সোনা এবং রুপা—বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা দুটি মূল্যবান ধাতু। বিয়েশাদি থেকে শুরু করে যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান, অথবা বিপদের দিনে নির্ভরযোগ্য সঞ্চয় হিসেবে সোনার কদর সবসময়ই শীর্ষে। ২০২৬ সালের শুরুতেই বাংলাদেশের সোনার বাজারে বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।আপনি কি আজকের সোনার দাম বা রুপার সঠিক বাজার দর খুঁজছেন? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।
আজ, ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ (শনিবার), বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (BAJUS) নির্ধারিত নতুন মূল্যতালিকা কার্যকর রয়েছে। গতকাল অর্থাৎ ২ জানুয়ারি থেকে সোনার দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে, যা ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হতে পারে। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব বাংলাদেশে আজকের সোনা ও রুপার দাম, বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার পার্থক্য, এবং সোনা কেনার সময় আপনার কী কী বিষয় খেয়াল রাখা উচিত।
আমরা এখানে ভরি, গ্রাম, আনা এবং রতি—সব এককেই দামের সঠিক হিসাব তুলে ধরব, যাতে আপনি খুব সহজেই আপনার প্রয়োজনীয় হিসাবটি মিলিয়ে নিতে পারেন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক আজকের বাজার দর।
বাংলাদেশে আজকের সোনার দাম (Gold Price in Bangladesh Today)
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটের ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত সোনার দাম সমন্বয় করে থাকে। সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের শুরুতেই সোনার দামে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। নিচে আজকের (০৩/০১/২০২৬) ২২ ক্যারেট, ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দামের বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হলো।
আজকের সোনার দামের তালিকা (ভরি ও গ্রাম প্রতি)
| সোনার মান (Quality) | প্রতি গ্রাম (BDT) | প্রতি ভরি (BDT) |
| ২২ ক্যারেট (22 Carat) | ১৯,০৯৫ ৳ | ২,২২,৭২৪ ৳ |
| ২১ ক্যারেট (21 Carat) | ১৮,২৩০ ৳ | ২,১২,৬৩৫ ৳ |
| ১৮ ক্যারেট (18 Carat) | ১৫,৬২৫ ৳ | ১,৮২,২৫০ ৳ |
| সনাতন পদ্ধতি (Traditional) | ১৩,০১৫ ৳ | ১,৫১,৮০৭ ৳ |
নোট: উপরের উল্লিখিত দামের সাথে সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট (VAT) এবং জুয়েলারি দোকানের মজুরি (Making Charge) যুক্ত হবে। মজুরি ডিজাইনভেদে ভিন্ন হতে পারে।
বাজুস-এর সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (Pure Gold) দাম কমার কারণে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যারা বিয়ে বা ভবিষ্যতের জন্য গয়না কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য বর্তমান সময়টি তুলনামূলক লাভজনক হতে পারে।
বাংলাদেশে আজকের রুপার দাম (Silver Price in Bangladesh Today)
সোনার পাশাপাশি রুপার বাজারেও পরিবর্তন এসেছে। রুপা সাধারণত নুপুর, বিছা বা বিভিন্ন শৌখিন গয়না তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বাজুস কর্তৃক নির্ধারিত আজকের রুপার দাম নিচে দেওয়া হলো।
আজকের রুপার দামের তালিকা (ভরি ও গ্রাম প্রতি)
| রুপার মান (Quality) | প্রতি গ্রাম (BDT) | প্রতি ভরি (BDT) |
