সিটিআর বেঞ্চমার্কের ওপর নির্ভর না করে নিজের পূর্ববর্তী ডেটা ব্যবহার করবেন কেন?

সর্বাধিক আলোচিত

গুগল সার্চ কনসোলে একটি ওয়েবসাইটের গড় ক্লিকের হার (সিটিআর) দেখা যাচ্ছে ৪ শতাংশ। অথচ কোনো শিল্প খাতের প্রতিবেদনে একই ধরনের ওয়েবসাইটের ক্লিকের হার আরও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পার্থক্য দেখে কি ধরে নিতে হবে যে ওয়েবসাইটটির সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইওর কার্যকারিতা খারাপ?

এমন সিদ্ধান্তের জন্য দুটি সংখ্যা যথেষ্ট নয়। ওয়েবসাইটটি কোন ধরনের অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, অনুসন্ধান ফলাফলে তার অবস্থান কোথায়, কতজন ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের নাম লিখে খুঁজছেন—এসব তথ্য না জানলে ক্লিকের হারের তুলনা বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

এসইওতে ক্লিকের হারের তুলনামূলক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অন্য প্রতিষ্ঠানের গড় হারকে নিজের লক্ষ্য বানানোর চেয়ে ওয়েবসাইটের আগের ফলাফল দেখা বেশি যুক্তিসংগত। গুগল সার্চ কনসোলে সংরক্ষিত পূর্ববর্তী তথ্য থেকে বোঝা সম্ভব, কোন পৃষ্ঠা আগের চেয়ে বেশি ক্লিক পাচ্ছে, কোথায় অবস্থান বদলেছে এবং কোন বিষয়বস্তুর ফল নতুন করে পরীক্ষা করা দরকার। তবে নিজের পুরোনো তথ্য ব্যবহার করলেই বিশ্লেষণ নির্ভুল হবে না। কীসের সঙ্গে কী তুলনা করা হচ্ছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

শিল্প খাতের গড় ক্লিকের হার দিয়ে নিজের ওয়েবসাইট বিচার করবেন না

অনুসন্ধান ফলাফলে প্রথম, দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় অবস্থানের গড় ক্লিকের হার নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা ও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ক্লিক করার সাধারণ প্রবণতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। সমস্যা শুরু হয় যখন সেই গড় হারকে নির্দিষ্ট একটি ওয়েবসাইটের প্রত্যাশিত ফল হিসেবে ধরা হয়।

একটি পরিচিত অনলাইন কেনাকাটার প্রতিষ্ঠান এবং নতুন একটি তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইটের কথাই বিবেচনা করা যাক। প্রথম প্রতিষ্ঠানের নাম লিখে সরাসরি পণ্য খুঁজছেন এমন ব্যবহারকারী থাকতে পারেন। দ্বিতীয় ওয়েবসাইটে মানুষ হয়তো কোনো সমস্যার সমাধান বা সাধারণ তথ্য খুঁজতে আসেন।

দুই ওয়েবসাইটের গড় অবস্থান কাছাকাছি হলেও ক্লিকের হার ভিন্ন হতে পারে। প্রথমটির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি কাজ করতে পারে। দ্বিতীয়টির পাঠক হয়তো অনুসন্ধান ফলাফলে একাধিক উৎস তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেন। ভাষা ও অঞ্চলও বিবেচ্য। বাংলাদেশের বাংলা ভাষার তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইটের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ইংরেজি অনলাইন বিপণন প্রতিষ্ঠানের গড় ক্লিকের হার তুলনা করে খুব বেশি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

শিল্প খাতের গড় হিসাবের আরেকটি সমস্যা হলো, সেখানে কোন ধরনের অনুসন্ধান, যন্ত্র কিংবা ফলাফল বিবেচনা করা হয়েছে, তা নিজের ওয়েবসাইটের পরিস্থিতির সঙ্গে মিলতে নাও পারে। এ কারণে আন্তর্জাতিক ক্লিকের হারের গড় মানকে বাজারের সাধারণ ধারণা পাওয়ার উপায় হিসেবে রাখা যায়। কিন্তু সেটি অর্জন করতেই হবে, এমন লক্ষ্য নির্ধারণ করা উচিত নয়।

