গুগল সার্চ কনসোলে একটি ওয়েবসাইটের কোন সার্চ কুয়েরি থেকে কত ক্লিক আসছে, তা দেখা যায়। কিন্তু কুয়েরির সংখ্যা কয়েক হাজার হলে আলাদা আলাদা সার্চের হিসাব থেকে সামগ্রিক চিত্রটি বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে একই বিষয়ে মানুষ কতভাবে খুঁজছেন, কোন প্রশ্নে ওয়েবসাইট দেখা যাচ্ছে কিংবা ব্র্যান্ডের নাম ছাড়া কতটা সার্চ ট্রাফিক আসছে, সেগুলো বের করতে বেশ সময় লাগে।
এই কাজে জিএসসি রেজেক্স ফিল্টার ব্যবহার করা যায়। রেজেক্স দিয়ে নির্দিষ্ট শব্দ, বাক্যাংশের গঠন বা বানানের ভিন্নতা অনুযায়ী একসঙ্গে অনেক কুয়েরি বাছাই করা সম্ভব। ফলে দীর্ঘ তালিকা ঘেঁটে তথ্য খোঁজার বদলে নির্দিষ্ট ধরনের সার্চের ফলাফল দেখা যায়।
তবে ফিল্টার তৈরি করলেই বিশ্লেষণ শেষ হয় না। রেজেক্স শব্দের মিল খোঁজে, ব্যবহারকারী কেন সার্চ করেছেন, তা বোঝে না। ফলে একই গ্রুপে এমন কুয়েরিও আসতে পারে, যেগুলোর উদ্দেশ্য আলাদা। এখানেই কিছুটা সম্পাদকীয় বিচার প্রয়োজন।
সব কুয়েরি একসঙ্গে দেখার প্রয়োজন নেই
ধরা যাক, একটি প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে ফোনের ব্যাটারি নিয়ে বেশ কয়েকটি নিবন্ধ রয়েছে। সার্চ কনসোলে দেখা যাচ্ছে, পাঠকেরা ‘ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়’, ‘ব্যাটারির স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ কিংবা ‘চার্জিং সমস্যা সমাধান’ লিখে ওয়েবসাইটে আসছেন। এগুলো একই বিষয়ের কাছাকাছি হলেও শব্দের ব্যবহার আলাদা। সাধারণ কুয়েরি ফিল্টারে প্রতিটি শব্দ ধরে আলাদাভাবে তথ্য দেখতে হতে পারে।
রেজেক্স ব্যবহার করলে একই নিয়মে একাধিক শব্দ রাখা যায়।
battery|ব্যাটারি|চার্জিং
এখানে | চিহ্ন দিয়ে বিকল্প বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ তিনটির যেকোনো একটি শব্দ থাকলে কুয়েরিটি ফিল্টারের সঙ্গে মিলতে পারে।
ফলে ব্যাটারি-সংক্রান্ত সার্চগুলো এক জায়গায় দেখা সহজ হয়। তবে ‘চার্জিং’ শব্দ রয়েছে বলেই সব কুয়েরি ব্যাটারির স্বাস্থ্য নিয়ে হবে না। কোনোটি চার্জার, কোনোটি চার্জিং পোর্ট কিংবা সফটওয়্যারের সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। এ কারণে রেজেক্স তৈরি করার আগে ঠিক করা ভালো, আপনি আসলে কী জানতে চাইছেন। একটি বিষয়ের সামগ্রিক চাহিদা, কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সার্চ, নাকি ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে আসা ক্লিক? প্রশ্নটি পরিষ্কার থাকলে অপ্রয়োজনীয় জটিল নিয়ম লেখার দরকার পড়ে না।
সার্চ কনসোলে রেজেক্স ফিল্টার কোথায় পাবেন?
