Keyword Difficulty Score কতটা বিশ্বাস করবেন

সর্বাধিক আলোচিত

একই কিওয়ার্ড Ahrefs-এ সহজ দেখাচ্ছে, Semrush-এ আবার বেশ কঠিন। নতুন ব্লগারদের ক্ষেত্রে এখান থেকেই ঝামেলা শুরু হয়। কেউ KD ১০ বা ১৫ দেখে ধরে নেন, এই কিওয়ার্ডে র‍্যাংক করা তুলনামূলক সহজ হবে। কয়েক মাস পর দেখা যায়, পেজটি প্রথম পাতার কাছাকাছিও নেই।

এতে টুল ভুল করেছে—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার দরকার নেই। সমস্যা হলো, Keyword Difficulty বা KD এমন কিছু বিষয় মাপে, যেগুলো প্রতিযোগিতা বোঝার জন্য দরকারি; আবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এর হিসাবের বাইরে থেকে যায়।

এই জায়গাটিই Keyword difficulty accuracy বোঝার মূল কথা। KD কাজে লাগে, কিন্তু একে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে ধরলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। ভালো পদ্ধতি হলো স্কোর দিয়ে প্রাথমিকভাবে কিওয়ার্ড বাছাই করা, তারপর SERP দেখে বোঝা—বাস্তবে কার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে।

KD স্কোর আসলে কী বলছে

Ahrefs ও Semrush-এর মতো SEO টুলে Keyword Difficulty সাধারণত ০ থেকে ১০০ স্কেলে দেখানো হয়। স্কোর বাড়লে টুলটি ধরে নেয়, Google-এর প্রথম পাতায় ঢোকা তুলনামূলক কঠিন হবে।

এখানে একটি ভুল ধারণা প্রায়ই দেখা যায়। KD ২০ মানে র‍্যাংক করার সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ নয়। একইভাবে KD ৭০ মানেই কোনো নতুন পেজের পক্ষে র‍্যাংক করা অসম্ভব—এ কথাও বলা যায় না। KD আসলে একটি estimate। আর সেই estimate তৈরি করার নিয়ম টুলভেদে আলাদা।

Google নিজেও কোনো Keyword Difficulty score প্রকাশ করে না। Google Search বহু ধরনের ranking signal ও system ব্যবহার করে। র‍্যাংকিংয়ের বড় অংশ page level-এ নির্ধারিত হলেও site-wide signal এবং classifier-ও ব্যবহৃত হতে পারে। তাই তৃতীয় পক্ষের একটি স্কোর Google-এর পুরো ranking system-এর বিকল্প হতে পারে না।

আরও পড়ুন: Keyword Research কীভাবে শুরু করবেন: Seed Topic থেকে Content Map

Ahrefs আর Semrush একই কিওয়ার্ডে ভিন্ন KD দেখায় কেন

এখানে দুই টুলের হিসাবের ধরন বুঝলেই বিভ্রান্তি অনেকটা কমে যায়। Ahrefs-এর সাধারণ KD মূলত backlink competition-এর দিকে বেশি তাকায়। একটি কিওয়ার্ডের শীর্ষ ১০টি organic result-এ থাকা পেজগুলোতে কতগুলো আলাদা website বা referring domain থেকে link এসেছে, সেটি তাদের হিসাবের ভিত্তি।

অর্থাৎ top-ranking pageগুলোতে খুব বেশি referring domain না থাকলে Ahrefs তুলনামূলক কম KD দেখাতে পারে। কিন্তু এই হিসাবের মধ্যে on-page SEO factor সরাসরি ধরা হয় না। Search intent মেলানো কঠিন কি না, বর্তমানে র‍্যাংক করা content কতটা ভালো, বা নতুন পেজকে কতটা শক্তিশালী হতে হবে—এসব বিষয় KD-এর সংখ্যার মধ্যে পুরোপুরি ধরা পড়ে না।

