কন্টেন্ট আপডেট এর ফল GSC-তে মাপার সঠিক সময়

সর্বাধিক আলোচিত

একটি পুরোনো নিবন্ধে নতুন তথ্য যোগ করা হলো। কিছু ভুল সংশোধন করা হলো, শিরোনামও বদলানো হলো। কিন্তু এক সপ্তাহ পর গুগল সার্চ কনসোল খুলে দেখা গেল, ক্লিক আগের মতোই আছে। অনুসন্ধানের ফলাফলে অবস্থানও বদলায়নি। তাহলে কি বিষয়বস্তু হালনাগাদের সিদ্ধান্তটাই ভুল ছিল?

এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে দেখা দরকার, গুগল সংশোধিত পৃষ্ঠাটি আদৌ পুনরায় ক্রল করেছে কি না। কারণ ওয়েবসাইটে নতুন লেখা প্রকাশ করা আর সেই পরিবর্তন গুগলের অনুসন্ধানব্যবস্থায় প্রতিফলিত হওয়া এক ঘটনা নয়। বিষয়বস্তু হালনাগাদের এসইও ফল মাপার জন্য সাধারণত ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর প্রাথমিক বিশ্লেষণ শুরু করা যুক্তিসংগত। তবে গুগল এমন কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেয়নি। কোনো পরিবর্তনের প্রভাব কয়েক দিনের মধ্যে দেখা যেতে পারে, আবার কয়েক মাসেও প্রত্যাশিত উন্নতি নাও আসতে পারে।

আরও একটি সমস্যা আছে। সার্চ কনসোলে ক্লিক বাড়লেই যে সংশোধিত লেখার কারণে বেড়েছে, তা নিশ্চিত নয়। গড় অবস্থান খারাপ হলেও বিষয়বস্তুর সামগ্রিক দৃশ্যমানতা বাড়তে পারে। সংখ্যাগুলো কী বোঝাচ্ছে, তা না বুঝলে ভালো হালনাগাদকেও ব্যর্থ মনে হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বিষয়বস্তু হালনাগাদের পর কত দিন অপেক্ষা করবেন?

সব বিষয়বস্তুর ফল একই সময়ে দেখা যায় না। যে পৃষ্ঠায় নিয়মিত গুগলের ক্রলার আসে, সেখানে পরিবর্তন তুলনামূলক দ্রুত শনাক্ত হতে পারে। অন্য কোনো পৃষ্ঠা পুনরায় ক্রল করতে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এরপরও একটি বিষয় অনিশ্চিত থেকে যায়। নতুন তথ্য শনাক্ত করলেই গুগল পৃষ্ঠাটির অনুসন্ধানের ফলাফলে অবস্থান বদলে দেবে, এমন নয়।

তাই হালনাগাদের পর প্রথম সপ্তাহে ক্লিক বাড়ল কি না, তা নিয়ে অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং পৃষ্ঠাটি ঠিকভাবে খুলছে কি না, ক্রল বা গুগলের সূচিতে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে কি না, সেগুলো দেখা বেশি জরুরি।

দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানশব্দগুলোর কার্যকারিতায় কোনো পরিবর্তন আসছে কি না দেখা যেতে পারে। তবে এত অল্প সময়ের তথ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ সীমিত। চার সপ্তাহের কাছাকাছি সময়ে তুলনা করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া গেলে বিশ্লেষণ কিছুটা অর্থবহ হয়।

এখানেও বিষয়বস্তুর ধরন বিবেচনা করতে হবে।

ধরা যাক, একটি নিবন্ধ মাসে হাজার হাজার বার অনুসন্ধানের ফলাফলে প্রদর্শিত হয়। সেখানে কয়েক সপ্তাহের তথ্য থেকে একটি প্রবণতা বোঝা তুলনামূলক সহজ হতে পারে। কিন্তু অন্য একটি নিবন্ধ মাসে মাত্র কয়েকবার অনুসন্ধানের ফলাফলে দেখানো হলে একই সময়ের তথ্য যথেষ্ট নাও হতে পারে।

আবার লেখায় কী ধরনের পরিবর্তন করা হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কয়েকটি পুরোনো তথ্য সংশোধন আর পুরো নিবন্ধের বিষয়বস্তু নতুনভাবে সাজানোর প্রভাব এক রকম হওয়ার কথা নয়। গুগলের নির্দেশনাতেও বিষয়বস্তুর উন্নয়নের প্রভাব বুঝতে কয়েক দিন থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগার সম্ভাবনার কথা রয়েছে।