আলাদা কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই সার্চ কনসোলের সার্চ পারফরম্যান্স প্রতিবেদনে রেজেক্স ব্যবহার করা যায়। প্রথমে গুগল সার্চ কনসোল খুলে যে ওয়েবসাইটের তথ্য বিশ্লেষণ করবেন, সেটি নির্বাচন করুন। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের তথ্য দেখার অনুমতি থাকতে হবে।
এরপর নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
১. বাঁ পাশের মেনু থেকে পারফরম্যান্স → সার্চ রেজাল্টস অংশে যান।
২. ওপরের তারিখের ফিল্টারে প্রয়োজনীয় সময়সীমা নির্বাচন করুন। নির্দিষ্ট দেশের সার্চ দেখতে চাইলে দেশের ফিল্টারও ব্যবহার করতে পারেন।
৩. প্রতিবেদনের ওপরের অংশে ফিল্টার যোগ করার বিকল্পটি নির্বাচন করুন।
৪. সেখান থেকে কুয়েরি → কাস্টম রেজেক্স নির্বাচন করুন।
৫. নির্ধারিত ঘরে রেজেক্সের নিয়ম লিখুন। এরপর রেজেক্সের সঙ্গে মেলে অথবা রেজেক্সের সঙ্গে মেলে না বিকল্পের যেকোনো একটি নির্বাচন করুন।
৬. প্রয়োগ করুন বিকল্পে চাপার পর কুয়েরির তালিকায় ফলাফল দেখুন।
এখানে মেনু ও বিকল্পগুলোর নাম বাংলায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সার্চ কনসোলের প্রদর্শনের ভাষা অনুযায়ী প্রকৃত নাম ভিন্নভাবে দেখা যেতে পারে। রেজেক্সের সঙ্গে মেলে এমন বিকল্প নির্বাচন করলে নির্ধারিত নিয়মের সঙ্গে মিলে যাওয়া কুয়েরিগুলো পাওয়া যাবে। অন্য বিকল্পটি নির্বাচন করলে ওই নিয়মের সঙ্গে মেলে না, এমন কুয়েরি দেখা যাবে।
এখানে একটি সাধারণ ভুল হয়। নতুন রেজেক্স বসানোর সময় আগের কুয়েরি ফিল্টারটি সক্রিয় থেকে যায়। তখন নতুন নিয়ম ঠিক থাকলেও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায় না। তাই ফল অস্বাভাবিক মনে হলে আগে সক্রিয় ফিল্টারগুলো দেখে নিন।
রেজেক্সের কয়েকটি চিহ্ন জানা দরকার

সার্চ কনসোলের অধিকাংশ সাধারণ বিশ্লেষণে জটিল রেজেক্স লেখার প্রয়োজন নেই। একাধিক বিকল্প খুঁজতে | ব্যবহার করা যায়। কুয়েরির শুরু নির্দিষ্ট করতে ^ এবং শেষ নির্দিষ্ট করতে $ লাগে। আর \s দিয়ে স্পেসসহ ফাঁকা জায়গার চিহ্ন বোঝানো হয়।
একইভাবে . যেকোনো একটি অক্ষর মেলায়। * আগের অক্ষর বা নির্ধারিত অংশ শূন্য বা একাধিকবার এবং + এক বা একাধিকবার মেলাতে পারে। যেমন, example.com-এর মাঝখানের ডট হুবহু মেলাতে চাইলে example\.com লেখা বেশি নির্ভুল। কারণ সাধারণ ডট রেজেক্সে বিশেষ অর্থ বহন করে।
সার্চ কনসোলের রেজেক্স ফিল্টার আরই২ পদ্ধতি অনুসরণ করে। অন্য কিছু রেজেক্স ব্যবস্থায় ব্যবহৃত লুকঅ্যাহেড ও লুকবিহাইন্ড নির্দেশনা এখানে সমর্থিত নয়। ফলে অন্য কোনো রেজেক্স পরীক্ষার সফটওয়্যারে একটি নিয়ম কাজ করলেই সার্চ কনসোলে একইভাবে চলবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
সাধারণ অবস্থায় রেজেক্স বড় ও ছোট ইংরেজি অক্ষরকে আলাদা করে না। প্রয়োজন হলে নিয়মের শুরুতে (?-i) যোগ করে এই পার্থক্য বজায় রাখা যায়।
ব্র্যান্ডের নামে সার্চ আর সাধারণ সার্চ আলাদা রাখুন