| ২২ ক্যারেট (22 Carat) | ৪৭৫ ৳ | ৫,৫৪০ ৳ |
| ২১ ক্যারেট (21 Carat) | ৪৫৫ ৳ | ৫,৩০৭ ৳ |
| ১৮ ক্যারেট (18 Carat) | ৩৯০ ৳ | ৪,৫৪৮ ৳ |
| সনাতন পদ্ধতি (Traditional) | ২৯০ ৳ | ৩,৩৮২ ৳ |
বিশ্লেষণ: রুপার দাম সাধারণত সোনার তুলনায় স্থিতিশীল থাকে, তবে সাম্প্রতিক আপডেটে রুপার দামেও কিছুটা সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা কিনতে আজ আপনার খরচ হবে প্রায় ৫,৫৪০ টাকা (ভ্যাট ও মজুরি ছাড়া)।
সোনা ও রুপার ওজন পরিমাপের হিসাব (Unit Conversions)
সোনা বা রুপা কেনার সময় ওজনের সঠিক হিসাব জানা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে সাধারণত ‘ভরি’, ‘আনা’ এবং ‘রতি’র হিসাব বেশি প্রচলিত থাকলেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে ‘গ্রাম’ ব্যবহৃত হয়। নতুন ক্রেতাদের সুবিধার্থে নিচে ওজন রূপান্তরের একটি সহজ টেবিল দেওয়া হলো।
ওজন রূপান্তর তালিকা
| একক (Unit) | রূপান্তর (Conversion) | গ্রামে ওজন (In Grams) |
| ১ ভরি (1 Bhori) | ১৬ আনা (16 Anna) | ১১.৬৬৪ গ্রাম (11.664 g) |
| ১ আনা (1 Anna) | ৬ রতি (6 Rati) | ০.৭২৯ গ্রাম (0.729 g) |
| ১ রতি (1 Rati) | ১০ পয়েন্ট (10 Point) | ০.১২১ গ্রাম (0.121 g) |
| ১ ভরি (1 Bhori) | ৯৬ রতি (96 Rati) | ১১.৬৬৪ গ্রাম (11.664 g) |
সহজ হিসাব: আপনি যদি ১ ভরি সোনা কেনেন, তবে আপনি মূলত ১১.৬৬৪ গ্রাম সোনা পাচ্ছেন। অনেক জুয়েলারি শপে এখন সরাসরি গ্রামের হিসেবেও সোনা বিক্রি করা হয়, যা আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সোনার ক্যারেট পরিচিতি: কোনটি কিনবেন?
সোনা কেনার সময় সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর বিষয় হলো ‘ক্যারেট’। ২২ ক্যারেট ভালো নাকি ২১ ক্যারেট? ১৮ ক্যারেট কেন সস্তা? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানা থাকলে আপনি ঠকবেন না।
ক্যারেটের পার্থক্য ও ব্যবহার
| ক্যারেট (Carat) | সোনার বিশুদ্ধতা (Purity) | ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য |
| ২৪ ক্যারেট (24K) | ৯৯.৯% বিশুদ্ধ | এটি তরল বা বার আকারে পাওয়া যায়। এটি খুব নরম হওয়ায় গয়না তৈরির জন্য অনুপযুক্ত। মূলত বিনিয়োগ বা কয়েন হিসেবে কেনা হয়। |
| ২২ ক্যারেট (22K) | ৯১.৬% বিশুদ্ধ | গয়না তৈরির জন্য সেরা মান। এতে ৯১.৬% সোনা এবং বাকি ৮.৪% অন্যান্য ধাতু (তামা, দস্তা, রুপা) মেশানো হয় যাতে গয়না শক্ত ও টেকসই হয়। |
| ২১ ক্যারেট (21K) | ৮৭.৫% বিশুদ্ধ | মধ্যপ্রাচ্য বা দুবাইয়ের গয়নায় এটি বেশি দেখা যায়। এটিও গয়নার জন্য বেশ ভালো এবং মজবুত। |
| ১৮ ক্যারেট (18K) | ৭৫.০% বিশুদ্ধ | এতে ৭৫% সোনা থাকে। হীরা বা পাথরের (Diamond/Stone) ভারী গয়না তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি পাথরকে শক্তভাবে ধরে রাখতে পারে। |
| সনাতন পদ্ধতি | অনির্দিষ্ট (সাধারণত ৭০-৮০%) | এটি পুরোনো পদ্ধতির সোনা। এর বিশুদ্ধতা নির্দিষ্ট থাকে না এবং বর্তমানে এটি কেনার পরামর্শ দেওয়া হয় না। |
পরামর্শ: আপনি যদি ব্যবহারের জন্য গয়না গড়াতে চান, তবে ২২ ক্যারেট হলো আদর্শ পছন্দ। আর যদি হীরা বসানো গয়না চান, তবে ১৮ ক্যারেট বেছে নিন।
সোনা কেনার সময় অতিরিক্ত খরচ (Additional Costs)
দোকানে গিয়ে শুধু সোনার ভরি দরে দাম দিলেই হয় না। এর সাথে আরও কিছু খরচ যুক্ত হয় যা মোট দামকে প্রভাবিত করে।
মজুরি বা মেকিং চার্জ (Making Charge)