Semrush-এর পদ্ধতি একটু বিস্তৃত। তাদের সাধারণ KD-তে backlink profile-এর পাশাপাশি Authority Score, follow ও nofollow link-এর অনুপাত, search volume এবং কিছু SERP feature বিবেচিত হয়। Regional database অনুযায়ী score calibration-ও করা হয়।

এ কারণে Ahrefs-এর KD ২৫ আর Semrush-এর KD ৪০ দেখাটা নিজে থেকে কোনো অসঙ্গতি নয়। দুই টুল আসলে একই প্রশ্নের উত্তর একেবারে একইভাবে হিসাব করছে না। Semrush-এর Personal Keyword Difficulty বা PKD আবার আরও আলাদা। এটি একটি নির্দিষ্ট domain-এর সঙ্গে keyword-এর বিষয়গত সম্পর্ক, ওই topic-এর competition এবং সংশ্লিষ্ট domain ও SERP competitor-এর বিভিন্ন metric দেখে site-specific difficulty অনুমান করার চেষ্টা করে।

এখানে একটি ব্যবহারিক শিক্ষা আছে: এক টুলের KD ৩০ এবং আরেক টুলের KD ৩০-কে একই মান ধরে তুলনা করবেন না।

কম KD দেখে কাজ শুরু করেও কেন র‍্যাংক আসে না

কম KD দেখে কাজ শুরু করেও কেন র‍্যাংক আসে না

সবচেয়ে পরিচিত কারণ backlink নয়, search intent। ধরা যাক, আপনি একটি তথ্যভিত্তিক নিবন্ধ লিখতে চান। কিন্তু যে keyword লক্ষ্য করেছেন, তার প্রথম পাতায় প্রায় সব ফলাফলই product page বা category page। সেখানে শুধু দীর্ঘ ও ভালোভাবে লেখা article প্রকাশ করলেই যে Google সেটিকে একই ধরনের ফলাফল হিসেবে দেখবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

এই কারণে keyword research-এর সময় SERP না দেখা বড় ভুল। কোন ধরনের পেজ বারবার র‍্যাংক করছে, সেটি দেখলে query-টির dominant intent সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। Google যদি নির্দিষ্ট ধরনের ফলাফলকে বারবার উপরে রাখে, আপনার page format তার সঙ্গে না মিললে কম KD খুব বেশি সাহায্য করবে না।

আরেকটি সমস্যা হলো, backlink সংখ্যা দিয়ে content quality বোঝা যায় না। দুটি পেজের referring domain প্রায় সমান হতে পারে। কিন্তু একটির তথ্য পুরোনো, অন্যটির ব্যাখ্যা অনেক পরিষ্কার। একটি হয়তো প্রশ্নের উত্তর প্রথম দিকেই দিয়েছে, অন্যটি মূল বিষয়ের আগে দীর্ঘ অপ্রয়োজনীয় ভূমিকা রেখেছে। কোথাও ভালো comparison আছে, কোথাও গুরুত্বপূর্ণ অংশই বাদ গেছে।

Google-এর content guidance-এ মৌলিক তথ্য, যথেষ্ট coverage, নির্ভরযোগ্যতা এবং মানুষের কাজে লাগে এমন content-এর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। কাজেই backlink competition কম দেখলেই দুর্বল content দিয়ে জায়গা পাওয়া যাবে—এমন ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়।

নিজের সাইটের শক্তি বাদ দিয়ে KD দেখলে হিসাব অসম্পূর্ণ থাকে

একই keyword দুটি website-এর জন্য সমান কঠিন নাও হতে পারে। একটি প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তিবিষয়ক সাইটে সংশ্লিষ্ট topic নিয়ে আগে থেকেই অনেক ভালো page থাকতে পারে। সেখানে internal link দেওয়ার সুযোগ আছে, কাছাকাছি keyword-এ আগের ranking history আছে, link profile-ও শক্তিশালী।

অন্যদিকে নতুন একটি সাধারণ blog হয়তো একই keyword নিয়ে প্রথমবার লিখছে। দুই সাইট যদি একই KD score দেখে, তাদের বাস্তব সুযোগ তবুও এক হবে না।