সুতরাং দুই থেকে চার সপ্তাহকে বিশ্লেষণ শুরুর একটি ব্যবহারিক সময় হিসেবে ধরুন। ফলাফল চূড়ান্তভাবে বিচার করার নির্দিষ্ট সময়সীমা হিসেবে নয়।

গুগল নতুন লেখাটি দেখেছে কি না, প্রথমে নিশ্চিত হন

গুগল নতুন লেখাটি দেখেছে কি না, প্রথমে নিশ্চিত হন

বিষয়বস্তু হালনাগাদের পর ক্লিক না বাড়লে অনেকে আবার শিরোনাম বদলান। কেউ নতুন অনুচ্ছেদ যোগ করেন। অথচ গুগল আগের পরিবর্তনটাই এখনো প্রক্রিয়াকরণ করেনি, এমনও হতে পারে। এই অনিশ্চয়তা কিছুটা দূর করতে গুগল সার্চ কনসোলের ওয়েব ঠিকানা পরীক্ষার সুবিধা (ইউআরএল ইনস্পেকশন) ব্যবহার করা যায়।

সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের সার্চ কনসোল প্রপার্টি খুলুন। ওপরের ওয়েব ঠিকানা পরীক্ষার ঘরে হালনাগাদ করা পৃষ্ঠার সম্পূর্ণ ঠিকানা দিন। তারপর পৃষ্ঠা অন্তর্ভুক্তির অবস্থা দেখুন। এখানে কয়েকটি তথ্য কাজে আসবে। পৃষ্ঠাটি গুগলের সূচিতে আছে কি না, সর্বশেষ ক্রলের তারিখ কত, ক্রল করার সময় কোনো সমস্যা হয়েছে কি না এবং গুগল কোন ঠিকানাটিকে প্রধান ঠিকানা হিসেবে নির্বাচন করেছে, তা দেখুন।

বিষয়টি একটি উদাহরণে পরিষ্কার হবে। ধরা যাক, ১০ অক্টোবর একটি নিবন্ধে নতুন তথ্য যোগ করা হয়েছে। অথচ ওয়েব ঠিকানা পরীক্ষার প্রতিবেদনে সর্বশেষ ক্রলের তারিখ দেখাচ্ছে ৬ অক্টোবর।

এই প্রতিবেদন থেকে ১০ অক্টোবরের সংশোধিত বিষয়বস্তু গুগল প্রক্রিয়াকরণ করেছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না। তবে সর্বশেষ ক্রলের তারিখকেও চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে নেওয়া ঠিক নয়। ওয়েব ঠিকানা পরীক্ষার সুবিধাটি মূলত গুগলের কাছে সংরক্ষিত বা সূচিতে অন্তর্ভুক্ত সংস্করণের তথ্য দেখায়। সর্বশেষ ক্রল কখন হয়েছে, তা জানা গেলেও সংশোধিত বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকরণের নির্ভুল সময় জানা যায় না।

প্রয়োজনে সরাসরি ওয়েব ঠিকানা পরীক্ষার সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন। এতে পৃষ্ঠাটি গুগলের পরীক্ষামূলক ক্রলারের কাছে প্রবেশযোগ্য এবং সম্ভাব্যভাবে সূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার উপযোগী কি না, সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের পর সূচিতে অন্তর্ভুক্তির অনুরোধ জানিয়েও পুনরায় ক্রলের আবেদন করা যায়। এ সুবিধা ব্যবহার করতে সংশ্লিষ্ট সার্চ কনসোল প্রপার্টিতে মালিক অথবা পূর্ণ অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যবহারকারীর অধিকার প্রয়োজন। কিন্তু অনুরোধ জমা দেওয়ার পর বারবার একই কাজ করার দরকার নেই। একই ওয়েব ঠিকানা বারবার জমা দিলেই গুগল দ্রুত ক্রল করবে না। ক্রলের অনুরোধ গ্রহণ করা মানে সূচিতে অন্তর্ভুক্তি বা অনুসন্ধানের ফলাফলে অবস্থান উন্নতির নিশ্চয়তা নয়।

আগের কার্যকারিতা না জানলে নতুন ফল কীভাবে বুঝবেন?