ওয়েবসাইটের সার্চ পারফরম্যান্স বোঝার সময় ব্র্যান্ডের নাম দিয়ে আসা কুয়েরিগুলো আলাদা করে দেখা কার্যকর হতে পারে। কারণ আগে থেকে কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম জানা ব্যবহারকারী এবং একটি বিষয় সম্পর্কে প্রথমবার তথ্য খোঁজা ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য এক নাও হতে পারে। ধরা যাক, এডিটোরিয়ালজ নামের সার্চগুলো দেখতে হবে। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষামূলকভাবে লেখা যায়:
editorialge|এডিটোরিয়ালজ
এটি দিয়ে রেজেক্সের সঙ্গে মেলে এমন বিকল্প নির্বাচন করলে ওই শব্দগুলো রয়েছে এমন কুয়েরি পাওয়া যাবে। একই নিয়মে রেজেক্সের সঙ্গে মেলে না, এমন বিকল্প নির্বাচন করলে ওই শব্দগুলো ছাড়া সার্চ দেখা যাবে। কিন্তু দ্বিতীয় ফলাফলকে সরাসরি সব ধরনের ব্র্যান্ডবহির্ভূত কুয়েরি বলা যাবে না।
একটি প্রতিষ্ঠানের পণ্যের নাম অনেক সময় মূল ব্র্যান্ডের নাম ছাড়াই সার্চ করা হয়। কেউ প্রতিষ্ঠানের নামের ভুল বানানও লিখতে পারেন। বাংলা ও ইংরেজিতে একাধিক প্রচলিত বানান থাকলে সেগুলোও বিবেচনা করতে হবে। তাই ব্র্যান্ডের সার্চ বিশ্লেষণের জন্য নিয়ম তৈরির সময় প্রকৃত কুয়েরির তালিকা দেখে বানানের ভিন্নতা যুক্ত করা ভালো।
গুগলের স্বয়ংক্রিয় ব্র্যান্ডেড কুয়েরি ফিল্টার
সার্চ কনসোলে ব্র্যান্ড-সম্পর্কিত সার্চ আলাদা করার নিজস্ব ব্যবস্থাও রয়েছে। গুগলের ব্র্যান্ডেড কুয়েরি ফিল্টার ব্র্যান্ডের নাম, বানানের ভিন্নতা এবং ব্র্যান্ড-সম্পর্কিত কিছু পণ্য বা সেবার কুয়েরি শনাক্ত করতে পারে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। ফলে কোনো কুয়েরি ভুল গ্রুপে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সুবিধাটি সব ধরনের ওয়েবসাইট প্রপার্টিতে পাওয়া যায় না। নির্দিষ্ট সাবডোমেইন বা ওয়েব ঠিকানার অংশভিত্তিক প্রপার্টি এবং পর্যাপ্ত সার্চ তথ্য নেই এমন ওয়েবসাইটে এটি অনুপস্থিত থাকতে পারে।
যেসব ওয়েবসাইটে সুবিধাটি পাওয়া যায়, সেখানে ব্র্যান্ডের সামগ্রিক পারফরম্যান্স দেখতে এটি ব্যবহার করা সুবিধাজনক। তবে নির্দিষ্ট পণ্য, প্রচারণা কিংবা বানানের আলাদা হিসাব প্রয়োজন হলে রেজেক্স দিয়ে নিজস্ব ফিল্টার তৈরি করা বেশি উপযোগী।
প্রশ্নভিত্তিক সার্চ খুঁজতে শুধু ‘কেন’ বা ‘কীভাবে’ যথেষ্ট নয়
কনটেন্ট পরিকল্পনার জন্য প্রশ্নভিত্তিক কুয়েরি বেশ কাজের। বিশেষ করে তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইটে পাঠকের কোন সমস্যাগুলো বেশি উঠে আসছে, তা বোঝার সুযোগ পাওয়া যায়। বাংলা ও ইংরেজিতে প্রশ্নবোধক শব্দ দিয়ে শুরু হওয়া সার্চ আলাদা করতে নিচের নিয়ম ব্যবহার করা যেতে পারে।
^(কীভাবে|কিভাবে|কেন|কখন|কোথায়|কোথায়|কত|কোন|কী|কি|how|what|why|when|where)(\s|$)
এখানে ^ থাকার কারণে প্রশ্নবোধক শব্দটি কুয়েরির শুরুতে থাকতে হবে। শেষের অংশটি শব্দের পর ফাঁকা জায়গা কিংবা কুয়েরির শেষ থাকার শর্ত দেয়। এতে ‘কেন ফোন গরম হয়’ কিংবা ইংরেজিতে ‘কীভাবে ব্যাটারি সাশ্রয় করবেন’ ধরনের সার্চ পাওয়া যেতে পারে।