আরও পড়ুন: গুগল সার্চ কনসোল পারফরম্যান্স রিপোর্ট কীভাবে পড়বেন

ক্লিকের হার কমেছে, অথচ ক্লিক বেড়েছে—এমনও হতে পারে

ক্লিকের হার বা সিটিআর হলো অনুসন্ধান ফলাফলে রেকর্ড করা প্রদর্শনসংখ্যার তুলনায় ক্লিকের শতকরা হার।

এর হিসাব:

ক্লিকের হার = (ক্লিকের সংখ্যা ÷ প্রদর্শনসংখ্যা) × ১০০

একটি উদাহরণ দেখা যাক।

কোনো পৃষ্ঠা প্রথম মাসে ১,০০০ বার প্রদর্শিত হয়ে ৫০টি ক্লিক পেল। ক্লিকের হার হলো ৫ শতাংশ।

পরের মাসে প্রদর্শনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২,০০০। ক্লিকও বাড়ল, এবার ৮০টি। কিন্তু ক্লিকের হার কমে হলো ৪ শতাংশ। শুধু ক্লিকের হার দেখলে মনে হবে পৃষ্ঠাটির ফল খারাপ হয়েছে। বাস্তবে আগের চেয়ে ৩০টি বেশি ক্লিক এসেছে।

এমন পরিবর্তনের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। পৃষ্ঠাটি নতুন কিছু অনুসন্ধান শব্দের ফলাফলে দেখা শুরু করেছে, কিন্তু সেসব অনুসন্ধানে অবস্থান তুলনামূলক নিচে। ফলে প্রদর্শনসংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে ক্লিক বাড়েনি।

আবার উল্টো পরিস্থিতিও সম্ভব। কমসংখ্যক প্রদর্শন থেকে তুলনামূলক বেশি হারে ক্লিক আসায় ক্লিকের হার বাড়ল, কিন্তু ওয়েবসাইটের মোট ক্লিক কমে গেল। এখানে সংখ্যার কোনোটিই আলাদাভাবে পুরো চিত্র দেখাচ্ছে না।

ক্লিক, প্রদর্শনসংখ্যা ও গড় অবস্থান পাশাপাশি রেখে পরিবর্তনটি বুঝতে হবে। উদাহরণের সংখ্যাগুলো হিসাব বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, কোনো বাস্তব ওয়েবসাইটের তথ্য নয়।

নিজের পূর্ববর্তী তথ্য থেকে আসল পরিবর্তন বোঝা যায়

নিজের পূর্ববর্তী তথ্য থেকে আসল পরিবর্তন বোঝা যায়

ওয়েবসাইটের আগের ফলাফল বিশ্লেষণের সুবিধা হলো, সেখানে নিজের পাঠক ও প্রকাশিত বিষয়বস্তুর বাস্তব তথ্য থাকে। একটি পৃষ্ঠা কয়েক মাস ধরে নির্দিষ্ট কিছু অনুসন্ধানে ক্লিক পাচ্ছিল। পরে তার ক্লিকের হার কমতে শুরু করল। তখন শিল্প খাতের গড় হার দেখার আগে সেই পৃষ্ঠার আগের কয়েক মাসের তথ্য পরীক্ষা করা বেশি কাজে দেবে।

প্রথমে দেখা প্রয়োজন, পৃষ্ঠাটির গড় অবস্থান আগের তুলনায় নিচে নেমেছে কি না। এরপর প্রদর্শনসংখ্যার পরিবর্তন, নতুন অনুসন্ধানে উপস্থিতি এবং মুঠোফোন ও কম্পিউটারে পাওয়া ফল পরীক্ষা করা যায়।

একই পৃষ্ঠার কার্যকারিতা বাংলাদেশে স্থিতিশীল থাকলেও ভারতের অনুসন্ধান ফলাফলে বদলাতে পারে। সমগ্র ওয়েবসাইটের গড় ক্লিকের হার থেকে এমন পার্থক্য সহজে বোঝা যায় না।

সব ধরনের বিষয়বস্তুর জন্য একই ক্লিকের হার লক্ষ্য নয়

একটি সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইটে সাম্প্রতিক খবর, প্রযুক্তিবিষয়ক নির্দেশিকা, পণ্যের তুলনা এবং দীর্ঘমেয়াদি তথ্যভিত্তিক নিবন্ধ থাকতে পারে। এসব বিষয়বস্তুর অনুসন্ধানের ধরন এক নয়।