ধরা যাক, সংশোধিত নিবন্ধে গত ২৮ দিনে ১৫০ ক্লিক এসেছে। সংখ্যাটি ভালো না খারাপ? উত্তর নির্ভর করছে আগের পরিস্থিতির ওপর। আগে সমান সময়ে ১০০ ক্লিক এলে উন্নতির ইঙ্গিত রয়েছে। কিন্তু আগে ২০০ ক্লিক এলে উল্টো চিত্র পাওয়া যাবে।

এ কারণেই বিষয়বস্তু হালনাগাদের আগে তার কার্যকারিতার তথ্য সংরক্ষণ করা দরকার। একটি ব্যবহারিক পদ্ধতি হলো হালনাগাদের আগের ২৮ দিনের ক্লিকসংখ্যা, প্রদর্শনসংখ্যা, ক্লিকের হার এবং গড় অবস্থান রেখে দেওয়া। পাশাপাশি কোন কোন অনুসন্ধানশব্দ থেকে পৃষ্ঠাটি ক্লিক পাচ্ছিল, সেগুলোর তথ্যও সংরক্ষণ করুন।

শুধু মোট ক্লিক জানলে অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত হয়। কোনো নিবন্ধের প্রধান অনুসন্ধানশব্দে অবস্থান উন্নত হলেও মোট ক্লিক কমতে পারে। সেই বিষয়ে মানুষের অনুসন্ধানের চাহিদা কমে গেলে এমন ঘটনা অস্বাভাবিক নয়।

তুলনার সময় আরেকটি ভুল প্রায়ই হয়। হালনাগাদের আগের ২৮ দিনের সঙ্গে পরের ৭ দিনের তথ্য মিলিয়ে ফেলা। এভাবে সরাসরি তুলনা করলে প্রকৃত পরিবর্তন বোঝা কঠিন। সম্ভব হলে সমদৈর্ঘ্যের সময় নির্বাচন করুন। সপ্তাহের দিনগুলোর প্রতিনিধিত্বও সমান রাখার চেষ্টা করুন।

গুগল সার্চ কনসোলে নির্দিষ্ট পৃষ্ঠার তথ্য যেভাবে আলাদা করবেন

সার্চ কনসোলের কার্যকারিতা বিভাগ থেকে অনুসন্ধানের ফলাফলের প্রতিবেদন খুলুন। ওপরের অংশে চারটি প্রধান পরিমাপক নির্বাচন করুন। গুগলের সাধারণ ওয়েব অনুসন্ধানের ফল দেখতে অনুসন্ধানের ধরন হিসেবে ওয়েব নির্বাচন করুন।

এরপর ছাঁকনি যোগ করুন বিকল্প থেকে পৃষ্ঠা নির্বাচন করে সংশ্লিষ্ট ওয়েব ঠিকানার তথ্য আলাদা করুন। সার্চ কনসোলের প্রদর্শনব্যবস্থাভেদে ছাঁকনি যোগ করার বিকল্পটির নাম কিছুটা আলাদা দেখা যেতে পারে। পৃষ্ঠার তালিকায় নির্দিষ্ট ওয়েব ঠিকানার সারি নির্বাচন করেও পৃষ্ঠাটির কার্যকারিতা দেখা যায়।

এখানে প্রধান ওয়েব ঠিকানা নিয়ে একটু সতর্ক থাকতে হবে। সার্চ কনসোলের অধিকাংশ অনুসন্ধানসংক্রান্ত তথ্য গুগলের নির্বাচিত প্রধান ওয়েব ঠিকানার অধীনে গণনা করা হয়। একই বিষয়বস্তুর বিকল্প ঠিকানা দিয়ে খুঁজলে তাই প্রত্যাশিত তথ্য নাও পাওয়া যেতে পারে।

এমন হলে ওয়েব ঠিকানা পরীক্ষার প্রতিবেদনে গুগলের নির্বাচিত প্রধান ঠিকানা পরীক্ষা করুন। নির্দিষ্ট পৃষ্ঠা নির্বাচন করার পর তারিখের ছাঁকনিতে গিয়ে তুলনা করার সুবিধা ব্যবহার করুন। ধরা যাক, একটি নিবন্ধ ১ সেপ্টেম্বর হালনাগাদ করা হয়েছে। ওয়েব ঠিকানা পরীক্ষার প্রতিবেদনে ৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় ক্রলের তথ্য পাওয়া গেছে।

উদাহরণ হিসেবে হালনাগাদের আগের ৪ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট এবং পরবর্তী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবরের তথ্য তুলনা করা যেতে পারে।

