বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) স্বর্ণের ভরি-প্রতি দাম নির্ধারণ করে থাকে এবং বর্তমানে ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনার দাম ভরি-প্রতি ২১৮,১১৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ২০৮,২০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৭৮,৪৬০ টাকা এবং সনাতন সোনা ১৪৮,৬০০ টাকা। এ রেট মূলত ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ থেকে কার্যকর হলেও বাজারে পরদিন ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫–এও একই রেঞ্জে লেনদেন হচ্ছে, কারণ বাজুসের যে কোনো নতুন ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সর্বশেষ ঘোষিত দামই কার্যকর থাকে।
লাইভ আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে রুপোর রেট প্রতি টোলা প্রায় ২,৩২২.০৩ টাকা, যা ২৪ ক্যারেট সমমানের ৯৯৯ বিশুদ্ধতার রুপোর অনলাইন লাইভ দামের একটি গড় নির্দেশক। একই সঙ্গে প্রতি গ্রাম রুপোর দাম বিভিন্ন উচ্চ-প্রামাণিক সাইটের হিসাবে ৮০–৮১ টাকার আশপাশে, যা খুচরা পর্যায়ে গহনার মজুরি ও ভ্যাট যুক্ত হয়ে কিছুটা বেশি হতে পারে।
দ্রষ্টব্য: বাস্তবে কেনাবেচার সময় দোকানভেদে মেকিং চার্জ, ডিজাইন ও লোকেশন অনুযায়ী দাম কিছুটা কম-বেশি হতে পারে; তাই কেনার আগে সবসময় নির্ভরযোগ্য জুয়েলার্স ও বাজুস লাইভ রেট যাচাই করা জরুরি।
সোনার দাম: ভরি, গ্রাম, আনা, রতি
বাংলাদেশে সোনা কেনাবেচার প্রাচীন একক হলো ভরি, আনা, রতি ও পয়েন্ট; পাশাপাশি আন্তর্জাতিক একক গ্রামও এখন অত্যন্ত ব্যবহৃত। প্রচলিতভাবে ১ ভরি ধরা হয় প্রায় ১১.৬৬৪ গ্রাম এবং ১ ভরি = ১৬ আনা, ১ আনা = ৬ রতি হিসেবে হিসাব করা হয়, যা দেশজ স্বর্ণবাজারের স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাকটিস।
২২, ২১, ১৮ ক্যারেট সোনার বর্তমান রেট (ভরি ও গ্রাম)
নিচের টেবিলে বাজুস ঘোষিত সর্বশেষ রেট অনুযায়ী ২২, ২১, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন সোনার ভরি ও গ্রাম-প্রতি আনুমানিক দাম দেখানো হলো (ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম ধরে সরল গাণিতিক রূপান্তর):
আজকের সোনার রেট (২৩ ডিসেম্বর ২০২৫)
| ক্যারেট/প্রকার | ভরি (১১.৬৬৪ গ্রামে) দাম (টাকা) | গ্রামপ্রতি আনুমানিক দাম (টাকা) | |
|---|---|---|---|
| ২২ ক্যারেট হলমার্ক | ২১৮,১১৭ | ≈ ১৮,৭০০ | |
| ২১ ক্যারেট | ২০৮,২০৩ | ≈ ১৭,৮৫০ | |
| ১৮ ক্যারেট | ১৭৮,৪৬০ | ≈ ১৫,৩০০ | |
| সনাতন সোনা | ১৪৮,৬০০ | ≈ ১২,৭৪০ |
বাজুস–স্বীকৃত এই রেটগুলো সাধারণত হলমার্কযুক্ত সোনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং জুয়েলারি হিসেবে কেনার সময় ৫% ভ্যাট ও ন্যূনতম ৬% বা তার বেশি মেকিং চার্জ যুক্ত হয়. আন্তর্জাতিক মার্কেট ও ডলারের রেটের ওঠানামা, স্থানীয় চাহিদা ও আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাজুস প্রায় প্রতিদিনই নতুন রেট নির্ধারণ করে থাকে, যা তাদের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়।