গয়না তৈরির কারুকার্যের ওপর ভিত্তি করে মজুরি নির্ধারিত হয়। সাধারণ ডিজাইনের ক্ষেত্রে এটি কম হয়, কিন্তু নকশা জটিল হলে মজুরি বাড়ে। বর্তমানে বাংলাদেশে ভরি প্রতি মজুরি ন্যূনতম ৩,৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬,০০০ টাকা বা তার বেশি হতে পারে।
ভ্যাট (VAT)
বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, সোনা কেনার সময় মোট মূল্যের ওপর ৫% ভ্যাট প্রদান করা বাধ্যতামূলক। আপনি যখন পাকা রশিদ (Original Memo) নেবেন, তখন এই ভ্যাট দিতে হয়। এটি আপনার গয়নার বৈধতা নিশ্চিত করে এবং পরবর্তীতে সোনা বিক্রি বা পরিবর্তনের সময় কাজে লাগে।
উদাহরণ:
ধরি, আপনি ১ ভরি ২২ ক্যারেট সোনা কিনছেন।
-
সোনার দাম: ২,২২,৭২৪ টাকা
-
মজুরি (আনুমানিক): ৫,০০০ টাকা
-
মোট দাম (ভ্যাট ছাড়া): ২,২৭,৭২৪ টাকা
-
ভ্যাট (৫%): ১১,৩৮৬ টাকা
-
সর্বমোট খরচ: ২,৩৯,১১০ টাকা (আনুমানিক)
সোনার দাম কেন বাড়ে বা কমে? (Factors Influencing Gold Price)
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, হঠাৎ করে সোনার দাম কেন বেড়ে যায় আবার কেনই বা কমে? এর পেছনে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় কারণ রয়েছে।
প্রধান কারণসমূহ:
-
আন্তর্জাতিক বাজার (Global Market): বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়লে তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ে। আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার পরিবর্তন, যুদ্ধ বা ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা সোনার দামকে প্রভাবিত করে।
-
ডলারের বিনিময় হার (USD Exchange Rate): আমরা বিদেশ থেকে সোনা আমদানি করি। তাই টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বাড়লে সোনা আমদানির খরচ বেড়ে যায়, ফলে দেশের বাজারেও দাম বাড়ে।
-
তেজাবী সোনার সরবরাহ: স্থানীয় বাজারে যখন পাকা সোনা বা তেজাবী সোনার সংকট দেখা দেয়, তখন বাজুস দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। আবার সরবরাহ বাড়লে বা চাহিদা কমলে দাম কমানো হয়।
-
আমদানি শুল্ক (Import Duty): সরকার যদি সোনা আমদানির ওপর ট্যাক্স বা ভ্যাট বাড়ায়, তবে স্বাভাবিকভাবেই সোনার দাম বৃদ্ধি পায়।
আসল সোনা চেনার উপায় (How to Identify Real Gold)
কষ্টের টাকায় সোনা কিনছেন, কিন্তু সেটি আসল কি না তা বুঝবেন কীভাবে? প্রতারণা এড়াতে কিছু বিষয় অবশ্যই যাচাই করুন।
-
হলমার্ক (Hallmark) চেক করুন: বর্তমানে বিএসটিআই (BSTI) অনুমোদিত হলমার্ক ছাড়া সোনা কেনা উচিত নয়। গয়নার গায়ে একটি ছোট্ট সিল বা খোদাই করা নম্বর থাকে।
-
২২ ক্যারেটের জন্য: 916
-
২১ ক্যারেটের জন্য: 875
-
১৮ ক্যারেটের জন্য: 750
-
-
পাকা রশিদ (Official Receipt): সোনা কেনার সময় অবশ্যই দোকানের নাম, ঠিকানা, এবং কেনা গয়নার বিস্তারিত বিবরণ (ওজন, ক্যারেট, মজুরি) সম্বলিত পাকা মেমো সংগ্রহ করুন।
-
রিটার্ন পলিসি জানুন: কেনার আগে জেনে নিন, ভবিষ্যতে ওই দোকানে গয়নাটি ফেরত দিলে বা পরিবর্তন করলে তারা কত শতাংশ টাকা কর্তন করবে। সাধারণত ১০-২০% পর্যন্ত কর্তন করা হয়।
-
চুম্বক পরীক্ষা: আসল সোনা চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। যদি আপনার গয়না চুম্বকে আটকে যায়, তবে বুঝতে হবে এতে লোহা বা অন্য কোনো ধাতু মেশানো আছে।
বাংলাদেশে সোনা কেনা কি ভালো বিনিয়োগ? (Is Gold a Good Investment?)