দুটি সময়ই ২৮ দিনের। তবে ৫ সেপ্টেম্বর ক্রল হওয়ার অর্থ সংশোধিত বিষয়বস্তু সেদিনই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকরণ হয়েছিল, এমন নয়।

প্রাথমিক তুলনার পর অনুসন্ধানশব্দের অংশে যান। গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানশব্দগুলোতে কী পরিবর্তন হয়েছে, সেটি দেখুন। কোন শব্দে প্রদর্শনসংখ্যা বাড়ছে, কোনটিতে ক্লিক কমছে, নতুন কোনো প্রাসঙ্গিক অনুসন্ধানশব্দে পৃষ্ঠা দেখা যাচ্ছে কি না—এসব তথ্য মোট ক্লিকের সংখ্যার চেয়ে বেশি ব্যাখ্যা দিতে পারে।

বাংলাদেশ ও ভারতের পাঠকের জন্য লেখা হলে দেশ অনুযায়ী ফল দেখাও কাজে আসবে। মুঠোফোন এবং কম্পিউটারের পার্থক্য বুঝতে যন্ত্রভিত্তিক প্রতিবেদনের অংশ ব্যবহার করুন। দৈনিক ওঠানামা বেশি হলে সাপ্তাহিক হিসাবে কয়েক সপ্তাহের প্রবণতা দেখুন। এতে ছোটখাটো পরিবর্তন নিয়ে অপ্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশঙ্কা কমে।

ক্লিক বেড়েছে, কিন্তু ক্লিকের হার কমেছে—এটাকে ব্যর্থতা বলবেন?

গুগল সার্চ কনসোলের চারটি প্রধান পরিমাপক পাশাপাশি থাকলেও সেগুলো আলাদা বিষয় বোঝায়। ক্লিকসংখ্যা দেখায় গুগলের অনুসন্ধানের ফলাফল থেকে কত ক্লিক এসেছে। প্রদর্শনসংখ্যা জানায় পৃষ্ঠাটি কতবার অনুসন্ধানের ফলাফলে দেখানো হয়েছে। ক্লিকের হার হলো প্রদর্শনসংখ্যার বিপরীতে ক্লিকের অনুপাত। আর গড় অবস্থান দিয়ে অনুসন্ধানের ফলাফলে পৃষ্ঠার অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

এই চারটি সংখ্যার মধ্যে সম্পর্ক না বুঝলে কার্যকারিতার ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে। একটি কাল্পনিক হিসাব ধরা যাক।

হালনাগাদের আগে একটি নিবন্ধে ৪,০০০ বার প্রদর্শিত হয়ে ১২০ ক্লিক এসেছিল। তখন ক্লিকের হার ছিল ৩ শতাংশ। পরের সমদৈর্ঘ্যের সময়ে প্রদর্শনসংখ্যা বেড়ে ৬,০০০ এবং ক্লিক বেড়ে ১৫০ হলো। কিন্তু ক্লিকের হার কমে দাঁড়াল ২.৫ শতাংশ।

এখানে ক্লিকের হার কমেছে, অথচ মোট ক্লিক বেড়েছে ২৫ শতাংশ।

কেন এমন হলো?

সম্ভাব্য একটি ব্যাখ্যা হচ্ছে, পৃষ্ঠাটি আগের তুলনায় বেশি অনুসন্ধানশব্দের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে। নতুন অনুসন্ধানশব্দগুলোর কিছুতে অবস্থান নিচের দিকে থাকলে প্রদর্শনসংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে ক্লিক নাও আসতে পারে। তাই ক্লিকের হার কমেছে দেখেই শিরোনাম খারাপ হয়েছে কিংবা বিষয়বস্তু হালনাগাদ ব্যর্থ হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।

বরং কোন অনুসন্ধানশব্দে ক্লিকের হার কমেছে, সেটি দেখুন।

যেসব অনুসন্ধানশব্দ নিবন্ধের মূল বিষয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত, সেগুলোর কার্যকারিতা বেশি গুরুত্ব পাবে। অপ্রাসঙ্গিক নতুন অনুসন্ধানশব্দে প্রদর্শনসংখ্যা বাড়লে সেটিকে বড় অর্জন হিসেবে দেখারও প্রয়োজন নেই।