কোনো গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশের পর অল্প সময়ে প্রচুরবার সেটি অনুসন্ধান ফলাফলে দেখানো হতে পারে। ঘটনার প্রতি আগ্রহ কমে গেলে কয়েক দিন পর ক্লিকও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে উইন্ডোজের কোনো সাধারণ সমস্যা সমাধানের নির্দেশিকা দীর্ঘ সময় ধরে অনুসন্ধান পেতে পারে। এই দুই ধরনের পৃষ্ঠার ক্লিকের হার একই মানদণ্ডে বিচার করলে বিশ্লেষণে সমস্যা হবে। অনলাইন কেনাকাটার ওয়েবসাইটেও পণ্যের বিবরণ, পণ্যের শ্রেণিবিভাগ এবং কেনাকাটার নির্দেশিকার জন্য পৃথক তুলনামূলক ভিত্তি তৈরি করা যেতে পারে।

গড় অবস্থান বদলালে ক্লিকের হারের ব্যাখ্যাও বদলাবে

গুগল সার্চ কনসোলের গড় অবস্থানসংক্রান্ত পরিমাপকটি অনেক সময় সরলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। একটি পৃষ্ঠার গড় অবস্থান ৫ দেখানো মানে সেটি প্রতিটি অনুসন্ধানে পঞ্চম অবস্থানে ছিল, এমন নয়। ব্যবহারকারীর অবস্থান, যন্ত্র এবং অনুসন্ধানের প্রেক্ষাপটে ফলাফলের পার্থক্য হতে পারে। গণনার পদ্ধতিতেও কিছু বিষয় রয়েছে। পুরো ওয়েবসাইটভিত্তিক প্রতিবেদনে একই অনুসন্ধানে একটি ওয়েবসাইটের একাধিক ফল দেখা গেলে সেগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানটি গণনায় ব্যবহৃত হয়। পৃষ্ঠাভিত্তিক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠার অবস্থান বিবেচনা করা হয়।

ফলে একটি ওয়েবসাইটের সামগ্রিক গড় অবস্থান ও নির্দিষ্ট পৃষ্ঠার গড় অবস্থান একইভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না। কোনো পৃষ্ঠার গড় অবস্থান ৩ থেকে ৭-এ নেমেছে এবং একই সময়ে ক্লিকের হার কমেছে। এখানে অবস্থানের পরিবর্তন সম্ভাব্য কারণ হিসেবে পরীক্ষা করা যুক্তিসংগত।

কিন্তু অবস্থান প্রায় একই থাকলেও ক্লিকের হার কমতে পারে। অনুসন্ধান ফলাফলের বিন্যাস বদলানো, ব্যবহারকারীর চাহিদার পরিবর্তন কিংবা প্রতিযোগী ওয়েবসাইটের ফল আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠা সম্ভাব্য ব্যাখ্যা। একটি গড় সংখ্যার আড়ালে বিভিন্ন অনুসন্ধানে অবস্থানের বড় পার্থক্যও থাকতে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান শব্দগুলো আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

গুগল সার্চ কনসোলে আগের ক্লিকের হার কীভাবে তুলনা করবেন

নিজের ওয়েবসাইটের পূর্ববর্তী তথ্য বিশ্লেষণ শুরু করার জন্য আলাদা কোনো অর্থের বিনিময়ে ব্যবহারযোগ্য এসইও সফটওয়্যার প্রয়োজন নেই। গুগল সার্চ কনসোলের কার্যসম্পাদন প্রতিবেদন দিয়েই প্রাথমিক কাজ করা যায়। প্রথমে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের প্রপার্টি নির্বাচন করুন। এরপর কার্যসম্পাদন → অনুসন্ধানের ফলাফল প্রতিবেদনে যান।

এখানে ক্লিক, প্রদর্শনসংখ্যা, গড় ক্লিকের হার এবং গড় অবস্থানের পরিমাপকগুলো নির্বাচন করলে চারটি তথ্য একসঙ্গে দেখা যাবে। তারিখের ছাঁকনি থেকে প্রয়োজনীয় সময়কাল নির্বাচন করুন। তুলনা করার বিকল্প ব্যবহার করে আগের সমান দৈর্ঘ্যের সময়ের সঙ্গে ফল মিলিয়ে দেখা যায়।

তবে কোন সময়ের তথ্য তুলনা করছেন, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ কার্যসম্পাদন প্রতিবেদনে সর্বোচ্চ ১৬ মাসের ইতিহাস পাওয়া যায়। আরও পুরোনো তথ্য প্রয়োজন হলে আগে থেকেই সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