কিন্তু বাংলায় প্রশ্ন সব সময় এভাবে লেখা হয় না। ‘ফোন গরম হয় কেন’ একই প্রশ্ন হলেও সেটি আগের নিয়মে আসবে না। এ ধরনের সার্চ আলাদা করতে কেন$ ব্যবহার করা যায়। আরও নির্দিষ্টভাবে শব্দটির আগে ফাঁকা জায়গা থাকার শর্ত দিতে চাইলে (^|\s)কেন$ লেখা সম্ভব।
বাংলা কুয়েরির ক্ষেত্রে বানানের বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে। যেমন ‘কীভাবে’ ও ‘কিভাবে’ কিংবা ‘কোথায়’ ও ‘কোথায়’ ভিন্নভাবে লেখা হতে পারে। নিয়মে প্রয়োজনীয় রূপ না রাখলে প্রাসঙ্গিক কিছু সার্চ বাদ পড়ে যাবে। তবে প্রশ্নবোধক শব্দ দিয়ে সব সমস্যাসংশ্লিষ্ট সার্চ ধরা সম্ভব নয়।
কেউ লিখছেন ‘ফোন ব্যাটারি দ্রুত শেষ’, আবার কেউ লিখছেন ‘অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ বন্ধ হয়ে যায়’। এসব কুয়েরিতে প্রশ্নবোধক শব্দ না থাকলেও ব্যবহারকারী কোনো সমস্যার সমাধান খুঁজতে পারেন। তাই প্রশ্নভিত্তিক কনটেন্টের সুযোগ খুঁজতে গিয়ে শুধু প্রশ্নের শব্দ দিয়ে ফিল্টার করলে বিশ্লেষণ অসম্পূর্ণ থেকে যেতে পারে। নির্দিষ্ট সমস্যা বা বিষয়ের শব্দ দিয়েও আলাদা ফিল্টার তৈরি করা প্রয়োজন হতে পারে। এরপর নির্বাচিত কুয়েরির জন্য কোন পৃষ্ঠা প্রদর্শিত হচ্ছে, সেখানে পাঠকের প্রয়োজনীয় উত্তর রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করুন।
বেশি শব্দের কুয়েরি কি সত্যিই লং-টেইল?
লং-টেইল কিওয়ার্ড খুঁজতে চার বা পাঁচ শব্দের সার্চ আলাদা করার পদ্ধতি প্রচলিত। এতে তুলনামূলক নির্দিষ্ট কিছু কুয়েরি পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু শব্দসংখ্যা আর লং-টেইল এক বিষয় নয়। লং-টেইল ধারণাটি মূলত তুলনামূলক কম অনুসন্ধান হওয়া কুয়েরিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত। অল্প শব্দের কোনো কুয়েরিও এই শ্রেণিতে পড়তে পারে।
তারপরও বেশি শব্দের সার্চগুলো প্রথমে আলাদা করে দেখতে চাইলে একটি ব্যবহারযোগ্য নিয়ম হলো:
^(\S+\s+){3,}\S+$
এটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে আলাদা হওয়া অন্তত চারটি অংশ রয়েছে, এমন কুয়েরি নির্বাচন করে। যেমন, ‘অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ’ সার্চটি এতে আসতে পারে। ‘ফোন ব্যাটারি’ আসবে না।
কিন্তু এই নিয়ম শব্দের অর্থ বোঝে না। স্পেস ও অক্ষরের গঠন অনুযায়ী অংশ গণনা করে। বাংলা-ইংরেজি মিশ্রিত কুয়েরি বা অস্বাভাবিক স্পেস থাকলে ফলের ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকতে হবে।
সবচেয়ে জরুরি হলো, দীর্ঘ কুয়েরি পেলেই নতুন নিবন্ধ লেখা শুরু না করা।
ধরা যাক, একটি সার্চ কুয়েরি থেকে বোঝা যাচ্ছে পাঠক ফোনের ব্যাটারি সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাইছেন। ওয়েবসাইটে আগে থেকেই এ বিষয়ে নিবন্ধ থাকলে প্রথমে সেই লেখাটি পরীক্ষা করা যুক্তিসংগত। প্রশ্নের প্রয়োজনীয় উত্তর অনুপস্থিত থাকলে বিদ্যমান লেখার সেই অংশ উন্নত করা যায়। অন্যদিকে বিষয়টি একেবারেই আলাদা এবং বিদ্যমান কোনো পৃষ্ঠায় যথাযথভাবে আলোচনা করা হয়নি, এমন হলে নতুন কনটেন্ট তৈরির সুযোগ থাকতে পারে।
বিষয়ভিত্তিক গ্রুপ তৈরি করলে হিসাবেও সতর্ক থাকতে হবে