গড় অবস্থানের হিসাব কেন বিভ্রান্ত করতে পারে

গড় অবস্থানের হিসাব কেন বিভ্রান্ত করতে পারে

ধরা যাক, আগে একটি নিবন্ধ অল্প কয়েকটি অনুসন্ধানশব্দে ভালো অবস্থানে ছিল। হালনাগাদের পর আরও অনেক অনুসন্ধানশব্দে দেখা যাচ্ছে, কিন্তু নতুন শব্দগুলোর ক্ষেত্রে অবস্থান তুলনামূলক নিচে। এতে পৃষ্ঠাটির গড় অবস্থান খারাপ দেখাতে পারে। অথচ অনুসন্ধানে তার সামগ্রিক দৃশ্যমানতা বেড়েছে।

কারণ গড় অবস্থান কোনো একটি নির্দিষ্ট অনুসন্ধানশব্দের স্থায়ী অবস্থান নয়। পৃষ্ঠাভিত্তিক এবং ওয়েবসাইটভিত্তিক হিসাবেও পার্থক্য রয়েছে। ওয়েবসাইটের সামগ্রিক হিসাবে অনুসন্ধানের ফলাফলে সাইটটির সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা ফলটি বিবেচনায় নেওয়া হয়। নির্দিষ্ট পৃষ্ঠার হিসাবে সেই পৃষ্ঠার অবস্থান গণনা করা হয়।

এ কারণে পুরো পৃষ্ঠার গড় অবস্থান দেখার পর গুরুত্বপূর্ণ পৃথক অনুসন্ধানশব্দগুলোর অবস্থানও পরীক্ষা করুন। ক্লিকসংখ্যা, প্রদর্শনসংখ্যা ও অনুসন্ধানশব্দভিত্তিক অবস্থান একসঙ্গে দেখলে পরিবর্তনটি কোথায় ঘটেছে, তা অনেক পরিষ্কার হয়।

আরও পড়ুন: গুগল সার্চ কনসোল পারফরম্যান্স রিপোর্ট কীভাবে পড়বেন

গুগল সার্চ কনসোলের তথ্যে গরমিল দেখলেই ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে ভাববেন না

সার্চ কনসোলের প্রতিবেদন পড়ার সময় কিছু সীমাবদ্ধতা মাথায় রাখা জরুরি। প্রথমটি হলো তথ্য প্রকাশের সময়। নিয়মিত কার্যকারিতার তথ্য সাধারণত ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। কিছু প্রাথমিক তথ্য আরও আগে দেখা যেতে পারে, তবে সেগুলো পরে বদলাতে পারে।

প্রতিবেদনে বিন্দুযুক্ত রেখা থাকলে সেটি অসম্পূর্ণ বা প্রাথমিক তথ্যের নির্দেশক হতে পারে। তাই সাম্প্রতিক আংশিক দিনের তথ্যের সঙ্গে আগের পূর্ণ দিনের হিসাব তুলনা করবেন না। সময় অঞ্চলের কারণেও সংখ্যায় পার্থক্য দেখা যেতে পারে।

সার্চ কনসোলের নিয়মিত দৈনিক অনুসন্ধানের ফলাফলের প্রতিবেদনে প্রশান্ত মহাসাগরীয় সময় ব্যবহার করা হয়। তবে ২৪ ঘণ্টার হিসাবে স্থানীয় সময় দেখানো হয়। অন্য বিশ্লেষণব্যবস্থায় বাংলাদেশ বা ভারতের স্থানীয় সময় অনুযায়ী তথ্য গণনা করলে একই দিনের সংখ্যা না-ও মিলতে পারে।

আরেকটি বিষয় হলো, সার্চ কনসোল সব অনুসন্ধানশব্দের তথ্য প্রকাশ করে না। গোপনীয়তার কারণে কিছু কম ব্যবহৃত অনুসন্ধানশব্দ আড়ালে রাখা হয়। প্রতিবেদনের সারণিতে সারির সংখ্যার সীমাও রয়েছে। ফলে লেখচিত্রে দেখানো মোট সংখ্যা এবং অনুসন্ধানশব্দের সারণির যোগফল সব সময় সমান হয় না।

পৃষ্ঠাভিত্তিক ও ওয়েবসাইটভিত্তিক তথ্য গণনার পদ্ধতিতেও পার্থক্য আছে। এসব কারণে সংখ্যায় অমিল দেখা মানেই তথ্য ভুল, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

পুরোনো তথ্য তুলনার সময় একটি বিশেষ সতর্কতা

গুগলের প্রতিবেদন তৈরির ব্যবস্থায় কখনো কখনো ত্রুটি দেখা দেয়। এমন সমস্যার তথ্য না জানলে কোনো পরিবর্তনকে ভুলভাবে এসইও উন্নতি বা অবনতি মনে হতে পারে। এর একটি উদাহরণ ২০২৫ সালের ১৩ মে থেকে ২০২৬ সালের ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রদর্শনসংখ্যা গণনায় দেখা দেওয়া সমস্যা।