এই কারণেই নিজের সাইটের আগের performance কাজে লাগে। কোন ধরনের keyword, SERP এবং backlink competition-এর মধ্যে আপনার page আগে র‍্যাংক করেছে, সেগুলো দেখলে একটি নিজস্ব benchmark তৈরি করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে এই benchmark সাধারণ “easy”, “medium” বা “hard” label-এর চেয়ে বেশি কাজে দেয়।

Domain Rating দেখে ভয় পাওয়ারও দরকার নেই

SERP খুলে দেখলেন প্রথম পাতায় কয়েকটি বড় website। তাদের Ahrefs DR বা Semrush Authority Score বেশ উঁচু। নতুনদের অনেকেই এখানেই keyword বাদ দেন। এটি খুব সরল সিদ্ধান্ত।

Ahrefs Domain Rating মূলত একটি website-এর backlink profile কতটা শক্তিশালী, তার নিজস্ব metric। Semrush Authority Score-ও তৃতীয় পক্ষের metric। এগুলো Google-এর ranking score নয়। তাই domain-level metric দেখবেন, তবে ranking URL-টাও দেখবেন।

বড় একটি domain-এর নির্দিষ্ট page-এ হয়তো খুব কম referring domain রয়েছে। আবার মাঝারি একটি site-এর একটি নির্দিষ্ট article অনেক link পেয়েছে। বাস্তব competition বোঝার জন্য দ্বিতীয় তথ্যটি অনেক সময় বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আরও একটি বিষয় চোখে রাখা যায়: প্রথম পাতায় তুলনামূলক ছোট বা কম-authority site আছে কি না। থাকলেই আপনার র‍্যাংক নিশ্চিত—এমন নয়। তবে SERP-টি পুরোপুরি বড় ও শক্তিশালী domain-এর দখলে কি না, সে বিষয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।

KD দেখার পর SERP-এ আসলে কী দেখবেন

এখানে জটিল audit করার দরকার নেই। গুরুত্বপূর্ণ keyword হলে কয়েকটি বিষয় হাতে দেখে নিলেই KD-এর সীমাবদ্ধতা অনেকটা পরিষ্কার হয়। প্রথমে লক্ষ্য অঞ্চল ঠিক করুন। বাংলাদেশের জন্য কনটেন্ট হলে সম্ভব হলে Bangladesh বা সংশ্লিষ্ট target location-এর data দেখুন। Location, language এবং device-এর কারণে Google Search result বদলাতে পারে। Local বা location-sensitive query-তে এই পার্থক্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

এরপর প্রথম পাতায় কী ধরনের ফলাফল আছে দেখুন। Article বেশি, নাকি product page? Forum আছে? Video আছে? Online tool র‍্যাংক করছে? সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক page কি শীর্ষে? এখানেই search intent-এর একটি ব্যবহারিক ছবি পাওয়া যায়।

তারপর ranking URL-গুলোর backlink profile দেখুন। শুধু domain কত শক্তিশালী, সেটিতে আটকে থাকবেন না। বিশেষ করে Ahrefs KD ব্যবহার করলে top-ranking URL-এর referring domain দেখা বেশি অর্থপূর্ণ, কারণ তাদের সাধারণ KD-এর হিসাব এই জায়গাটির সঙ্গেই সরাসরি সম্পর্কিত।

এরপর কয়েকটি ভালো ranking page খুলুন।

সেখানে খুব সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজুন:

  • মূল প্রশ্নের উত্তর সহজে পাওয়া যাচ্ছে কি?
  • তথ্য কি এখনো হালনাগাদ?
  • প্রতিযোগীরা কোনো প্রয়োজনীয় বিষয় বাদ দিয়েছে?
  • অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ লেখা কি?
  • বাস্তব উদাহরণ বা তুলনা আছে?
  • ভালো title-এর আড়ালে দুর্বল content রয়েছে কি?

