বাংলাদেশে সোনার দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২,১৭,০৬৭ টাকা নির্ধারণ করেছে, যা পূর্ববর্তী দামের চেয়ে ১,৪৭০ টাকা বেশি । বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ বিষয়ক স্থায়ী কমিটি সোমবার এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে । স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে রুপোর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ।
সোনার বর্তমান দাম: ভরি, গ্রাম, আনা ও রতি অনুযায়ী
বাংলাদেশে সোনার দাম বিভিন্ন ক্যারেট ও পরিমাপক একক অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ডিসেম্বর ২০২৫-এর সর্বশেষ হালনাগাদ অনুযায়ী, বাজুস বিভিন্ন ধরনের সোনার জন্য নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ করেছে । এক ভরি সমান ১১.৬৬৪ গ্রাম, যা বাংলাদেশে সোনা-রুপো পরিমাপের ঐতিহ্যবাহী একক ।
ক্যারেট অনুযায়ী সোনার দাম
| ক্যারেট | প্রতি ভরি দাম (টাকা) | প্রতি গ্রাম দাম (টাকা) | প্রতি আনা দাম (টাকা) | প্রতি রতি দাম (টাকা) |
|---|---|---|---|---|
| ২২ ক্যারেট | ২,১৭,০৬৭ | ১৮,৬১০ | ১৩,৫৬৭ | ২,২৬১ |
| ২১ ক্যারেট | ২,০৭,২৬৮ | ১৭,৭৬৫ | ১২,৯৫৪ | ২,১৫৯ |
| ১৮ ক্যারেট | ১,৭৭,৬৮৪ | ১৫,২৩০ | ১১,১০৫ | ১,৮৫১ |
| ট্র্যাডিশনাল সোনা | ১,৪৭,৯৩৯ | ১২,৬৮০ | ৯,২৪৬ | ১,৫৪১ |
উল্লেখ্য যে, এক ভরি সমান ১৬ আনা এবং এক আনা সমান ৬ রতি, যা মোট ৯৬ রতি প্রতি ভরি হয় । এই পরিমাপ পদ্ধতি বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
রুপোর বর্তমান দাম: বিস্তারিত তালিকা
বাংলাদেশে রুপোর দাম বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং বাজুসের সর্বশেষ ঘোষণায় রুপোর দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি । তবে আন্তর্জাতিক বাজারে রুপোর দাম বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেখানে গত এক বছরে রুপোর দাম ১৩২.৬৯% বৃদ্ধি পেয়েছে ।
ক্যারেট অনুযায়ী রুপোর দাম
| ক্যারেট | প্রতি গ্রাম দাম (টাকা) | প্রতি ভরি দাম (টাকা) | প্রতি আনা দাম (টাকা) |
|---|---|---|---|
| ২২ ক্যারেট | ৩৯২ | ,৫৭২ | ২৮৬ |
| ২১ ক্যারেট | ৩৭৪ | ,৩৬২ | ২৭৩ |
| ১৮ ক্যারেট | ৩২০ | ৩,৭৩৩ | ২৩৩ |
| ট্র্যাডিশনাল রুপা | ২৪০ | ২,৭৯৯ | ১৭৫ |
আন্তর্জাতিক বাজারে বিশুদ্ধ রুপো (৯৯.৯% খাদ) বর্তমানে প্রতি গ্রাম ২৫৯.৪৩ টাকা এবং প্রতি আউন্স ৮,০৬৮.৩১ টাকায় লেনদেন হচ্ছে ।
সোনার দাম বৃদ্ধির কারণ ও বাজার বিশ্লেষণ
বাংলাদেশে সোনার দাম বৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৫-এর প্রথম সপ্তাহে সোনার দাম ৩,৪৫২ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২,১৫,৫৯৭ টাকা হয় এবং মাত্র দুই দিন পর আরও ১,৪৭০ টাকা বৃদ্ধি পায় । এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের বিভিন্ন কারণের ফলাফল।
আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম উর্ধ্বগামী থাকায় বাংলাদেশের বাজারও প্রভাবিত হয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে সোনার দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ ২,১৭,৩৮২ টাকা প্রতি ভরিতে পৌঁছেছিল । বর্তমান দাম সেই সর্বোচ্চ দামের খুব কাছাকাছি, যা বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্যহীনতা নির্দেশ করে।
স্থানীয় বাজারের পরিস্থিতি
বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গহনার দাম সারাদেশে বৃদ্ধি পেয়েছে । বাজুসের মূল্য নির্ধারণ কমিটির চেয়ারমান দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয় ।
ভ্যাট ও তৈরি খরচ: ক্রেতাদের জন্য অতিরিক্ত ব্যয়
সোনা-রুপা ক্রয়ের সময় ক্রেতাদের মূল দামের পাশাপাশি কিছু অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়। সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬% তৈরি খরচ প্রদান করতে হয় । তবে ডিজাইন ও গুণমানের ভিত্তিতে তৈরি খরচ ভিন্ন হতে পারে।
ক্রয় মূল্য গণনার উদাহরণ
যদি কেউ ১০ গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনা ক্রয় করতে চান, তাহলে মোট খরচ হবে:
-