গুগলের নথি অনুযায়ী, এতে ক্লিকের হার এবং গড় অবস্থানের হিসাবও প্রভাবিত হয়েছিল। তবে ক্লিকসংখ্যা প্রভাবিত হয়নি। সমস্যাটি সমাধান হয়েছে বলে গুগল জানিয়েছে। তারপরও ওই ঐতিহাসিক সময়ের সঙ্গে অন্য সময়ের প্রদর্শনসংখ্যা তুলনা করলে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। প্রতিবেদনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা গেলে সার্চ কনসোলের তথ্যসংক্রান্ত অসংগতির নথি পরীক্ষা করতে পারেন।

চার সপ্তাহ পরও ফল না এলে আবার বিষয়বস্তু লিখবেন?

এখানে একটাই উত্তর সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। কারণ ক্লিক না বাড়ার পেছনে কয়েক ধরনের পরিস্থিতি থাকতে পারে। ধরা যাক, প্রদর্শনসংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু ক্লিক বাড়ছে না। এমন হলে প্রথমেই পুরো লেখা বদলানোর দরকার নেই।

আগে দেখুন, প্রদর্শনসংখ্যা কোন অনুসন্ধানশব্দগুলোতে বেড়েছে। সেগুলো নিবন্ধের মূল বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না এবং সেখানে অবস্থান কেমন, তা পরীক্ষা করুন। গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানশব্দে যথেষ্ট প্রদর্শনসংখ্যা ও তুলনামূলক ভালো অবস্থান থাকা সত্ত্বেও ক্লিকের হার দুর্বল হলে শিরোনাম এবং অনুসন্ধানের ফলাফলে প্রদর্শিত বিবরণ দেখুন।

শিরোনামে বিষয়টি পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে তো? পাঠক যে উত্তর খুঁজছেন, নিবন্ধটি সেটি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে কি? তবে এখানে একটি সীমাবদ্ধতা আছে। ওয়েবসাইটের শিরোনাম বা মেটা বিবরণ পরিবর্তন করলেই গুগলের অনুসন্ধানে সেই লেখা অপরিবর্তিতভাবে দেখাবে না। গুগল নিজস্ব ব্যবস্থায় অনুসন্ধানের ফলাফলে প্রদর্শিত শিরোনাম ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ তৈরি বা পরিবর্তন করতে পারে।

অন্যদিকে, ক্লিক ও প্রদর্শনসংখ্যা দুটোই ধারাবাহিকভাবে কমলে প্রযুক্তিগত অবস্থা পরীক্ষা করা যুক্তিসংগত। ওয়েব ঠিকানা পরীক্ষার প্রতিবেদনে ক্রল করার অনুমতি, সূচিতে অন্তর্ভুক্তির অনুমতি, প্রধান ওয়েব ঠিকানা এবং সর্বশেষ ক্রলের তথ্য দেখুন। পৃষ্ঠা সংগ্রহে কোনো সমস্যা রয়েছে কি না যাচাই করুন।

এসব ঠিক থাকলে লেখার বিষয়বস্তুর দিকে ফিরুন। পাঠক যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে অনুসন্ধান করছেন, লেখাটি কি তার যথাযথ উত্তর দিচ্ছে? নতুন তথ্য যোগ করার পরও মূল প্রশ্নের উত্তর অস্পষ্ট রয়ে গেছে কি? লেখায় এমন কোনো অংশ আছে কি, যা পাঠকের প্রয়োজনের সঙ্গে মিলছে না?

সমস্যা নির্দিষ্ট করা গেলে শুধু সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন করা বেশি যুক্তিসংগত। একই ওয়েবসাইটের অন্য কোনো পৃষ্ঠা একই বিষয়ে অনুসন্ধানের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করা যায়। তবে সব সমস্যার কারণ লেখার ভেতরে থাকে না।