পৃষ্ঠা ও অনুসন্ধান শব্দ ধরে পরীক্ষা করুন

সমগ্র ওয়েবসাইটের ফল দেখার পর পৃষ্ঠাসংক্রান্ত বিভাগ থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি পৃষ্ঠা নির্বাচন করুন। এরপর অনুসন্ধান শব্দের বিভাগে গিয়ে দেখুন, কোন শব্দ বা বাক্যাংশ দিয়ে খুঁজলে পৃষ্ঠাটি ক্লিক পাচ্ছে। একটি অনুসন্ধানে ক্লিকের হার কমলেও অন্য অনুসন্ধানে উন্নতি হতে পারে।

দেশ ও যন্ত্রসংক্রান্ত বিভাগ থেকে অঞ্চল এবং যন্ত্রভেদে পার্থক্যও পরীক্ষা করা যায়। অনুসন্ধানের ধরনের ছাঁকনিতে সাধারণ ওয়েব অনুসন্ধান, ছবি, ভিডিও বা সংবাদসংক্রান্ত তথ্য আলাদাভাবে দেখা যায়। সমর্থিত প্রতিবেদনে অনুসন্ধানের পদ্ধতি অনুযায়ী আরও কিছু বিভাজন থাকতে পারে, যদিও লেখা, ছবি বা অন্যান্য মাধ্যম মিলিয়ে করা অনুসন্ধানে সব অনুসন্ধান শব্দের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় না।

বিশ্লেষণের সময় আলাদা ধরনের অনুসন্ধানের ফল একসঙ্গে না মেশানোই ভালো। প্রয়োজনীয় তথ্য রপ্তানি করে হিসাবের ছকে সংরক্ষণ করতে পারেন। প্রতি মাসে একই ধরনের তথ্য রাখলে দীর্ঘ সময়ের পরিবর্তন অনুসরণ করা সহজ হয়।

অবশ্য রপ্তানি করা প্রতিবেদনে সব অনুসন্ধান শব্দের তথ্য থাকে না। গুগল সার্চ কনসোল গোপনীয়তার কারণে কিছু অনুসন্ধান প্রকাশ করে না। প্রতিবেদন ও তথ্য সংরক্ষণের সীমাবদ্ধতায় আরও কিছু অনুসন্ধান অনুপস্থিত থাকতে পারে।

প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে করা অনুসন্ধান আলাদা দেখুন

প্রতিষ্ঠানের নাম লিখে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট খোঁজা এবং সাধারণ তথ্য অনুসন্ধান করা একই ধরনের আচরণ নয়। কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম লিখে সরাসরি তার ওয়েবসাইট খুঁজলে ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য অনেকটা নির্দিষ্ট থাকে। কিন্তু ‘ভালো ল্যাপটপ কীভাবে নির্বাচন করবেন’ লিখে খুঁজলে তিনি একাধিক উৎস থেকে তথ্য নিতে পারেন।

এই দুই ধরনের অনুসন্ধানের ক্লিকের হার একসঙ্গে রাখলে গড় হার বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

গুগল সার্চ কনসোলের কার্যসম্পাদন প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানের নামযুক্ত ও নামবিহীন অনুসন্ধান আলাদা করার ছাঁকনি রয়েছে। তবে সব প্রপার্টিতে সুবিধাটি পাওয়া যায় না। কম প্রদর্শনসংখ্যা পাওয়া ওয়েবসাইট এবং নির্দিষ্ট ধরনের উপ-প্রপার্টিতে এটি অনুপস্থিত থাকতে পারে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুসন্ধানের ধরন শনাক্ত করতেও ভুল হতে পারে।

বিকল্প হিসেবে অনুসন্ধান শব্দের ছাঁকনিতে প্রতিষ্ঠানের নাম, পরিচিত বানান কিংবা নিয়মভিত্তিক শব্দের মিল নির্ধারণের সুবিধা ব্যবহার করে তথ্য আলাদা করা যায়। এখানে হিসাবের একটি সীমাবদ্ধতা আছে। অনুসন্ধান শব্দের ছাঁকনি ব্যবহারের সময় গোপন রাখা অনুসন্ধানগুলো মোট হিসাব থেকে বাদ পড়ে। ফলে প্রতিষ্ঠানের নামযুক্ত ও নামবিহীন অনুসন্ধানের আলাদা হিসাব যোগ করলেও ওয়েবসাইটের মোট ক্লিক বা প্রদর্শনসংখ্যার সঙ্গে পুরোপুরি মিল নাও থাকতে পারে।

