বাংলাদেশে সোনা ও রুপোর দাম: ডিসেম্বর ২০২৫-এর সম্পূর্ণ দাম তালিকা (ভরি, গ্রাম, আনা ও রতি)

সর্বাধিক আলোচিত

বাংলাদেশে সোনা ও রুপোর দাম ডিসেম্বর ২০২৫-এ নতুন রেকর্ড স্পর্শ করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন মূল্য তালিকা ঘোষণা করেছে, যেখানে ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরি ২,২২,০৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি এবং স্থানীয় চাহিদার কারণে এই মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে। ২৪ ক্যারেট বিশুদ্ধ সোনার দাম প্রতি গ্রাম ১৭,৭২৩.৬১ টাকায় পৌঁছেছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ৪.০১% বৃদ্ধি পেয়েছে। রুপোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে বিশুদ্ধ রুপোর দাম প্রতি গ্রাম ২৬৪.২৫ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

বাংলাদেশে বর্তমান সোনার দাম (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫)

বাজুসের সর্বশেষ মূল্য তালিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম নিম্নরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিসেম্বর ২২, ২০২৫ তারিখে বাজুস একটি জরুরি সিদ্ধান্তে ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরি ৩,৯৬৬ টাকা বৃদ্ধি করে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য বৃদ্ধি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

বাজুস নির্ধারিত সোনার দাম (প্রতি ভরি)

ক্যারেট প্রতি ভরি দাম (টাকা) প্রতি গ্রাম দাম (টাকা) গত সপ্তাহ থেকে পরিবর্তন
২২ ক্যারেট ২,২২,০৮৩ ১৯,০৩৬ +১.৮২%
২১ ক্যারেট ২,১১,৯৯৩ ১৮,১৭০ +১.৭৫%
১৮ ক্যারেট ১,৮১,৭২৫ ১৫,৫৭৮ +১.৫০%
ঐতিহ্যবাহী সোনা ১,৫১,৩৯৯ ১২,৯৮০ +১.৩৫%

 

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ডিসেম্বর ২০২৫-এ উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশি টাকায় ২৪ ক্যারেট বিশুদ্ধ সোনার দাম প্রতি গ্রাম ১৭,৭২৩.৬১ টাকায় পৌঁছেছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ৬৮৩.১৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত এক মাসে সোনার দাম ৮.১৪% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম (প্রতি গ্রাম)

সোনার ধরন বর্তমান দাম (টাকা) দিনের সর্বনিম্ন (টাকা) দিনের সর্বোচ্চ (টাকা)
২৪ ক্যারেট ১৭,৭২৩.৬১ ১৭,৪৮৪.০৭ ১৭,৭৯১.২৬
২৩ ক্যারেট ১৬,৯৮৫.১৩ ১৬,৭৫৫.৫৭ ১৭,০৪৯.৯৬
২২ ক্যারেট ১৬,২৪৬.৬৪ ১৬,০২৭.০৭ ১৬,৩০৮.৬৫
২১ ক্যারেট ১৫,৫০৮.১৬ ১৫,২৯৮.৫৬ ১৫,৫৬৭.৩৫
১৮ ক্যারেট ১৩,২৯২.৭১ ১৩,১১৩.০৫ ১৩,৩৪৩.৪৪

 

সোনার দাম ভরি, আনা ও রতি হিসেবে

বাংলাদেশে সোনার দাম সাধারণত ভরি, আনা এবং রতি হিসেবে পরিমাপ করা হয়। এক ভরি সমান ১১.৬৬৪ গ্রাম, এক আনা সমান ০.৭২৯ গ্রাম এবং এক রতি সমান ০.১২১ গ্রাম। নিচে বিভিন্ন পরিমাপ অনুসারে ২২ ক্যারেট সোনার দাম উল্লেখ করা হলো।

২২ ক্যারেট সোনার দাম বিভিন্ন পরিমাপে

পরিমাপ ওজন (গ্রাম) দাম (টাকা)
১ ভরি ১১.৬৬৪ ১,৮৯,৪৬৮
১ আনা ০.৭২৯ ১১,৮৪২
১ রতি ০.১২১ ১,৯৬৬
১০ গ্রাম ১০.০০০ ১৬২,৪৬৬
১ তোলা ১১.৬৬৪ ১,৮৯,৪৬৮

 

বাংলাদেশে রুপোর বর্তমান দাম

সোনার পাশাপাশি রুপোর দামও ডিসেম্বর ২০২৫-এ বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপোর দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে স্থানীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বিশুদ্ধ রুপো (৯৯.৯% বিশুদ্ধতা) প্রতি গ্রাম ২৬৪.২৫ টাকায় লেনদেন হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ২.৪৯% বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজুস নির্ধারিত রুপোর দাম

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন ক্যারেটের রুপোর দাম নিম্নরূপ:

রুপোর ধরন প্রতি ভরি দাম (টাকা) প্রতি গ্রাম দাম (টাকা)
২১ ক্যারেট রুপো ৪,৭২৪ ৪০৫
১৮ ক্যারেট রুপো ৪,০৮২ ৩৫০
ঐতিহ্যবাহী রুপো ৩,০৩৩ ২৬০