এখানে word count নিয়ে অতিরিক্ত ব্যস্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রথম ফলাফলে ২,৫০০ শব্দ আছে বলে ৩,০০০ শব্দ লিখতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। বেশি শব্দ তখনই কাজে লাগে, যখন তা পাঠকের প্রয়োজনীয় তথ্য যোগ করে।

সবশেষে নিজের site-এর দিকে তাকান। কাছাকাছি বিষয়ের content আগে থেকেই আছে কি না, সেই pageগুলো র‍্যাংক করছে কি না এবং প্রতিযোগীদের তুলনায় আপনার backlink profile কোথায় দাঁড়িয়ে আছে—এসবও keyword নির্বাচনের অংশ।

Traffic পাওয়ার সম্ভাবনা আর KD একই জিনিস নয়

Traffic পাওয়ার সম্ভাবনা আর KD একই জিনিস নয়

কম KD দেখেই keyword-কে ভালো opportunity ধরে নেওয়ার আরেকটি সমস্যা আছে। Keyword সহজ হলেও তার search demand খুব কম হতে পারে। আবার কিছু SERP-এ এমন feature থাকে যেখানে ব্যবহারকারী traditional organic result-এ ক্লিক না করেও প্রয়োজনীয় তথ্যের বড় অংশ পেয়ে যেতে পারেন।

তাই Keyword difficulty accuracy বিচার করার সময় traffic opportunity আলাদা করে দেখা দরকার।

Ahrefs-ও Keyword Difficulty এবং Traffic Potential আলাদা metric হিসেবে দেখায়। Traffic Potential দিয়ে target keyword-এর ১ নম্বর ranking page সংশ্লিষ্ট অন্য ranking keywordগুলো মিলিয়ে আনুমানিক কত organic traffic পাচ্ছে, তার একটি ধারণা দেওয়া হয়।

অর্থাৎ keyword বাছাইয়ের সময় শুধু এই হিসাব—

KD + search volume

—যথেষ্ট নয়।

বরং দেখতে হবে competition কতটা, search intent কী, traffic opportunity আছে কি না, keyword-এর ব্যবসায়িক মূল্য কত এবং নিজের site-এর সক্ষমতা কোথায়। সব keyword-এ এসব বিষয় সমান গুরুত্ব পাবে না। কিন্তু শুধু একটি difficulty score দিয়ে এগুলোর কোনোটিই পুরোপুরি বোঝা যায় না।

নতুন সাইটের জন্য কম KD কি ভালো শুরু?

অনেক ক্ষেত্রে হ্যাঁ। নতুন বা তুলনামূলক দুর্বল link profile-এর site-এর জন্য কম competition-এর keyword দিয়ে সুযোগ খোঁজা বাস্তবসম্মত হতে পারে। বিশেষ করে SERP-এ যদি ছোট site দেখা যায় এবং top-ranking pageগুলোর referring domain খুব শক্তিশালী না হয়।

কিন্তু এখান থেকে “KD ১০-এর বেশি হলে কাজ করব না” ধরনের নিয়ম বানানো ঠিক হবে না। একটি KD ১৮ keyword-এর SERP আপনার site-এর জন্য বাস্তবে KD ৮-এর keyword-এর চেয়েও ভালো সুযোগ দিতে পারে, যদি প্রথমটির search intent পরিষ্কার হয় এবং ranking content-এ স্পষ্ট ঘাটতি থাকে।

প্রতিষ্ঠিত site-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও আলাদা। সেখানে শুধুই low-KD keyword খুঁজতে গিয়ে এমন valuable query বাদ পড়তে পারে, যেখানে site-এর topical relevance এবং বর্তমান competitive strength-এর কারণে বাস্তব সুযোগ যথেষ্ট ভালো। Semrush-এর PKD এই site-specific পার্থক্য ধরার চেষ্টা করে। তবু কোনো automated score-এর মতো এটিও SERP হাতে দেখে বোঝার প্রয়োজন পুরোপুরি সরিয়ে দেয় না।

তাহলে Keyword Difficulty কতটা বিশ্বাস করবেন?