প্রযুক্তি বা অনলাইন কেনাকাটার ওয়েবসাইটে সার্চের বিষয় অনুযায়ী আলাদা গ্রুপ তৈরি করা যায়।
যেমন, দাম বা খরচ নিয়ে করা সার্চ দেখতে একটি প্রাথমিক নিয়ম হতে পারে:
দাম|মূল্য|price|cost
অ্যান্ড্রয়েড-সম্পর্কিত সার্চ আলাদা করতে ব্যবহার করা যেতে পারে:
android|অ্যান্ড্রয়েড|স্মার্টফোন
এখানে দুটি গ্রুপের মধ্যে মিল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ‘অ্যান্ড্রয়েড ফোনের দাম’ কুয়েরিটি উভয় গ্রুপেই আসতে পারে। কনটেন্টের বিষয়ভিত্তিক চাহিদা বোঝার জন্য এমন মিল সব সময় সমস্যা নয়। কিন্তু প্রতিটি গ্রুপের ক্লিকসংখ্যা যোগ করে মোট অর্গানিক ক্লিক হিসাব করলে একই কুয়েরির তথ্য একাধিকবার গণনা হওয়ার ঝুঁকি থাকবে।
আর দাম-সম্পর্কিত শব্দ রয়েছে মানেই ব্যবহারকারী কেনার জন্য প্রস্তুত, এমন সিদ্ধান্তও নেওয়া যায় না। কেউ মূল্য তুলনা করতে পারেন, কেউ ভবিষ্যতের খরচ সম্পর্কে জানতে পারেন। এই পার্থক্যগুলো না বুঝে কেবল রেজেক্সের ফলের ওপর ভিত্তি করে কনটেন্ট বা বিপণনের সিদ্ধান্ত নিলে ভুল ব্যাখ্যার আশঙ্কা থাকে। পৃথক, পরস্পরবিচ্ছিন্ন গ্রুপ প্রয়োজন হলে আগে শ্রেণিবিন্যাসের নিয়ম নির্ধারণ করুন। প্রয়োজনে কুয়েরিগুলো স্প্রেডশিটে নিয়ে প্রতিটিকে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণিতে রাখা যায়।
গ্রুপের তথ্য থেকে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়?
রেজেক্স ফিল্টার বসানোর পর নির্বাচিত কুয়েরিগুলোর ক্লিক, প্রদর্শনসংখ্যা, ক্লিকের হার এবং গড় অবস্থান দেখা যায়।
ক্লিক: গুগলের সার্চ ফলাফল থেকে কতবার ওয়েবসাইটে ক্লিক এসেছে।
প্রদর্শনসংখ্যা: গুগলের সার্চ ফলাফলে ওয়েবসাইট কতবার প্রদর্শিত হয়েছে।
ক্লিকের হার: মোট প্রদর্শনসংখ্যার তুলনায় কত শতাংশ ক্ষেত্রে ক্লিক এসেছে।
গড় অবস্থান: সার্চ ফলাফলে ওয়েবসাইটের গড় অবস্থান। ওয়েবসাইটভিত্তিক হিসাবে সাধারণভাবে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা ফলাফল বিবেচনায় নেওয়া হয়। তবে প্রতিবেদনে কোন মাত্রায় তথ্য দেখা হচ্ছে, তার ওপর হিসাবের ধরন ভিন্ন হতে পারে।
এসব তথ্য পড়ার সময় একটি নির্দিষ্ট কুয়েরি বা পৃষ্ঠার দিকে নজর দেওয়া অনেক ক্ষেত্রে গ্রুপের মোট হিসাব দেখার চেয়ে বেশি কার্যকর। ধরা যাক, ব্যাটারি-সংক্রান্ত কুয়েরির একটি গ্রুপে প্রদর্শনসংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু ক্লিক তেমন বাড়ছে না। এ অবস্থায় সরাসরি ধরে নেওয়া ঠিক হবে না যে নিবন্ধের শিরোনাম দুর্বল।
আগে কুয়েরির তালিকায় দেখুন কোন সার্চগুলোতে প্রদর্শনসংখ্যা বেড়েছে। তারপর সংশ্লিষ্ট কুয়েরি নির্বাচন করে পৃষ্ঠার তথ্য দেখুন। কোন পৃষ্ঠা ওই সার্চে প্রদর্শিত হচ্ছে, তা সেখানে পাওয়া যাবে। এবার কয়েকটি বিষয় মিলিয়ে দেখুন। পৃষ্ঠাটি কি সত্যিই ওই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে? শিরোনামে যে বিষয়ের ইঙ্গিত রয়েছে, লেখার মূল অংশে তা পরিষ্কার করা হয়েছে কি? প্রয়োজনীয় তথ্য কি পাঠক সহজে খুঁজে পাচ্ছেন?