ঐতিহাসিকভাবে সোনা হলো মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) বিরুদ্ধে সেরা রক্ষাকবচ। টাকার মান যখন কমে যায়, সোনার দাম তখন বাড়ে।
সুবিধাসমূহ:
-
মূল্যবৃদ্ধি: দীর্ঘমেয়াদে সোনার দাম সবসময় উর্ধ্বমুখী। ১০ বছর আগের সোনার দামের সাথে আজকের দাম তুলনা করলেই এর প্রমাণ পাওয়া যায়।
-
তরল সম্পদ (Liquidity): বিপদের সময় সোনা খুব দ্রুত বিক্রি করে নগদ টাকায় রূপান্তর করা যায়।
-
নিরাপত্তা: শেয়ার বাজার বা অন্যান্য বিনিয়োগের তুলনায় সোনা অনেক বেশি নিরাপদ।
তবে, গয়না হিসেবে সোনা কিনলে মজুরি এবং ভ্যাটের কারণে তাৎক্ষণিক বিক্রিতে কিছুটা লস হতে পারে। বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে কিনলে ‘গোল্ড বার’ বা ‘কয়েন’ কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ।
বাজুস (BAJUS) এবং এর ভূমিকা
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা BAJUS হলো বাংলাদেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন। তাদের কাজ হলো:
-
সোনার মান নিয়ন্ত্রণ ও হলমার্ক নিশ্চিত করা।
-
আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সোনার দাম নির্ধারণ করা।
-
ক্রেতা ও বিক্রেতার স্বার্থ সংরক্ষণ করা।
বাজুস-এর নিয়মিত আপডেটের কারণেই সারা দেশে সোনার দামে একটি সমতা বজায় থাকে। তবে মনে রাখবেন, বাজুস কেবল সোনার ‘র’ (Raw) মেটেরিয়ালের দাম নির্ধারণ করে। মজুরি দোকানভেদে ভিন্ন হতে পারে।
পরামর্শ
পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশে আজকের সোনা ও রুপার দাম (০৩/০১/২০২৬) কিছুটা নিম্নমুখী হওয়ায় এটি গয়না কেনার উপযুক্ত সময় হতে পারে। ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ২,২২,৭২৪ টাকা এবং রুপার ভরি ৫,৫৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোনা কেনার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না। অবশ্যই বিশ্বস্ত এবং হলমার্ক সনদপ্রাপ্ত জুয়েলারি শপ থেকে কেনাকাটা করুন। রশিদে ক্যারেট, ওজন এবং মজুরির বিষয়টি স্পষ্টভাবে লিখিয়ে নিন। আপনি যদি বিনিয়োগকারী হন, তবে বাজারের গতিবিধি লক্ষ্য রাখুন, কারণ সোনার দাম প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল।
আশা করি, এই আর্টিকেলটি আপনাকে আজকের বাজার দর এবং সোনা কেনার খুঁটিনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দিতে পেরেছে। পরবর্তী আপডেটের জন্য আমাদের সাথেই থাকুন।