মূল দাম: ১০ × ১৮,৬১০ = ১,৮৬,১০০ টাকা
-
৫% ভ্যাট: ৯,৩০৫ টাকা
-
৬% তৈরি খরচ: ১১,১৬৬ টাকা
-
মোট খরচ: ২,০৬,৫৭১ টাকা (আনুমানিক)
এই হিসাব থেকে বোঝা যায় যে ক্রেতাদের মূল দামের উপরে প্রায় ১১% অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়।
সোনা-রুপোর দামের ঐতিহাসিক প্রবণতা
বাংলাদেশে সোনা-রুপোর দামের ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট উর্ধ্বগামী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি আউন্স সর্বোচ্চ ৫,৩৩,২৭২ টাকায় পৌঁছেছিল । ডিসেম্বর ২০২৫-এ সর্বনিম্ন দাম ছিল প্রতি আউন্স ৫,১২,৯৪৮ টাকা ।
সাম্প্রতিক মাসগুলোর মূল্য পরিবর্তন
সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ২২ ক্যারেট সোনার দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে:
-
১ সেপ্টেম্বর ২০২৫: ১,৭৫,৭৮৮ টাকা প্রতি ভরি
-
৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫: ১,৭৮,৮৩২ টাকা প্রতি ভরি
-
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫: ১,৮২,৮১০ টাকা প্রতি ভরি
-
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫: ২,১৭,০৬৭ টাকা প্রতি ভরি
এই তথ্য থেকে বোঝা যায় যে গত তিন মাসে সোনার দাম প্রায় ৪১,২৭৯ টাকা বা প্রায় ২৩.৫% বৃদ্ধি পেয়েছে।
রুপোর বাজার: দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের সম্ভাবনা
রুপো বাংলাদেশে তুলনামূলক কম মূল্যের মূল্যবান ধাতু হিসেবে বিবেচিত হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে এর বিনিয়োগ সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য। গত এক বছরে রুপোর দাম ১৩২.৬৯% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পাঁচ বছরে দ্বিগুণেরও বেশি (২৬৮.৯%) বৃদ্ধি পেয়েছে । গত এক দশকে রুপোর দাম প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ।
আন্তর্জাতিক রুপোর দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন ধরনের রুপোর বর্তমান দাম:
-
৯৯.৯% বিশুদ্ধ রুপো: ২৫৯.৪৩ টাকা প্রতি গ্রাম
-
৯৫.৮% ব্রিটানিয়া রুপো: ২৪৮.৫৪ টাকা প্রতি গ্রাম
-
৯২.৫% স্টার্লিং রুপো: ২৩৯.৯৭ টাকা প্রতি গ্রাম
-
৯০% কয়েন সিলভার: ২৩৩.৪৯ টাকা প্রতি গ্রাম
-
৮০% জুয়েলারি সিলভার: ২০৭.৫৪ টাকা প্রতি গ্রাম
বর্তমানে রুপো বুলিশ (উর্ধ্বগামী) মোমেন্টাম প্রদর্শন করছে এবং ৮,০৭৪.১৮ টাকা প্রতি আউন্সে লেনদেন হচ্ছে । নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে চাহিদা এবং মুদ্রাস্ফীতি হেজিং উচ্চ মূল্য সমর্থন করছে ।
সোনা-রুপো ক্রয়ের সময় সতর্কতা
বাংলাদেশে সোনা-রুপো ক্রয়ের সময় ক্রেতাদের কিছু বিষয় বিবেচনা করা উচিত। প্রথমত, শুধুমাত্র বাজুস স্বীকৃত জুয়েলার্স থেকে ক্রয় করা উচিত, যাতে গুণমান ও মূল্যের নিশ্চয়তা পাওয়া যায়। দ্বিতীয়ত, ক্রয়ের সময় সঠিক ওজন ও ক্যারেট যাচাই করা জরুরি।
মূল্য যাচাইকরণ
বাজুস প্রতিদিন বা প্রয়োজন অনুযায়ী সোনা-রুপোর দাম আপডেট করে। ক্রেতাদের উচিত ক্রয়ের আগে সর্বশেষ দাম যাচাই করা। অনেক জুয়েলার্স তাদের দোকানে বাজুসের সর্বশেষ মূল্য তালিকা প্রদর্শন করে থাকে।
বিল ও গুণমান সনদ
প্রতিটি ক্রয়ের জন্য সঠিক বিল ও গুণমান সনদ সংগ্রহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভবিষ্যতে পুনঃবিক্রয় বা বিনিময়ের সময় সহায়ক হয়। অধিকাংশ স্বীকৃত জুয়েলার্স হলমার্ক সনদসহ সোনা-রুপো বিক্রয় করে থাকে।
সোনা-রুপোর দাম প্রভাবিত করার কারণসমূহ
বিশ্ববাজারে এবং বাংলাদেশে সোনা-রুপোর দাম বিভিন্ন কারণে প্রভাবিত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের দাম, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর নীতি এবং চাহিদা-সরবরাহের ভারসাম্য প্রধান নিয়ামক। স্থানীয়ভাবে, আমদানি শুল্ক, পরিবহন খরচ এবং স্থানীয় চাহিদাও দাম নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
মুদ্রাস্ফীতি ও বিনিয়োগ
মুদ্রাস্ফীতির সময় সোনা-রুপো নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এগুলো মূল্য সংরক্ষণে সহায়তা করে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির চাপ থাকায় মূল্যবান ধাতুর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে ।