শিরোনাম বা বিবরণে সমস্যা থাকলে তা সংশোধন করা যেতে পারে। তবে কম ক্লিকের হারের পেছনে সার্চ ফলাফলের ধরন, পৃষ্ঠার অবস্থান এবং ব্যবহারকারীর চাহিদাও প্রভাব ফেলতে পারে। গড় অবস্থানের ক্ষেত্রেও সাবধানতা দরকার। নতুন অনেক কুয়েরিতে ওয়েবসাইট প্রদর্শিত হতে শুরু করলে সামগ্রিক গড় অবস্থান খারাপ দেখাতে পারে। অথচ ওয়েবসাইটের সার্চে দৃশ্যমানতা বেড়ে থাকতে পারে।
আগের সময়ের সঙ্গে তুলনা করুন
রেজেক্স গ্রুপের পরিবর্তন বুঝতে তারিখের ফিল্টারে থাকা তুলনা করার সুবিধা ব্যবহার করা যায়। যেমন, গত ২৮ দিনের তথ্য আগের ২৮ দিনের সঙ্গে তুলনা করতে পারেন। তবে উভয় সময়ের ক্ষেত্রে একই রেজেক্স, সার্চের ধরন এবং অন্যান্য প্রযোজ্য ফিল্টার বজায় রাখা প্রয়োজন।
ক্লিক বা প্রদর্শনসংখ্যা বাড়লেই সেটিকে কোনো নির্দিষ্ট এসইও পরিবর্তনের ফল বলা যায় না। মৌসুমি চাহিদা, নতুন কনটেন্ট প্রকাশ এবং সার্চ ফলাফলের পরিবর্তনেও হিসাব বদলাতে পারে। তুলনায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কুয়েরি ও পৃষ্ঠা পরীক্ষা করাই বেশি কার্যকর।
গুগলের স্বয়ংক্রিয় কুয়েরি গ্রুপ থাকলে রেজেক্স কেন ব্যবহার করবেন?
গুগল সার্চ কনসোল ইনসাইটসে কুয়েরি গ্রুপ নামে একটি সুবিধা রয়েছে। এটি কাছাকাছি অর্থের কুয়েরিগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিষয়ভিত্তিক গ্রুপে দেখায়। একই বিষয়ে ভিন্ন শব্দ ব্যবহার করে সার্চ করা হলে সেগুলো একটি গ্রুপে আসতে পারে। এই শ্রেণিবিন্যাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হয় এবং সময়ের সঙ্গে গ্রুপ পরিবর্তিত হতে পারে।
রেজেক্সের কাজ আলাদা। এখানে বিশ্লেষক নিজেই নির্ধারণ করেন কোন শব্দ বা বাক্যের গঠন মেলাতে হবে।
যদি জানতে চান মানুষ একটি বিষয় নিয়ে কীভাবে সার্চ করছেন, তাহলে স্বয়ংক্রিয় কুয়েরি গ্রুপ থেকে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যেতে পারে। আর নির্দিষ্ট পণ্য, ব্র্যান্ডের বানান কিংবা প্রশ্নের ধরন ধরে কুয়েরি আলাদা করতে চাইলে রেজেক্স বেশি নিয়ন্ত্রণ দেয়।
স্বয়ংক্রিয় কুয়েরি গ্রুপ সব ধরনের ওয়েবসাইট প্রপার্টিতে পাওয়া যায় না। পর্যাপ্ত কুয়েরি রয়েছে এমন ওয়েবসাইটেও সব সার্চ স্বয়ংক্রিয় গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার নিশ্চয়তা নেই। ফলে দুটি ব্যবস্থাকে একই কাজের বিকল্প ভাবার প্রয়োজন নেই। বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী যেটি প্রয়োজন, সেটি ব্যবহার করাই যুক্তিসংগত।
রেজেক্স ঠিক থাকলেও সব কুয়েরি পাওয়া যাবে না
ধরা যাক, একটি রেজেক্স নিয়ম তৈরি করেছেন। কিন্তু প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম কুয়েরি দেখা যাচ্ছে। প্রথমে নিয়মের শর্ত পরীক্ষা করুন। ^ বা $ ব্যবহার করলে শব্দের অবস্থান নির্দিষ্ট হয়ে যায়। এগুলো সাময়িকভাবে সরিয়ে দেখুন আংশিক মিল পাওয়া যাচ্ছে কি না।
