বাংলাদেশে সোনা ও রুপার সর্বশেষ মূল্য: ২২ ডিসেম্বর ২০২৫-এর সম্পূর্ণ দামের তালিকা (ভরি, গ্রাম, আনা ও রতি হিসেবে)

সর্বাধিক আলোচিত

বাংলাদেশে সোনা ও রুপার দাম প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত সর্বশেষ মূল্য অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৭ টাকায় । আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশীয় বাজারেও সোনার দাম ঊর্ধ্বগামী রয়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে বাজুস একাধিকবার দাম সমন্বয় করেছে । রুপার ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার বর্তমান মূল্য ৪ হাজার ৫৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে । এই নিবন্ধে আমরা বিস্তারিতভাবে বাংলাদেশের বর্তমান সোনা ও রুপার বাজার, বিভিন্ন ক্যারেটের মূল্য, এবং ভরি, গ্রাম, আনা ও রতি অনুযায়ী হিসাব তুলে ধরব।

বাংলাদেশে সোনার বর্তমান বাজার পরিস্থিতি

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর সর্বশেষ মূল্য সমন্বয় অনুযায়ী বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৭০ টাকা বৃদ্ধি করেছে । এটি ছিল আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যক্ষ প্রভাব, যেখানে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মুদ্রাস্ফীতি সোনার চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে । চলতি বছরে মোট ৮৬ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫৯ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৭ বার হ্রাস করা হয়েছে । এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায় যে সোনার বাজার অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং ক্রেতাদের নিয়মিত দাম যাচাই করে কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

২২ ডিসেম্বর ২০২৫: বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম

বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম ভিন্ন ভিন্ন, যা সোনার বিশুদ্ধতার মাত্রার উপর নির্ভর করে। ২২ ক্যারেট সোনা সবচেয়ে বিশুদ্ধ এবং জনপ্রিয় বলে এর দাম সর্বোচ্চ, যেখানে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) মূল্য ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৭ টাকা । এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের সোনা প্রতি ভরি ২ লাখ ৭ হাজার ২১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে । নিচের সারণিতে বিস্তারিত মূল্য তালিকা দেওয়া হলো:

স্বর্ণের ধরন প্রতি ভরি মূল্য (টাকা) প্রতি গ্রাম মূল্য (টাকা)
২২ ক্যারেট ২,১৭,০৬৭ ১৮,৬১৩
২১ ক্যারেট ২,০৭,২১১ ১৭,৭৬৭
১৮ ক্যারেট ১,৭৭,৬৪৩ ১৫,২৩০
সনাতন পদ্ধতি ১,৪৭,৯০০ ১২,৬৮০

রুপার বর্তমান বাজার মূল্য

সোনার পাশাপাশি রুপার দামও সমান্তরালভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর সর্বশেষ সমন্বয়ে প্রতি ভরি রুপার দাম ৩২৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে । বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৪ হাজার ৫৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা রুপা ব্যবসায়ীদের কাছে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলে বিবেচিত হচ্ছে । চলতি বছরে রুপার দাম মোট ১০ বার পরিবর্তিত হয়েছে, যার মধ্যে ৭ বার বৃদ্ধি এবং ৩ বার হ্রাস পেয়েছে ।

রুপার বিভিন্ন ক্যারেটের দাম নিম্নরূপ: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৭৯৯ টাকা । নিচের সারণিতে রুপার বিস্তারিত মূল্য তালিকা উপস্থাপন করা হলো:

রুপার ধরন প্রতি ভরি মূল্য (টাকা) প্রতি গ্রাম মূল্য (টাকা)
২২ ক্যারেট ৪,৫৭২ ৩৯২
২১ ক্যারেট ৪,৩৬২ ৩৭৪
১৮ ক্যারেট ৩,৭৩২ ৩২০
সনাতন পদ্ধতি ২,৭৯৯ ২৪০​

ভরি, গ্রাম, আনা ও রতির হিসাব বোঝা

বাংলাদেশে সোনা ও রুপার ওজন মাপার জন্য ভরি, আনা, রতি এবং পয়েন্ট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়, যা অনেক ক্রেতার কাছে জটিল মনে হতে পারে। প্রথাগত মাপের এই পদ্ধতি দীর্ঘদিন ধরে উপমহাদেশে প্রচলিত এবং এখনও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় । মৌলিক রূপান্তর অনুযায়ী, ১ ভরি সমান ১১.৬৬৪ গ্রাম, যা আবার ১৬ আনা বা ৯৬ রতি বা ৯৬০ পয়েন্টের সমান । এছাড়াও ১ আনা সমান ৬ রতি বা ৬০ পয়েন্ট এবং ১ রতি সমান ১০ পয়েন্ট । এই রূপান্তর বুঝলে ক্রেতারা সহজেই তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সোনা বা রুপার পরিমাণ এবং মূল্য হিসাব করতে পারবেন।