KD বাদ দেওয়ার কোনো কারণ নেই। বরং keyword research-এর শুরুতে এটি বেশ কার্যকর filter। শত শত বা হাজার হাজার keyword থাকলে একটি নির্দিষ্ট SEO tool-এর KD দিয়ে তালিকাটি ছোট করা যায়। কিন্তু এরপর Ahrefs-এ ২৫, Semrush-এ ৩৭—এই সংখ্যার পার্থক্য নিয়েই সময় কাটানোর চেয়ে SERP খোলা বেশি কাজের।

দেখুন সেখানে কে র‍্যাংক করছে, কোন ধরনের page র‍্যাংক করছে, ranking URL-গুলোর backlink কতটা শক্তিশালী এবং তাদের content কোথায় ভালো বা দুর্বল। তারপর নিজের site-এর সঙ্গে সেই বাস্তব SERP তুলনা করুন।

Keyword difficulty accuracy নিয়ে তাই সবচেয়ে ব্যবহারযোগ্য প্রশ্ন হলো না, “KD স্কোরটি শতভাগ সঠিক কি?” বরং জিজ্ঞেস করা উচিত, “এই স্কোরটি প্রতিযোগিতার কোন অংশ দেখাচ্ছে, আর কোন অংশ আমাকে নিজে যাচাই করতে হবে?” KD সেই প্রথম অংশের কাজ ভালোভাবে করতে পারে। দ্বিতীয় অংশটির জন্য এখনো SERP খুলতে হয়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

১. Keyword Difficulty Score কি Google-এর নিজস্ব মেট্রিক?

না। Keyword Difficulty বা KD হলো Ahrefs, Semrush-এর মতো তৃতীয় পক্ষের SEO টুলের তৈরি মেট্রিক। Google নিজে কোনো Keyword Difficulty Score প্রকাশ করে না। তাই KD-কে Google ranking-এর সরাসরি মাপকাঠি হিসেবে দেখা ঠিক নয়।

২. একই কিওয়ার্ডে Ahrefs ও Semrush ভিন্ন KD দেখায় কেন?

দুই টুলের হিসাবের পদ্ধতি এক নয়। Ahrefs-এর সাধারণ KD মূলত শীর্ষ ranking pageগুলোর referring domain-এর ওপর নির্ভর করে। Semrush backlink-এর পাশাপাশি Authority Score, search volume এবং কিছু SERP signal-ও বিবেচনা করে। তাই একই কিওয়ার্ডে ভিন্ন KD পাওয়া স্বাভাবিক।

৩. কম KD থাকলে কি সহজে Google-এ র‍্যাংক করা যায়?

অবশ্যই নয়। কম KD তুলনামূলক কম প্রতিযোগিতার ইঙ্গিত দিতে পারে, কিন্তু search intent, ranking page-এর মান, backlink profile এবং নিজের সাইটের সক্ষমতা র‍্যাংকিংয়ের বাস্তব কঠিনতা বদলে দিতে পারে। KD কম হলেও SERP বিশ্লেষণ করা দরকার।

৪. Keyword Difficulty কত হলে একটি কিওয়ার্ড টার্গেট করা উচিত?

সবার জন্য প্রযোজ্য নির্দিষ্ট KD সীমা নেই। নতুন সাইট সাধারণত কম প্রতিযোগিতার কিওয়ার্ড দিয়ে শুরু করতে পারে, কিন্তু শুধু ০–১০ বা ০–২০ KD-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার প্রয়োজন নেই। নিজের সাইট আগে কোন ধরনের কিওয়ার্ডে র‍্যাংক করেছে এবং বর্তমান SERP কেমন, সেটিও বিবেচনা করা উচিত।

৫. Keyword বাছাইয়ের সময় KD-এর পাশাপাশি আর কী দেখা উচিত?

Search intent, প্রথম পাতায় থাকা পেজের ধরন, ranking URL-এর referring domain, প্রতিযোগীদের কনটেন্টের মান, search demand, traffic opportunity এবং নিজের সাইটের বিষয়গত শক্তি একসঙ্গে দেখা ভালো। KD এখানে প্রাথমিক filter হিসেবে বেশি কার্যকর।

সর্বশেষ