বাংলা বানানের ভিন্নতা, ইংরেজি শব্দের বিকল্প রূপ এবং সক্রিয় অন্য ফিল্টারগুলোও পরীক্ষা করা দরকার। তারপরও তথ্য কম থাকতে পারে। কারণ সার্চ কনসোল নিজেই সব সার্চ কুয়েরির বিস্তারিত প্রকাশ করে না।
ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষায় কিছু বিরল কুয়েরির প্রকৃত শব্দ গোপন রাখা হয়। এগুলোকে পরিচয় গোপন রাখা কুয়েরি বলা হয়। ফিল্টার ছাড়া সামগ্রিক চার্টের মোট হিসাবে এসব কুয়েরির তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কিন্তু কুয়েরি ফিল্টার প্রয়োগ করলে পরিচয় গোপন রাখা কুয়েরিগুলো বাদ পড়ে।
এ কারণে ব্র্যান্ড ও ব্র্যান্ডবহির্ভূত গ্রুপের ক্লিকসংখ্যা যোগ করেও ওয়েবসাইটের মোট ক্লিকের সঙ্গে পুরোপুরি মিল নাও পাওয়া যেতে পারে। বড় ওয়েবসাইটে তথ্য রপ্তানির সীমাও বিবেচনায় রাখতে হবে। সার্চ কনসোলের সাধারণ ব্যবস্থাপনা পর্দা থেকে সর্বোচ্চ ১,০০০ সারির তথ্য রপ্তানি করা যায়।
আরও বিস্তৃত বিশ্লেষণে সার্চ অ্যানালিটিকস এপিআই ব্যবহার করা সম্ভব। সেখানে প্রতি অনুরোধে সর্বোচ্চ ২৫,০০০ সারি চাওয়া যায়। অতিরিক্ত তথ্যের জন্য ধারাবাহিক অনুরোধ করা যায়, যদিও এপিআই সব কুয়েরি ফেরত দেওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। সুতরাং রেজেক্স ফিল্টারে কম কুয়েরি দেখলেই ওয়েবসাইটের সার্চ চাহিদা কমে গেছে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
আরও পড়ুন: গুগল সার্চ কনসোল পারফরম্যান্স রিপোর্ট কীভাবে পড়বেন
নিয়মিত বিশ্লেষণের জন্য ছোট একটি ব্যবস্থা রাখুন
একই ধরনের কুয়েরি প্রতি মাসে বিশ্লেষণ করতে হলে বারবার নতুন রেজেক্স লেখার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনীয় নিয়মগুলো একটি স্প্রেডশিটে সংরক্ষণ করতে পারেন। সেখানে গ্রুপের নাম, রেজেক্সের নিয়ম, বিশ্লেষণের সময়সীমা এবং সার্চের ধরন লিখে রাখুন। পরে কোনো নিয়ম পরিবর্তন করলে সেই পরিবর্তনের কারণও নথিভুক্ত করুন।
এতে আগের প্রতিবেদনের সঙ্গে নতুন তথ্য তুলনা করতে সুবিধা হবে। প্রথম থেকেই অনেকগুলো গ্রুপ তৈরি করার দরকার নেই। ওয়েবসাইটের কাজ অনুযায়ী কয়েকটি বেছে নিন। ব্র্যান্ড-সম্পর্কিত সার্চ আলাদা করা প্রয়োজন হলে সেটি দিয়ে শুরু করুন। তথ্যভিত্তিক সাইটে নির্দিষ্ট সমস্যা বা প্রশ্ন নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করা বেশি কার্যকর হতে পারে।
প্রথমবার নিয়ম প্রয়োগের পর কয়েকটি নির্বাচিত কুয়েরি হাতে মিলিয়ে দেখুন। অপ্রাসঙ্গিক ফল বেশি এলে নিয়ম সংশোধন করুন। আর সার্চ কনসোলের তথ্যকে ওয়েবসাইটের সব ট্রাফিকের হিসাব ধরে নেওয়া ঠিক নয়। এটি গুগলের সার্চ পারফরম্যান্স দেখায়, সব উৎস থেকে আসা ব্যবহারকারীর সেশন নয়।
শুরুতে কোন গ্রুপটি বেছে নেবেন?