নিচের সারণিতে ওজন রূপান্তর চার্ট দেওয়া হলো:

পরিমাপ একক সমতুল্য
১ ভরি ১১.৬৬৪ গ্রাম
১ ভরি ১৬ আনা
১ ভরি ৯৬ রতি
১ আনা ০.৭২৯ গ্রাম
১ আনা ৬ রতি
১ রতি ০.১২২ গ্রাম

আনা ও রতি অনুযায়ী সোনার দাম হিসাব

২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি মূল্য ২,১৭,০৬৭ টাকা অনুযায়ী বিভিন্ন ছোট একক হিসাবে দাম নিম্নরূপ হবে। প্রতি আনা (১ ভরির ১/১৬ অংশ) সোনার দাম হবে প্রায় ১৩,৫৬৭ টাকা এবং প্রতি রতি (১ ভরির ১/৯৬ অংশ) সোনার দাম হবে প্রায় ২,২৬১ টাকা । এই হিসাব ক্রেতাদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যারা ছোট পরিমাণে অলংকার কিনতে চান অথবা তাদের বাজেট অনুযায়ী সোনা ক্রয় করতে ইচ্ছুক।

নিম্নলিখিত সারণিতে ২২ ক্যারেট সোনার বিভিন্ন একক অনুযায়ী আনুমানিক মূল্য দেওয়া হলো:

পরিমাণ আনুমানিক মূল্য (টাকা)
১ ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২,১৭,০৬৭
১ আনা (০.৭২৯ গ্রাম) ১৩,৫৬৭
১ রতি (০.১২২ গ্রাম) ২,২৬১
১ গ্রাম ১৮,৬১৩
১০ গ্রাম ১,৮৬,১৩০

আনা ও রতি অনুযায়ী রুপার দাম হিসাব

রুপার ক্ষেত্রেও একই হিসাব প্রযোজ্য। ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি মূল্য ৪,৫৭২ টাকা অনুযায়ী প্রতি আনা রুপার দাম হবে প্রায় ২৮৬ টাকা এবং প্রতি রতি রুপার দাম হবে প্রায় ৪৮ টাকা। রুপার অলংকার তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হওয়ায় অনেক ক্রেতা বিশেষত নতুন প্রজন্মের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

নিচের সারণিতে ২২ ক্যারেট রুপার বিভিন্ন একক অনুযায়ী আনুমানিক মূল্য দেওয়া হলো:

পরিমাণ আনুমানিক মূল্য (টাকা)
১ ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ৪,৫৭২
১ আনা (০.৭২৯ গ্রাম) ২৮৬
১ রতি (০.১২২ গ্রাম) ৪৮
১ গ্রাম ৩৯২
১০ গ্রাম ৩,৯২০

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভূমিকা

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) হলো একমাত্র সংস্থা যা দেশে সোনা ও রুপার সরকারি মূল্য নির্ধারণ করে। প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য পরিবর্তন, স্থানীয় চাহিদা-সরবরাহ, এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক নিয়ামক বিবেচনা করে নিয়মিত দাম সমন্বয় করে । বাজুস থেকে প্রদত্ত মূল্য তালিকা সারাদেশের সকল জুয়েলারি দোকানে মেনে চলা বাধ্যতামূলক এবং যেকোনো পরিবর্তন অবিলম্বে কার্যকর হয় । ক্রেতাদের জন্য এটি একটি সুবিধা কারণ তারা জানেন যে সারাদেশে একই মূল্য প্রচলিত থাকবে।

সোনা ও রুপার দাম বৃদ্ধির কারণসমূহ

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মুদ্রাস্ফীতি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগকারীরা অনিশ্চিত সময়ে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনার দিকে ঝুঁকছেন, যা চাহিদা বাড়িয়ে দাম বৃদ্ধি করছে । বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে এর প্রভাব পড়ে কারণ দেশ মূলত আমদানির মাধ্যমে সোনার চাহিদা পূরণ করে। রুপার ক্ষেত্রেও অনুরূপ বৈশ্বিক প্রভাব রয়েছে, তবে শিল্প ব্যবহার এবং সৌর প্যানেল উৎপাদনে রুপার চাহিদা বৃদ্ধিও একটি উল্লেখযোগ্য কারণ ।