ক্লিকের হারের পরিবর্তনে মৌসুমি চাহিদার প্রভাব

ক্লিকের হারের পরিবর্তনে মৌসুমি চাহিদার প্রভাব

প্রতিটি মাসের ফল আগের মাসের সঙ্গে তুলনা করা সব ধরনের ওয়েবসাইটের জন্য উপযুক্ত নয়। ঈদ, পূজা, ভর্তি পরীক্ষা, পর্যটন মৌসুম কিংবা বিশেষ কেনাকাটার সময় কিছু বিষয়ের অনুসন্ধান বেড়ে যায়। নির্দিষ্ট মৌসুম শেষ হলে সেই আগ্রহ কমাও স্বাভাবিক।

একটি অনলাইন দোকানের শীতের পোশাকসংক্রান্ত পৃষ্ঠার প্রদর্শনসংখ্যা শীতকালে বেড়ে যেতে পারে। কয়েক মাস পর তা কমে গেলে পৃষ্ঠাটির এসইও কার্যকারিতা খারাপ হয়েছে, এমন প্রমাণ পাওয়া যায় না। মৌসুমি বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে আগের বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা বেশি অর্থবহ হতে পারে।

অনুসন্ধানের সামগ্রিক আগ্রহ বুঝতে গুগল ট্রেন্ডস কাজে লাগে। তবে সেখানে দেখানো সূচক প্রকৃত অনুসন্ধানের মোট সংখ্যা নয়। গুগল ট্রেন্ডস নমুনাভিত্তিক তথ্য থেকে নির্দিষ্ট সময় ও অঞ্চলের তুলনায় আপেক্ষিক অনুসন্ধান-আগ্রহ দেখায়। ফলে এই সূচককে নিজের ওয়েবসাইটের ক্লিকের হার বা ক্লিকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

ক্লিকের হার কমলে শিরোনাম বদলানোই কি সমাধান?

কোনো পৃষ্ঠার ক্লিকের হার কমে গেলে প্রথমেই শিরোনাম পরিবর্তন করা অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হয়ে দাঁড়ায়। পৃষ্ঠাটির অবস্থান আগের তুলনায় অনেক নিচে নেমে গেলে শুধু শিরোনাম আকর্ষণীয় করে সমস্যার সমাধান নাও হতে পারে। আবার নতুন কিছু অনুসন্ধানে প্রদর্শনসংখ্যা বাড়ার কারণেও সামগ্রিক ক্লিকের হার কমতে পারে।

শিরোনাম সম্পাদনার আগে তাই অবস্থান ও অনুসন্ধান শব্দের পরিবর্তন পরীক্ষা করা ভালো। যদি পৃষ্ঠার অবস্থান তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে, অথচ আগের মতো ক্লিক না আসে, তাহলে অনুসন্ধান ফলাফলে প্রদর্শিত শিরোনাম ও বিবরণ পর্যালোচনা করা যেতে পারে। শিরোনাম কি বিষয়বস্তু সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিচ্ছে? সেখানে পুরোনো তথ্য রয়েছে কি? পাঠক যে উত্তর খুঁজছেন, পৃষ্ঠাটি সত্যিই সেই তথ্য দিচ্ছে কি না, সেটিও দেখতে হবে।

আরেকটি বিষয় হলো, গুগল সব সময় ওয়েবসাইটে নির্ধারিত শিরোনাম হুবহু প্রদর্শন করে না। পৃষ্ঠার শিরোনাম, দৃশ্যমান লেখা ও লিংক-সংশ্লিষ্ট তথ্য ব্যবহার করে ভিন্ন শিরোনাম তৈরি করতে পারে। একইভাবে পৃষ্ঠার সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিখে দিলেও অনুসন্ধান ফলাফলে সেটি প্রতিবার দেখানো হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

শিরোনাম সংশোধনের পর ক্লিকের হার বাড়লে পরিবর্তনটি কাজে এসেছে বলে মনে হতে পারে। কিন্তু একই সময়ে অবস্থান, অনুসন্ধানের চাহিদা কিংবা ফলাফলের বিন্যাস বদলে থাকলে উন্নতির কারণ আলাদা করে নির্ধারণ করা কঠিন। তাই পরিবর্তনের তারিখ সংরক্ষণ করুন এবং আগের ও পরের তুলনাযোগ্য সময়ের তথ্য পর্যবেক্ষণ করুন।

