।
১. সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ
অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার মনোযোগ নষ্ট করার প্রধান কারণ হতে পারে। প্রস্তুতির সময় ফেসবুক বা ইউটিউব ব্যবহারের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করে নিন। কেবল পড়াশোনা সংক্রান্ত গ্রুপ বা ভিডিও দেখার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
২. ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ
পুরো সিলেবাস একসাথে দেখে ঘাবড়ে না গিয়ে সেটিকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করুন। প্রতিদিনের টার্গেট পূরণ হলে নিজেকে ছোট কোনো পুরস্কার দিন (যেমন প্রিয় কোনো খাবার বা অল্প সময় গান শোনা)। এই ছোট জয়গুলোই আপনাকে দীর্ঘ লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখবে।
| মানসিক টিপস | প্রভাব |
| পর্যাপ্ত ঘুম (৭ ঘণ্টা) | স্মৃতিশক্তি উন্নত করে |
| মেডিটেশন | স্ট্রেস কমায় |
| গ্রুপ স্টাডি (সীমিত) | কঠিন টপিক সহজ হয় |
| ইতিবাচক পরিবেশ | আত্মবিশ্বাস বাড়ায় |
বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন: চূড়ান্ত ভাবনা
বিসিএস কেবল একটি চাকরি নয়, এটি দেশসেবার একটি অনন্য সুযোগ। এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় টিকে থাকতে হলে কেবল কঠোর পরিশ্রম নয়, বরং কৌশলী পরিশ্রম প্রয়োজন। আমাদের এই বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন আপনাকে একটি সুশৃঙ্খল পথ দেখাবে। মনে রাখবেন, প্রত্যেক ক্যাডারের শুরুটা হয়েছিল একটি ছোট পদক্ষেপ দিয়ে। আপনি যদি আজ থেকেই সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যান, তবে আগামীতে আপনিও হতে পারেন একজন সফল বিসিএস ক্যাডার। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন এবং ধৈর্য ধরে পড়াশোনা চালিয়ে যান।