ঈদ, দুর্গাপূজা, ভর্তি পরীক্ষা কিংবা মৌসুমি পণ্যের মতো বিষয় নিয়ে লেখা নিবন্ধে অনুসন্ধানের চাহিদা সময়ভেদে বদলায়। এ ধরনের লেখায় শুধু আগের মাসের সঙ্গে তুলনা যথেষ্ট নাও হতে পারে। সম্ভব হলে আগের বছরের কাছাকাছি সময়ের তথ্য দেখুন। সার্চ কনসোলের কার্যকারিতার প্রতিবেদনে সাধারণত ১৬ মাস পর্যন্ত ঐতিহাসিক তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি গুগল ট্রেন্ডসে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অনুসন্ধানের প্রবণতাও দেখা যেতে পারে।

যদি গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানশব্দগুলোর অবস্থান মোটামুটি স্থিতিশীল থাকে, প্রযুক্তিগত সমস্যা না পাওয়া যায় এবং পর্যাপ্ত তথ্যও না জমে, তাহলে আরেক দফা বড় পরিবর্তনের চেয়ে অপেক্ষা করাই যুক্তিসংগত হতে পারে। কারণ বারবার পরিবর্তন করলে পরে কোন সংশোধনের পর কী ফল এসেছে, তা বোঝাও কঠিন হয়ে যায়।

বিষয়বস্তু হালনাগাদের হিসাব রাখার সহজ উপায়

নিয়মিত বিষয়বস্তু হালনাগাদ করা ওয়েবসাইটে প্রতিটি পরিবর্তনের ইতিহাস মনে রাখা সম্ভব নয়। বিশেষ করে একাধিক সম্পাদক বা এসইও কর্মী একই সঙ্গে কাজ করলে সমস্যাটি আরও স্পষ্ট হয়। এ জন্য আলাদা কোনো জটিল ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই। একটি সাধারণ হিসাবের ছকই যথেষ্ট হতে পারে।

প্রতিটি নিবন্ধের ওয়েব ঠিকানা, হালনাগাদের তারিখ, কী পরিবর্তন করা হয়েছে এবং আগের ২৮ দিনের কার্যকারিতার তথ্য লিখে রাখুন। পরবর্তী সময়ে সমদৈর্ঘ্যের সময়ের ক্লিকসংখ্যা, প্রদর্শনসংখ্যা, ক্লিকের হার ও গড় অবস্থান যোগ করুন। গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানশব্দের পরিবর্তন এবং গুগলের পুনরায় ক্রলের তারিখ জানা থাকলে সেটিও সংরক্ষণ করুন।

একই সময়ে ওয়েবসাইটে অন্য বড় এসইও পরিবর্তন কিংবা গুগলের অ্যালগরিদম হালনাগাদ হয়ে থাকলে সেই তথ্যও রাখুন। এতে কয়েক মাস পরে বোঝা যাবে কোন নিবন্ধে উন্নতির প্রবণতা আছে, কোথায় অবস্থান ধরে রাখা গেছে এবং কোন পৃষ্ঠার সমস্যা এখনো রয়ে গেছে।

তবে একটি সতর্কতা জরুরি। বিষয়বস্তু পরিবর্তনের তারিখ আর ক্লিক বাড়ার সময় কাছাকাছি হলেই একটি অন্যটির কারণ, এমন প্রমাণ হয় না। অনুসন্ধানের ফলাফলে একাধিক বিষয় একসঙ্গে প্রভাব ফেলতে পারে।

পরবর্তী পরিবর্তনের আগে কী সিদ্ধান্ত নেবেন?

বিষয়বস্তু হালনাগাদের ফল দেখতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত নির্দিষ্ট পৃষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানশব্দগুলোকে। ধরা যাক, ক্লিক বাড়ছে এবং মূল অনুসন্ধানশব্দগুলোতে অবস্থানও উন্নত হচ্ছে। তখন তাড়াহুড়ো করে নতুন পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। কিছুদিন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যেতে পারে, প্রবণতাটি বজায় থাকে কি না।

প্রদর্শনসংখ্যা বাড়লেও ক্লিক না বাড়লে আগে বুঝতে হবে, নতুন অনুসন্ধানশব্দগুলো কতটা প্রাসঙ্গিক। প্রয়োজনে শিরোনাম ও সংশ্লিষ্ট বিষয়বস্তু পরীক্ষা করুন। আর পর্যাপ্ত সময় পরও গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানশব্দে অবস্থান কমতে থাকলে প্রযুক্তিগত সমস্যা, অনুসন্ধানের চাহিদা ও বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করে পরবর্তী কাজ ঠিক করুন।