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনা-রুপোর চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এই কারণে ২০২৫ সালে সোনার দাম উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
বাজুসের ভূমিকা ও দায়িত্ব
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশে সোনা-রুপোর দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। সংগঠনটির মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ বিষয়ক স্থায়ী কমিটি নিয়মিত বৈঠক করে আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণ করে এবং সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্য নির্ধারণ করে ।
মূল্য স্থিতিশীলতা রক্ষা
বাজুস বাজারে মূল্য স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের দ্বারা অযাচিত মূল্য বৃদ্ধি রোধে কাজ করে। সংগঠনটি সদস্য জুয়েলার্সদের জন্য নির্দেশনা জারি করে এবং ক্রেতা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখে।
তথ্য প্রচার ও স্বচ্ছতা
বাজুস নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সোনা-রুপোর আপডেট মূল্য তালিকা প্রকাশ করে, যা ক্রেতাদের সঠিক তথ্য জানতে সাহায্য করে। এই স্বচ্ছতা বাজারে আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
বিনিয়োগ হিসেবে সোনা-রুপো: সুবিধা ও অসুবিধা
দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হিসেবে সোনা-রুপো জনপ্রিয় হলেও এর কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। সুবিধার মধ্যে রয়েছে মূল্য সংরক্ষণ, তারল্য এবং মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা। অসুবিধার মধ্যে রয়েছে স্টোরেজ খরচ, মূল্যের অস্থিরতা এবং কোনো নিয়মিত আয় না থাকা।
স্বর্ণ সঞ্চয় স্কিম
বাংলাদেশের অনেক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্বর্ণ সঞ্চয় স্কিম চালু করেছে, যেখানে নিয়মিত কিস্তিতে টাকা জমা দিয়ে পরবর্তীতে সোনা ক্রয় করা যায়। এটি মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সোনা সংগ্রহের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম।
ভবিষ্যৎ প্রবণতা ও পূর্বাভাস
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৫ সালের বাকি সময় এবং ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সোনার দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা, মুদ্রাস্ফীতির চাপ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনা সংগ্রহের প্রবণতা এই উচ্চ মূল্য টিকিয়ে রাখতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি
দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীদের জন্য সোনা এখনও আকর্ষণীয় বিকল্প হতে পারে। তবে স্বল্পমেয়াদী মূল্য ওঠানামা বিবেচনায় রেখে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
শেষ কথা
বাংলাদেশে সোনা ও রুপোর দাম বর্তমানে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং বাজুস নির্ধারিত সর্বশেষ মূল্য অনুযায়ী ২২ ক্যারেট সোনা প্রতি ভরি ২,১৭,০৬৭ টাকা ও প্রতি গ্রাম ১৮,৬১০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। রুপোর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে যেখানে ২২ ক্যারেট রুপো প্রতি গ্রাম ৩৯২ টাকা। ক্রেতাদের সচেতন থাকা উচিত যে মূল দামের সাথে ৫% ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬% তৈরি খরচ যুক্ত হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব, মুদ্রাস্ফীতির চাপ এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আগামী মাসগুলোতেও দাম উচ্চ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিনিয়োগকারী ও ক্রেতাদের বাজুস স্বীকৃত জুয়েলার্স থেকে সঠিক বিল ও গুণমান সনদসহ সোনা-রুপো ক্রয় করা এবং নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণ করা উচিত। দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হিসেবে সোনা-রুপো এখনও মূল্য সংরক্ষণের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