 

বিভিন্ন বিশুদ্ধতার রুপোর দাম (প্রতি গ্রাম)

বিশুদ্ধতা ক্যারেট প্রতি গ্রাম দাম (টাকা)
৯৯.৯% (বিশুদ্ধ রুপো) ৯৯৯ ২৬৪.২৫
৯৫.৮% (ব্রিটানিয়া) ৯৫৮ ২৫৩.১৫
৯২.৫% (স্টার্লিং সিলভার) ৯২৫ ২৪৪.৪৩
৯০% (কয়েন সিলভার) ৯০০ ২৩৭.৮২
৮০% (জুয়েলারি সিলভার) ৮০০ ২১১.৪০

সোনার দাম বৃদ্ধির কারণসমূহ

বাংলাদেশে সোনার দাম বৃদ্ধির পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার মূল্য বৃদ্ধি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ সোনাকে নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় করেছে।

স্থানীয় কারণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ড প্রাইস বৃদ্ধি যা প্রতি আউন্স ৫,৫১,১৭৯.৯৭ টাকায় পৌঁছেছে

  • বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার পরিবর্তন (ডলার প্রতি ১২২.২০ টাকা)

  • স্থানীয় বাজারে তেজবাই সোনার সরবরাহ হ্রাস

  • বিবাহ মৌসুম এবং উৎসবের জন্য সোনার চাহিদা বৃদ্ধি

  • আমদানি খরচ এবং ভ্যাট বৃদ্ধি (৫-৬%)

সোনা ক্রয়ের সময় যা মনে রাখবেন

বাংলাদেশে সোনা ক্রয়ের সময় ক্রেতাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখা উচিত। প্রথমত, হলমার্ক সোনা ক্রয় করা অত্যন্ত জরুরি, যা সোনার বিশুদ্ধতার নিশ্চয়তা প্রদান করে। বাজুস সদস্য দোকান থেকে সোনা কিনলে মানসম্পন্ন পণ্য পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

সোনা কেনার সময় মনে রাখবেন:

  • হলমার্ক সার্টিফিকেট পরীক্ষা করুন এবং সংরক্ষণ করুন

  • তৈরি খরচ (মেকিং চার্জ) আলাদাভাবে নিশ্চিত করুন

  • ভ্যাট এবং অন্যান্য কর সঠিকভাবে হিসাব করুন

  • বিভিন্ন দোকানে দাম তুলনা করে দেখুন

  • রসিদ এবং ওয়ারেন্টি কার্ড সংগ্রহ করুন

মূল্য প্রবণতা বিশ্লেষণ

গত এক বছরে বাংলাদেশে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৪-এ যেখানে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল প্রায় ১,৮৫,০০০ টাকা প্রতি ভরি, সেখানে ডিসেম্বর ২০২৫-এ তা ২,২২,০৮৩ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা প্রায় ২০% বৃদ্ধি। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আগামী মাসগুলিতেও অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাম্প্রতিক মূল্য পরিবর্তন

সময়কাল মূল্য পরিবর্তন (টাকা) শতাংশ পরিবর্তন
গত ৭ দিন +৬৮৩.১৯ +৪.০১%
গত ৩০ দিন +১,৩৩৪.৭৮ +৮.১৪%
গত ৩ মাস +২,৯৯৬.৫০ +২০.৩৫%
গত ১ বছর +৭,৬২১.৪৯ +৭৫.৪৪%

বিশেষজ্ঞদের মতামত এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগামী কয়েক মাসে সোনার দাম আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় বাংকের সোনা মজুদ বৃদ্ধির প্রবণতা এই বৃদ্ধির পেছনে মূল চালিকা শক্তি। বাংলাদেশের জন্য, স্থানীয় চাহিদা এবং আমদানি নীতি সোনার দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন যে আসন্ন বিবাহ মৌসুম এবং বসন্ত উৎসবের কারণে সোনার চাহিদা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সময়ে বাজার আরও সক্রিয় হবে এবং দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে বা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

রুপোর বাজার পরিস্থিতি

রুপোর বাজারেও সোনার মতো ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত এক বছরে রুপোর দাম ১৩৩.২৪% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় বিকল্প হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। রুপো সাধারণত সোনার তুলনায় কম দামি হওয়ায় মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়।

স্থানীয় বাজারে রুপোর অলংকার, বিশেষত বিবাহের অনুষ্ঠানের জন্য রুপোর গহনা ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর মূল কারণ হলো সাশ্রয়ী মূল্য এবং আকর্ষণীয় ডিজাইন। রুপোর বিনিয়োগও দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক প্রমাণিত হতে পারে, বিশেষত শিল্প ব্যবহারে রুপোর চাহিদা বৃদ্ধির কারণে।

সোনা ও রুপো বিনিয়োগের তুলনা

বিনিয়োগ হিসেবে সোনা এবং রুপো উভয়েরই নিজস্ব সুবিধা রয়েছে। সোনা ঐতিহ্যগতভাবে মূল্য সংরক্ষণের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে রুপো শিল্প ব্যবহারের কারণে বেশি উদ্বায়ী কিন্তু সম্ভাব্য উচ্চ রিটার্ন প্রদান করতে পারে।

বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের জন্য বিবেচ্য বিষয়:

  • সোনা দীর্ঘমেয়াদী সম্পদ সংরক্ষণে উত্তম

  • রুপো স্বল্পমেয়াদী মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেশি

  • উভয় ক্ষেত্রেই পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যকরণ গুরুত্বপূর্ণ

  • ফিজিক্যাল গোল্ড/সিলভার বা গোল্ড বন্ড উভয় বিকল্প বিবেচনা করুন

  • বাজার পরিস্থিতি এবং ব্যক্তিগত আর্থিক লক্ষ্য অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন

ক্রয়-বিক্রয়ে স্বচ্ছতা এবং নিরাপত্তা

বাজুস এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা সোনা-রুপোর ক্রয়-বিক্রয়ে স্বচ্ছতা এবং ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। হলমার্ক সিস্টেম চালুর পর থেকে জালিয়াতির ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ক্রেতাদের উচিত সর্বদা বাজুস সদস্য দোকান থেকে ক্রয় করা এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা।

ডিজিটাল সোনা বা গোল্ড অ্যাকাউমুলেশন প্ল্যান (GAP) এর মতো আধুনিক বিকল্পও বাজারে উপলব্ধ হচ্ছে, যা ক্রেতাদের নমনীয়তা প্রদান করে। এই সিস্টেমে ক্রেতারা নিয়মিত ছোট পরিমাণে সোনা কিনতে পারেন এবং পরে তা ফিজিক্যাল গোল্ডে রূপান্তর করতে পারেন।

আঞ্চলিক মূল্য পার্থক্য

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সোনা ও রুপোর দামে সামান্য পার্থক্য দেখা যেতে পারে। ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটের মতো বড় শহরগুলিতে বাজুসের নির্ধারিত দাম সাধারণত অনুসরণ করা হয়। তবে ছোট শহর এবং গ্রামীণ এলাকায় পরিবহন খরচ এবং স্থানীয় চাহিদার উপর নির্ভর করে দাম ভিন্ন হতে পারে।

বড় শহরের সুবিধা:

  • বাজুস নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড দাম

  • বেশি সংখ্যক হলমার্ক দোকান

  • ডিজাইনের বৈচিত্র্য

  • প্রতিযোগিতামূলক তৈরি খরচ

গ্রামীণ এলাকার বিবেচ্য বিষয়:

  • সীমিত সংখ্যক প্রত্যয়িত দোকান

  • পরিবহন খরচের কারণে দাম বৃদ্ধি

  • স্থানীয় কারিগরদের তৈরি খরচ ভিন্ন হতে পারে

সোনার ক্যারেট বোঝা

সোনার বিশুদ্ধতা ক্যারেট দ্বারা পরিমাপ করা হয়, যেখানে ২৪ ক্যারেট বিশুদ্ধ সোনা বোঝায়। বাংলাদেশে সাধারণত ২২, ২১ এবং ১৮ ক্যারেটের অলংকার বেশি জনপ্রিয়। ২২ ক্যারেট সোনায় ৯১.৭% বিশুদ্ধ সোনা থাকে এবং বাকি অংশ অন্যান্য ধাতু যা সোনাকে শক্তিশালী এবং টেকসই করে।

বিভিন্ন ক্যারেটের বিশুদ্ধতা:

  • ২৪ ক্যারেট: ৯৯.৯% বিশুদ্ধ (সাধারণত বার বা কয়েনে ব্যবহৃত)

  • ২২ ক্যারেট: ৯১.৭% বিশুদ্ধ (জুয়েলারিতে সবচেয়ে জনপ্রিয়)

  • ২১ ক্যারেট: ৮৭.৫% বিশুদ্ধ (মধ্যম পছন্দ)

  • ১৮ ক্যারেট: ৭৫.০% বিশুদ্ধ (ওয়েস্টার্ন ডিজাইনে ব্যবহৃত)

শেষ কথা

বাংলাদেশে সোনা ও রুপোর দাম ডিসেম্বর ২০২৫-এ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা এবং স্থানীয় চাহিদার প্রতিফলন। ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরি ২,২২,০৮৩ টাকা এবং বিশুদ্ধ রুপোর দাম প্রতি গ্রাম ২৬৪.২৫ টাকা নির্ধারিত হওয়ায় বিনিয়োগকারী এবং ক্রেতা উভয়ের জন্যই সচেতন সিদ্ধান্ত গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। বাজার বিশ্লেষণ এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, আগামী মাসগুলিতে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। হলমার্ক সোনা ক্রয়, বাজুস সদস্য দোকান থেকে লেনদেন এবং সঠিক ডকুমেন্টেশন নিশ্চিত করা প্রতিটি ক্রেতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। সোনা ও রুপো উভয়ই দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ বিকল্প হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে এবং পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে, ক্রেতা এবং বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত দাম পর্যবেক্ষণ করা এবং তাদের আর্থিক লক্ষ্য অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।


সর্বশেষ