ভরি থেকে আনা ও রতিতে রূপান্তর
বাংলাদেশি স্বর্ণবাজারের ঐতিহ্যিক এককগুলো বোঝার সুবিধার্থে নিচে ২২ ক্যারেট সোনার উদাহরণ দিয়ে প্রতি আনা ও প্রতি রতির আনুমানিক মূল্য দেখানো হলো (২২ ক্যারেট গ্রামপ্রতি ≈ ১৮,৭০০ টাকা ধরে):
-
১ ভরি = ১৬ আনা ⇒ প্রতি আনা ≈ ২১৮,১১৭ ÷ ১৬ ≈ ১৩,৬০০ টাকা।
-
১ আনা = ৬ রতি ⇒ প্রতি রতি ≈ ১৩,৬০০ ÷ ৬ ≈ ২,২৬৭ টাকা (আনুমানিক)।
এগুলো গাণিতিক আনুমানিক হিসাব; বাস্তবে দোকানে লেনদেনের সময় ভরি বা গ্রাম এককে সমন্বিত হিসাবেই মূল্য নির্ধারিত হয়, আনা–রতির ভিত্তিতে আলাদা করে খুব কমই হিসাব করা হয়।
২২ ক্যারেট সোনার আনুমানিক এককভিত্তিক দাম
| একক | সমমান (প্রায়) | আনুমানিক দাম (২২ ক্যারেট) | ব্যাখ্যা |
|---|---|---|---|
| ১ ভরি | ১১.৬৬৪ গ্রাম | ২১৮,১১৭ টাকা | বাজুস ঘোষিত রেট |
| ১ আনা | ০.৭২৯ গ্রাম (১১.৬৬৪÷১৬) | ≈ ১৩,৬০০ টাকা | ১ ভরির ১/১৬ অংশ |
| ১ রতি | প্রায় ০.১২১৫ গ্রাম | ≈ ২,২৬৭ টাকা | ১ আনার ১/৬ ভাগ |
রুপোর দাম: ভরি, গ্রাম, আনা, রতি
বাংলাদেশে রুপোর গহনা সাধারণত গ্রাম বা ভরি এককে বিক্রি হয়, তবে প্রচলিতভাবেই আনা ও রতির হিসাব কিছু দোকানে রাখা হয়. আন্তর্জাতিক লাইভ ডেটা অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে ৯৯৯ বিশুদ্ধতার রুপোর প্রতি টোলার দাম প্রায় ২,৩২২.০৩ টাকা এবং প্রতি গ্রাম গড় হিসাব ৮০–৮১ টাকার মধ্যে; স্থানীয় বাজারে মজুরি ও ভ্যাট যুক্ত হয়ে প্রকৃত বিক্রয়মূল্য সামান্য বেশি হয়।
রুপোর লাইভ রেট (প্রতি গ্রাম ও টোলা)
অনলাইন প্রাইস–ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মগুলো স্পট মার্কেট অনুসারে বাংলাদেশে রুপোর সর্বশেষ রেট নিয়মিত আপডেট করে থাকে। তাদের গড় রিডিং অনুযায়ী ২২–২৩ ডিসেম্বর ২০২৫–এর আশেপাশে:
| একক | বিশুদ্ধতা | আনুমানিক দাম (টাকা) | |
|---|---|---|---|
| ১ টোলা | ৯৯৯ | ≈ ২,৩২২.০৩ | |
| ১ গ্রাম | ৯৯৯ | ≈ ৮০–৮১ |
বাংলাদেশে রুপোর গহনা কিনতে গেলে দোকানগুলো সাধারণত এ লাইভ স্পট রেটকে ভিত্তি ধরে তার ওপর মেকিং চার্জ ও প্রযোজ্য ভ্যাট যোগ করে শেষ মূল্য নির্ধারণ করে। যে কারণে অনলাইন লাইভ রেটের তুলনায় দোকানে কিছুটা বেশি দাম দেখা যায়, বিশেষ করে জটিল ডিজাইনের ক্ষেত্রে।
রুপোর ভরি, আনা ও রতি হিসাব (আনুমানিক)
সোনার মতোই রুপোর ক্ষেত্রেও ১ ভরি ≈ ১১.৬৬৪ গ্রাম ধরে নিচের মতো সহজ গণনা করা যায়, যদিও বাস্তবে অনেক দোকান সরাসরি গ্রাম এককেই দাম বলে থাকে।
-
ধরা হচ্ছে প্রতি গ্রাম রুপোর লাইভ গড় দাম ≈ ৮০ টাকা।
-