গুগল অ্যানালিটিকস দিয়ে ক্লিকের পরের ফল দেখুন

গুগলের অনুসন্ধান ফলাফলে ক্লিকের হার বিশ্লেষণের জন্য গুগল সার্চ কনসোল বেশি উপযোগী। সেখানে ক্লিক ও প্রদর্শনসংখ্যার তথ্য সরাসরি পাওয়া যায়। গুগল অ্যানালিটিকস ৪ অন্য একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহায্য করে। অনুসন্ধান থেকে ওয়েবসাইটে আসার পর দর্শক কী করছেন? কোনো পৃষ্ঠার ক্লিকের হার ভালো হলেও সেখান থেকে কাঙ্ক্ষিত কার্যক্রম না ঘটতে পারে। আবার তুলনামূলক কম ক্লিকের হার পাওয়া একটি পৃষ্ঠা ব্যবসার জন্য প্রাসঙ্গিক দর্শক নিয়ে আসতে পারে।

গুগল অ্যানালিটিকস ৪-এর দর্শক আসার উৎসসংক্রান্ত প্রতিবেদনে বিনা বিজ্ঞাপনের অনুসন্ধান থেকে আসা পরিদর্শন দেখা যায়। তবে এই বিভাগে গুগল ছাড়াও অন্য সার্চ ইঞ্জিনের দর্শক থাকতে পারেন। শুধু গুগলের তথ্য দেখতে সংশ্লিষ্ট উৎসের ছাঁকনি প্রয়োজন।

এখানে দুটি পরিমাপক গুলিয়ে ফেলা যাবে না।

গুগল সার্চ কনসোলের ক্লিক এবং গুগল অ্যানালিটিকসের পরিদর্শন একই পরিমাপক নয়। তথ্য সংগ্রহ ও গণনার পদ্ধতি ভিন্ন হওয়ায় দুটি সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। গুগল অ্যানালিটিকসের অনুসন্ধান থেকে আসা পরিদর্শনসংখ্যাকে সার্চ কনসোলের প্রদর্শনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে অনুসন্ধানের ক্লিকের হার হিসাব করা তাই ভুল।

গুগল সার্চ কনসোল ও গুগল অ্যানালিটিকস যুক্ত থাকলে অ্যানালিটিকসের নির্দিষ্ট সার্চ কনসোল প্রতিবেদনে গুগলের বিনা বিজ্ঞাপনের অনুসন্ধান থেকে পাওয়া ক্লিক, প্রদর্শনসংখ্যা ও ক্লিকের হার দেখা যেতে পারে। এসব পরিমাপক সার্চ কনসোল থেকে আসে।

নিজের পূর্ববর্তী তথ্য নিয়েও সতর্ক থাকুন

শিল্প খাতের গড় ক্লিকের হারের বদলে নিজের তথ্য ব্যবহার করলেই সব সমস্যা দূর হয়ে যায় না। ওয়েবসাইটের গঠন, পৃষ্ঠার ঠিকানা, বিষয়বস্তু বা লক্ষ্যবাজার বড়ভাবে বদলে গেলে পুরোনো ফলের সঙ্গে নতুন ফল সরাসরি তুলনা করা কঠিন হতে পারে। কম প্রদর্শনসংখ্যা পাওয়া পৃষ্ঠার ক্লিকের হারও সতর্কভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে। মাত্র কয়েকটি ক্লিক বাড়লে বা কমলে শতকরা হারে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

আরেকটি প্রচলিত ভুল হলো, বিভিন্ন পৃষ্ঠার ক্লিকের হার যোগ করে সরল গড় বের করা এবং সেটিকে পুরো ওয়েবসাইটের ক্লিকের হার ধরে নেওয়া। সমষ্টিগত ক্লিকের হার হিসাব করতে একই গণনাপদ্ধতিতে পাওয়া মোট ক্লিককে মোট প্রদর্শনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হয়।

গুগল সার্চ কনসোলে পুরো ওয়েবসাইটভিত্তিক ও পৃষ্ঠাভিত্তিক তথ্যের গণনাপদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে। একই অনুসন্ধানে ওয়েবসাইটের একাধিক পৃষ্ঠা দেখানো হলে বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। তাই পৃষ্ঠাসংক্রান্ত তালিকার সব সংখ্যা যোগ করলেই মূল প্রতিবেদনের রেখাচিত্রে দেখানো ওয়েবসাইটের মোট হিসাব পাওয়া যাবে, এমন নয়।