২০২৫ সালে সোনা ও রুপার মূল্য প্রবণতা

চলতি বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোনার দাম অত্যন্ত অস্থিতিশীল ছিল। মোট ৮৬ বার মূল্য সমন্বয়ের মধ্যে ৫৯ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্পষ্টভাবে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নির্দেশ করে । জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সোনার দাম প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। রুপার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম পরিবর্তন হয়েছে, যেখানে ১০ বার সমন্বয়ের মধ্যে ৭ বার বৃদ্ধি ঘটেছে । এই তথ্য ক্রেতাদের ভবিষ্যৎ ক্রয় সিদ্ধান্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হতে পারে।

ক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

সোনা বা রুপা ক্রয়ের আগে ক্রেতাদের কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত। প্রথমত, সর্বদা বাজুসের সর্বশেষ মূল্য তালিকা যাচাই করে নেওয়া জরুরি কারণ দাম নিয়মিত পরিবর্তিত হয় । দ্বিতীয়ত, অলংকার কেনার সময় মেকিং চার্জ এবং ভ্যাট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিন, যা মোট খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে। তৃতীয়ত, বিশ্বস্ত এবং স্বীকৃত জুয়েলারি দোকান থেকে কেনাকাটা করুন যেখানে সঠিক ওজন এবং বিশুদ্ধতার নিশ্চয়তা পাওয়া যায়। সর্বশেষ, যদি বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে সোনা কিনছেন, তাহলে বার বা কয়েন ফর্ম্যাটে কেনা বেশি লাভজনক হতে পারে কারণ এতে মেকিং চার্জ কম থাকে।

পুরাতন সোনা ও রুপা বিক্রয়ের নিয়মকানুন

বাংলাদেশে পুরাতন সোনা বা রুপা বিক্রয়ের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়মকানুন প্রযোজ্য। সাধারণত জুয়েলারি দোকান পুরাতন সোনা কেনার সময় চলতি মূল্যের তুলনায় কিছুটা কম দাম দেয়, কারণ তাদের পুনর্গলন এবং বিশুদ্ধকরণ খরচ বহন করতে হয়। পুরাতন রুপার ক্ষেত্রে প্রতি গ্রাম দাম প্রায় ১১০ টাকা হতে পারে, যা নতুন রুপার দামের তুলনায় যথেষ্ট কম । তাই পুরাতন অলংকার বিক্রয়ের আগে বিভিন্ন দোকান থেকে দাম জেনে তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে তুলনা

আন্তর্জাতিক বাজারে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত স্বর্ণের মূল্য প্রতি আউন্স প্রায় ৫২৬ হাজার টাকার সমতুল্য ছিল । বাংলাদেশী বাজারে সোনার দাম আন্তর্জাতিক মূল্যের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত তবে আমদানি শুল্ক, পরিবহন খরচ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী মার্জিন যোগ হওয়ায় কিছুটা বেশি হয় । রুপার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মূল্য প্রতি আউন্স প্রায় ৮,২১৮ টাকা, যা বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারের সাথে মোটামুটি সামঞ্জস্যপূর্ণ ।

সোনা ও রুপা কেনার সঠিক সময়

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে সোনা ও রুপা কেনার সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ পরিকল্পনার অংশ হওয়া উচিত, দৈনন্দিন মূল্য ওঠানামার ভিত্তিতে নয়। যেহেতু ২০২৫ সালে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল, অনেক বিশ্লেষক মনে করেন আগামী কয়েক মাস এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে । তবে যারা বিবাহ বা অন্যান্য বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য অলংকার কিনতে চান, তাদের জন্য দাম একটু কমলে অপেক্ষা করা যুক্তিসঙ্গত। অন্যদিকে, দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীরা নিয়মিত অল্প পরিমাণে সোনা কিনে গড় মূল্যের সুবিধা নিতে পারেন।

শেষ কথা

বাংলাদেশে সোনা ও রুপার বাজার আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে নিয়মিত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরি প্রতি ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৭ টাকা এবং রুপার দাম ৪ হাজার ৫৭২ টাকায় দাঁড়িয়েছে। চলতি বছরে সোনার দাম ৮৬ বার এবং রুপার দাম ১০ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যা বাজারের অস্থিতিশীলতা প্রমাণ করে। ক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বাজুসের সর্বশেষ মূল্য তালিকা যাচাই করা এবং বিশ্বস্ত জুয়েলারি থেকে কেনাকাটা করা। ভরি, গ্রাম, আনা ও রতি হিসাবের মৌলিক ধারণা রাখলে সঠিক পরিমাণ এবং মূল্য নির্ধারণ সহজ হয়। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার সাথে সোনা ও রুপায় বিনিয়োগ করা উচিত, কারণ মূল্যবান ধাতু সর্বদা মূল্য সংরক্ষণের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।

সর্বশেষ