১ ভরি ≈ ১১.৬৬৪ গ্রাম ⇒ ভরি–প্রতি ≈ ১১.৬৬৪ × ৮০ ≈ ৯৩৩ টাকা (লাইভ স্পট হিসাব অনুযায়ী, খুচরা দামে বেশি হতে পারে)।
-
১ ভরি = ১৬ আনা ⇒ প্রতি আনা ≈ ৯৩৩ ÷ ১৬ ≈ ৫৮–৬০ টাকা।
-
১ আনা = ৬ রতি ⇒ প্রতি রতি ≈ ১০ টাকা (আনুমানিক)।
এই হিসাবগুলো কেবল ধারণা দেওয়ার জন্য; বাস্তব কেনাবেচায় জুয়েলার্সরা সাধারণত ওজন ও ক্যারেট–ভিত্তিক ম্যানুয়াল ক্যালকুলেশন করে থাকেন।
সোনার দামের ওপর প্রভাবক কারণ
বাংলাদেশে প্রতিদিন সোনার দাম ওঠানামা করে, যা প্রধানত আন্তর্জাতিক ও দেশীয় কিছু ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে. এই ফ্যাক্টরগুলো বোঝা থাকলে স্বর্ণে বিনিয়োগ বা গহনা কেনার সঠিক সময় বাছাই করা অনেক সহজ হয়।
আন্তর্জাতিক বাজার ও ডলারের রেট
-
বিশ্ববাজারে সোনার স্পট প্রাইস প্রধানত লন্ডন বুলিয়ন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশন (LBMA)–এর নির্ধারিত ফিক্সিং ও নিউইয়র্ক কমেক্স ফিউচার প্রাইসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলে, যা বাংলাদেশেও সরাসরি প্রভাব ফেলে।
-
মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে গেলে সোনা আমদানিতে বেশি টাকা খরচ হয়, ফলে বাজুস আমদানিকারক–ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় করে ভরি–প্রতি দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।
চাহিদা–সরবরাহ, উৎসব মৌসুম ও বিনিয়োগ
-
বিয়ের মৌসুম, ঈদ, পূজা বা বড় কোনো উৎসবকে কেন্দ্র করে সোনার গহনার চাহিদা বেড়ে গেলে স্থানীয় বাজারে সাময়িকভাবে দাম বাড়ার প্রবণতা থাকে।
-
অর্থনৈতিক অস্থিরতা, শেয়ারবাজারের অনিশ্চয়তা বা উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির সময় মানুষ নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনায় ঝুঁকে পড়ায় বিনিয়োগ–চাহিদা বাড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে দামকে ঊর্ধ্বগামী করে।
আমদানি শুল্ক, ভ্যাট ও নীতি–নির্ধারণী প্রভাব
-
বাংলাদেশে সোনা একটি আমদানি–নির্ভর পণ্য হওয়ায় আমদানি শুল্ক, এনবিআর–নির্ধারিত ভ্যাট ও ব্যাংকিং চ্যানেলের ডলার সরবরাহ নীতির পরিবর্তন সরাসরি সোনার রেটের ওপর প্রভাব ফেলে।
-
বাজুস সরকারের নীতি–সহযোগিতায় দৈনিক রেট নির্ধারণ করে; নতুন নীতিমালা বা শুল্ক কাঠামোর পরিবর্তন হলে স্বর্ণবাজারে একবারে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যেতে পারে।
বিনিয়োগ, গহনা কেনা ও নিরাপদ লেনদেনের গাইড
বাংলাদেশে স্বর্ণ কেবল অলংকার নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় ও বিনিয়োগের নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়। সঠিক তথ্য, হলমার্ক যাচাই ও স্বচ্ছ লেনদেনের মাধ্যমে সোনায় বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে।
কোন ক্যারেটের সোনা বেছে নেবেন?