সাম্প্রতিক দিনের তথ্যও সতর্কভাবে দেখতে হবে। কিছু তথ্য প্রাথমিক অবস্থায় থাকে এবং পরে পরিবর্তিত হতে পারে। নিজের পূর্ববর্তী তথ্য ব্যবহারের আসল উদ্দেশ্য একটি নির্দিষ্ট ক্লিকের হারকে আদর্শ হিসেবে ধরে রাখা নয়। তুলনাযোগ্য পরিস্থিতিতে ওয়েবসাইটের কার্যকারিতা কীভাবে বদলাচ্ছে, সেটি বোঝাই এখানে প্রধান বিষয়।

নিজের ক্লিকের হারের মানদণ্ড তৈরি করবেন যেভাবে

যাদের ওয়েবসাইটে আগে থেকেই পর্যাপ্ত অনুসন্ধানভিত্তিক দর্শক রয়েছে, তারা গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠা ও বিষয়বস্তুর বিভাগের পুরোনো তথ্য দিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। নতুন ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আলাদা। সেখানে পর্যাপ্ত পূর্ববর্তী তথ্য না থাকলে শিল্প খাতের গড় ক্লিকের হার সাময়িক তুলনামূলক ধারণা হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তবে সেটিকে নিশ্চিত লক্ষ্য বানানোর প্রয়োজন নেই।

প্রথমদিকে যেসব পৃষ্ঠা তুলনামূলক বেশি প্রদর্শনসংখ্যা পাচ্ছে, সেগুলোর অনুসন্ধান শব্দ, ক্লিক ও অবস্থান পর্যবেক্ষণ করুন। কয়েক মাসের তথ্য জমলে নিজস্ব তুলনামূলক ভিত্তি তৈরি করা সহজ হতে পারে। অবশ্য কত দিনের তথ্য যথেষ্ট হবে, তা নির্ভর করবে অনুসন্ধানে উপস্থিতি ও প্রদর্শনসংখ্যার পরিমাণের ওপর।

নিয়মিত বিশ্লেষণের জন্য একটি সাধারণ হিসাবের ছকই যথেষ্ট হতে পারে। প্রতি মাসে নিচের তথ্যগুলো রাখুন:

  • আগের সম্পূর্ণ মাসের ক্লিক, প্রদর্শনসংখ্যা, ক্লিকের হার ও গড় অবস্থান।
  • গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠা এবং বিষয়বস্তুর বিভাগভিত্তিক ফল।
  • প্রতিষ্ঠানের নামযুক্ত ও নামবিহীন অনুসন্ধানের পরিবর্তন।
  • দেশ ও যন্ত্রভেদে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য।
  • বিষয়বস্তু বা শিরোনাম সংশোধনের তারিখ এবং পরিবর্তনের কারণ।

এই তথ্য নিয়মিত সংরক্ষণ করলে কয়েক মাস পর ক্লিকের হার বেড়েছে নাকি কমেছে, তা দেখার পাশাপাশি কোন ধরনের বিষয়বস্তু থেকে বেশি ক্লিক আসছে এবং কোথায় সমস্যার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, সেটিও বোঝা সহজ হবে।

যে পৃষ্ঠাগুলোতে ক্লিক কমার সঙ্গে অবস্থানের অবনতি কিংবা গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানে উপস্থিতি কমার মতো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, সেগুলো আগে পর্যালোচনা করা যেতে পারে। অন্যদিকে ক্লিকের হার কিছুটা কমলেও ক্লিক বাড়ছে এবং নতুন প্রাসঙ্গিক অনুসন্ধানে পৃষ্ঠাটি দেখা যাচ্ছে, এমন অবস্থায় অকারণে শিরোনাম বা বিষয়বস্তু পরিবর্তনের প্রয়োজন নাও থাকতে পারে।

অন্যের গড় ক্লিকের হার নয়, নিজের অগ্রগতিকে গুরুত্ব দিন

শিল্প খাতের গড় ক্লিকের হার বাজার সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। কিন্তু নিজের ওয়েবসাইটের অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য সেই গড় হার যথেষ্ট নয়। এসইওতে ক্লিকের হারের তুলনামূলক মূল্যায়নের কার্যকর পদ্ধতি হলো একই ধরনের পৃষ্ঠা, অনুসন্ধান শব্দ ও তুলনাযোগ্য সময়ের তথ্য পাশাপাশি দেখা। কোথায় ক্লিক কমেছে, প্রদর্শনসংখ্যা কীভাবে বদলেছে এবং গড় অবস্থানের পরিবর্তন কতটা প্রাসঙ্গিক, তা বুঝে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা।