সব নিবন্ধের লক্ষ্য একই হতে হবে, এমন নয়। আগে থেকেই ভালো পাঠকসংখ্যা পাওয়া পৃষ্ঠার বিদ্যমান কার্যকারিতা ধরে রাখাও মূল্যবান ফল। আবার কম দৃশ্যমানতার নিবন্ধ নতুন প্রাসঙ্গিক অনুসন্ধানশব্দে দেখা দিতে শুরু করলে সেটি উন্নতির প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

বিষয়বস্তু হালনাগাদের এসইও ফল মাপতে ২ থেকে ৪ সপ্তাহকে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণকাল হিসেবে ব্যবহার করুন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হয়েছে বলেই বিষয়বস্তু সফল বা ব্যর্থ ঘোষণা করবেন না।

পরেরবার কোনো নিবন্ধ হালনাগাদ করার আগে আগের কার্যকারিতার তথ্য সংরক্ষণ করুন। কী পরিবর্তন করা হয়েছে, তা লিখে রাখুন। এরপর পর্যাপ্ত তথ্য জমলে তুলনা করুন। এতে কোন নিবন্ধে আবার কাজ করা দরকার আর কোনটিকে আপাতত সময় দেওয়া ভালো, সেই সিদ্ধান্ত অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য হবে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন 

১. নতুন নিবন্ধের ক্ষেত্রে আগের তথ্য না থাকলে এসইও ফল কীভাবে মাপবেন?

নতুন প্রকাশিত নিবন্ধের ক্ষেত্রে আগের ২৮ দিনের তথ্যের সঙ্গে তুলনা করার সুযোগ নেই। তাই প্রথমে গুগল সার্চ কনসোলে পৃষ্ঠাটির প্রদর্শনসংখ্যা, ক্লিক এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানশব্দগুলোর তথ্য সংগ্রহ করুন। পর্যাপ্ত তথ্য জমলে পরবর্তী সমদৈর্ঘ্যের সময়ের সঙ্গে তুলনা করুন। নতুন নিবন্ধ প্রকাশের ফল আর পুরোনো নিবন্ধ হালনাগাদের ফল একভাবে বিচার করা ঠিক নয়।

২. একই নিবন্ধ এক মাসে একাধিকবার হালনাগাদ করলে কোন তারিখ থেকে ফল মাপবেন?

প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের তারিখ আলাদাভাবে সংরক্ষণ করুন। প্রথম পরিবর্তনের ফল বোঝার আগেই আবার শিরোনাম বা মূল লেখা বদলালে কোন সংশোধনের কারণে কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করা কঠিন। সর্বশেষ পরিবর্তনের পর পর্যাপ্ত তথ্য জমলে নতুন করে তুলনা করা যেতে পারে। তবে আগের পরিবর্তনগুলোর সম্ভাব্য প্রভাবও তখন বিবেচনায় রাখতে হবে।

৩. সার্চ কনসোলে ক্লিক বাড়লেও গুগল অ্যানালিটিকসে ভিজিট না বাড়ার কারণ কী?

গুগল সার্চ কনসোল অনুসন্ধানের ফলাফল থেকে পাওয়া ক্লিক গণনা করে। অন্যদিকে গুগল অ্যানালিটিকস ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারীর কার্যক্রম ও সেশনের তথ্য সংগ্রহ করে। দুটি ব্যবস্থার তথ্য গণনার পদ্ধতি আলাদা। তাই ক্লিক ও সেশনের সংখ্যা পুরোপুরি মেলার কথা নয়। বড় পার্থক্য দেখা গেলে নির্বাচিত তারিখ, সময় অঞ্চল, ট্রাফিকের উৎস এবং অ্যানালিটিকসের তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা পরীক্ষা করুন।

৪. একটি নিবন্ধ বাংলা ও ইংরেজি অনুসন্ধানশব্দে দেখা গেলে ফলাফল কীভাবে বিশ্লেষণ করবেন?

প্রথমে দেখুন, দুই ভাষার অনুসন্ধানশব্দগুলো নিবন্ধের বিষয়বস্তুর সঙ্গে কতটা সম্পর্কিত। এরপর গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর ক্লিক, প্রদর্শনসংখ্যা ও গড় অবস্থান আলাদাভাবে তুলনা করুন। প্রয়োজনে দেশভিত্তিক তথ্যও পরীক্ষা করুন। ইংরেজি অনুসন্ধানশব্দে প্রদর্শনসংখ্যা বাড়লেও সেটি বাংলা পাঠকদের প্রয়োজন পূরণে উন্নতি হয়েছে, এমন প্রমাণ নয়।

সর্বশেষ