-
২২ ক্যারেট (৯১৬ কোড): প্রায় ৯১.৬৭% খাঁটি সোনা থাকে; গহনা ও দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ–দুই ক্ষেত্রেই জনপ্রিয়, তবে দাম তুলনামূলক বেশি।
-
১৮ ক্যারেট (৭৫০ কোড): প্রায় ৭৫% খাঁটি সোনা, বাকি অংশে তামা/রুপা/নিকেল থাকে; দৈনন্দিন ব্যবহারের গহনার জন্য টেকসই ও কিছুটা সাশ্রয়ী।
যাঁরা মূলত রিটার্ন ও নিরাপদ ভ্যালু ধরে রাখাকে অগ্রাধিকার দেন, তাঁদের জন্য স্বর্ণবার বা কয়েন আকারে ২৪ ক্যারেট সোনা (৯৯৯ বিশুদ্ধতা) ভালো অপশন হতে পারে; অন্যদিকে, ব্যবহার ও সৌন্দর্য–দুটোই বিবেচনা করলে ২২ ক্যারেট গহনা বেশি উপযোগী।
হলমার্ক যাচাই ও বাজুস–অনুমোদিত দোকান
-
সোনা কেনার সময় অবশ্যই হলমার্ক স্ট্যাম্পে ক্যারেট ও কোড (যেমন ৯১৬, ৭৫০) ভালোভাবে দেখে নিতে হবে, যা সোনার বিশুদ্ধতা ও প্রামাণিকতার নিশ্চয়তা দেয়।
-
বাজুস–অনুমোদিত বিশ্বস্ত জুয়েলার্স থেকে কিনলে নকল বা নিম্নমানের সোনা পাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়; বাজুসের অফিসিয়াল পোর্টাল ও জুয়েলার্স–ডিরেক্টরি থেকে অনুমোদিত দোকানের তালিকা দেখে নেওয়া যায়।
ভ্যাট, মেকিং চার্জ ও রসিদ
-
বাজুস নীতিমালা অনুযায়ী স্বর্ণালংকার ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত রেটে ৫% ভ্যাট ও ন্যূনতম ৬% বা তার বেশি মেকিং চার্জ (ডিজাইনভেদে বাড়তে পারে) যুক্ত হয়।
-
প্রতিটি কেনাকাটার ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার/হ্যান্ড–রিটেন ইনভয়েস সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা উচিত; এতে ভবিষ্যতে পুরাতন সোনা বিক্রি বা গহনা এক্সচেঞ্জ করার সময় ওজন ও ক্যারেট নিয়ে জটিলতা কমে যায়।
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫–এ বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারে বাজুস ঘোষিত সর্বশেষ রেট অনুযায়ী ২২ ক্যারেট হলমার্ক সোনার ভরি–প্রতি দাম ২১৮,১১৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ২০৮,২০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৭৮,৪৬০ টাকা এবং সনাতন সোনা ১৪৮,৬০০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে, যা গহনা ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য মূল রেফারেন্স পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে। একই সময়ে লাইভ ডেটা অনুসারে রুপোর প্রতি টোলার আনুমানিক দাম ২,৩২২ টাকার কাছাকাছি এবং প্রতি গ্রাম প্রায় ৮০–৮১ টাকা, যদিও খুচরা পর্যায়ে মজুরি ও ভ্যাটের কারণে কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়।
বাংলাদেশে সোনার দামের দৈনিক ওঠানামা আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট, ডলারের রেট, স্থানীয় চাহিদা ও সরকারি নীতি–পরিবর্তনের সমন্বিত প্রভাবে নির্ধারিত হয়, যার কেন্দ্রে থাকে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস). তাই যে–কোনো সময় স্বর্ণ বা রুপোর গহনা কেনার আগে সর্বশেষ বাজুস রেট, হলমার্ক সনাক্তকরণ ও দোকানের নির্ভরযোগ্যতা ভালোভাবে যাচাই করা অপরিহার্য। অনলাইন উচ্চ–প্রামাণিক প্ল্যাটফর্ম এবং আন্তর্জাতিক প্রাইস–ট্র্যাকার সাইটগুলো ব্যবহার করলে বাস্তবসম্মত ও নিরপেক্ষ মূল্য–ধারণা পাওয়া যায়, যা সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।
যাঁরা দীর্ঘমেয়াদে সোনায় বিনিয়োগ করতে চান, তাঁদের জন্য নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন ক্যারেটের বিশুদ্ধতা বোঝা এবং ভ্যাট–মেকিং চার্জসহ মোট খরচ হিসাব করেই লেনদেন করা উচিত. সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পিত কেনাকাটা করলে সোনা ও রুপা দুটোই বাংলাদেশি পরিবারের জন্য নিরাপদ সম্পদ ও ঐতিহ্যের ধারক হিসাবে থেকে যাবে, পাশাপাশি ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