শুরুতে পুরো ওয়েবসাইট নিয়ে বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। গুগল সার্চ কনসোল থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠার আগের মাসগুলোর তথ্য সংগ্রহ করুন। যেসব পৃষ্ঠায় সমস্যার স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো আগে পরীক্ষা করুন।

প্রয়োজন হলে বিষয়বস্তু বা শিরোনাম সংশোধন করুন। পরিবর্তনের পর ফল পর্যবেক্ষণ করুন, তবে উন্নতি বা অবনতির কারণ হিসেবে একটি বিষয়কেই ধরে নেবেন না। অন্য ওয়েবসাইটের গড় ক্লিকের হার অর্জনের চেয়ে নিজের ওয়েবসাইটে প্রাসঙ্গিক ক্লিক বাড়ছে কি না এবং সেই দর্শক কাঙ্ক্ষিত কাজে আসছেন কি না, সেটিই এসইও সিদ্ধান্তের বেশি বাস্তবসম্মত ভিত্তি।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

১. ওয়েবসাইটের ক্লিকের হার কত দিন পরপর বিশ্লেষণ করা উচিত?

সাধারণভাবে প্রতি মাসে ক্লিকের হার, প্রদর্শনসংখ্যা এবং গড় অবস্থান পর্যালোচনা করা যেতে পারে। এতে আগের মাসের সঙ্গে তুলনা করে পরিবর্তনের ধারা বোঝা সহজ হয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠার শিরোনাম বা বিষয়বস্তু পরিবর্তন করলে আলাদাভাবে ফল পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। অল্প কয়েক দিনের তথ্য দেখে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।

২. গুগল সার্চ কনসোলে প্রদর্শনসংখ্যা আছে, কিন্তু ক্লিক নেই কেন?

কোনো পৃষ্ঠা অনুসন্ধান ফলাফলে প্রদর্শিত হলেও ব্যবহারকারী সেটিতে ক্লিক না করতে পারেন। পৃষ্ঠার অবস্থান নিচে থাকা, অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যের সঙ্গে বিষয়বস্তুর মিল কম থাকা কিংবা অন্য ফলাফল বেশি প্রাসঙ্গিক মনে হওয়া এর সম্ভাব্য কারণ। প্রথমে সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান শব্দ, গড় অবস্থান এবং প্রদর্শনসংখ্যা পরীক্ষা করুন। পর্যাপ্ত তথ্য ছাড়া শিরোনামকে একমাত্র সমস্যা ধরে নেওয়া উচিত নয়।

৩. মুঠোফোন ও কম্পিউটারে একই পৃষ্ঠার ক্লিকের হার আলাদা হলে কী করবেন?

প্রথমে দুই ধরনের যন্ত্রে পৃষ্ঠাটির গড় অবস্থান ও প্রদর্শনসংখ্যা তুলনা করুন। অনুসন্ধান ফলাফলের বিন্যাস এবং ব্যবহারকারীর আচরণ ভিন্ন হওয়ায় ক্লিকের হারেও পার্থক্য থাকতে পারে। শুধু শতকরা হার দেখে কোনো একটি যন্ত্রের ব্যবহারকারীদের জন্য পৃষ্ঠাটি খারাপ কাজ করছে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান শব্দের ফলও আলাদাভাবে দেখুন।

৪. অল্প প্রদর্শনসংখ্যা পাওয়া পৃষ্ঠার জন্য কত শতাংশ ক্লিকের হার লক্ষ্য রাখা উচিত?

অল্প প্রদর্শনসংখ্যা পাওয়া সব পৃষ্ঠার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ক্লিকের হার উপযুক্ত নয়। কয়েকটি ক্লিকের পরিবর্তনেই শতকরা হার অনেক বেড়ে বা কমে যেতে পারে। এমন পৃষ্ঠায় নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করার আগে আরও তথ্য সংগ্রহ করুন। পাশাপাশি কোন অনুসন্ধানে পৃষ্ঠাটি প্রদর্শিত হচ্ছে এবং সেসব অনুসন্ধানে তার অবস্থান কোথায়, তা পর্যবেক্ষণ করুন।

সর্বশেষ