যে ওয়েবসাইটে নিয়মিত তথ্যভিত্তিক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়, সেখানে প্রথমে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের কুয়েরি আলাদা করে দেখার পরামর্শ দেওয়া যায়। ধরা যাক, বিষয়টি ফোনের ব্যাটারি। রেজেক্স দিয়ে ব্যাটারি-সংক্রান্ত শব্দগুলো নির্বাচন করুন। তারপর দেখুন কোন প্রশ্নগুলোতে বেশি প্রদর্শনসংখ্যা রয়েছে, কোন কুয়েরি থেকে ক্লিক আসছে এবং সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠায় পাঠকের প্রয়োজনীয় উত্তর আছে কি না।
এতে বোঝা যেতে পারে, কোনো বিদ্যমান নিবন্ধে তথ্য যোগ করা প্রয়োজন, নাকি বিষয়টি নিয়ে আলাদা কনটেন্টের সুযোগ রয়েছে। জিএসসি রেজেক্স ফিল্টার ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হাজার হাজার কুয়েরিকে যত বেশি সম্ভব গ্রুপে ভাগ করা নয়। কোন তথ্যটি খুঁজছেন, সেটি আগে নির্ধারণ করা দরকার। তারপর সেই অনুযায়ী নিয়ম তৈরি করে ফলাফল যাচাই করুন।
রেজেক্স কুয়েরি বাছাইয়ের সময় বাঁচাতে পারে। কিন্তু কোন সার্চের পেছনে কী প্রয়োজন রয়েছে এবং কোন কনটেন্ট পরিবর্তন করা উচিত, সেই সিদ্ধান্ত নিতে নির্বাচিত কুয়েরি ও সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠার তথ্য মিলিয়ে দেখতে হবে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
১. গুগল সার্চ কনসোলে নির্দিষ্ট একটি পৃষ্ঠার কুয়েরি রেজেক্স দিয়ে আলাদা করা যায় কি?
হ্যাঁ। প্রথমে সার্চ কনসোলের পারফরম্যান্স প্রতিবেদনে পৃষ্ঠার ফিল্টার ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ওয়েব ঠিকানা নির্বাচন করুন। এরপর কুয়েরি অংশে রেজেক্স ফিল্টার বসান। এতে ওই পৃষ্ঠার জন্য নির্ধারিত নিয়মের সঙ্গে মেলে এমন সার্চ কুয়েরি দেখা যাবে। তবে গুগলের গোপনীয়তা ও তথ্যসংরক্ষণসংক্রান্ত সীমাবদ্ধতার কারণে সব কুয়েরি নাও পাওয়া যেতে পারে।
২. রেজেক্স দিয়ে একটি সম্পূর্ণ সার্চ কুয়েরি হুবহু খুঁজবেন কীভাবে?
কোনো নির্দিষ্ট বাক্যের সঙ্গে হুবহু মিল খুঁজতে রেজেক্সের শুরুতে ^ এবং শেষে $ ব্যবহার করুন। যেমন, ^ফোনের ব্যাটারি$ লিখলে শুধু ‘ফোনের ব্যাটারি’ কুয়েরিটি নির্বাচিত হবে। এর আগে বা পরে অতিরিক্ত শব্দ থাকলে সেটি মিলবে না। একই ধরনের কিন্তু কিছুটা ভিন্ন বাক্য খুঁজতে চাইলে এই শর্তগুলো শিথিল করতে হবে।
৩. একাধিক শব্দ বাদ দিয়ে বাকি কুয়েরিগুলো দেখা সম্ভব?
সম্ভব। প্রথমে battery|ব্যাটারি|চার্জিং-এর মতো নিয়ম লিখুন। এরপর রেজেক্সের সঙ্গে মেলে না, এমন কুয়েরি দেখানোর বিকল্প নির্বাচন করুন। এতে উল্লিখিত শব্দগুলোর কোনোটির সঙ্গেই মেলে না, এমন সার্চগুলো দেখা যাবে। তবে নিয়মটি আংশিক শব্দের সঙ্গেও মিলতে পারে। তাই অপ্রাসঙ্গিক কুয়েরি বাদ পড়ছে কি না, পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
৪. রেজেক্স ফিল্টার ব্যবহার করলে কি ওয়েবসাইটের সার্চ র্যাঙ্কিং বাড়ে?
না। রেজেক্স ফিল্টার সরাসরি ওয়েবসাইটের সার্চ র্যাঙ্কিং পরিবর্তন করে না। এটি সার্চ কনসোলে থাকা তথ্য নির্দিষ্ট নিয়মে বাছাই করতে সাহায্য করে। সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে কনটেন্টের ঘাটতি, পাঠকের প্রশ্ন কিংবা কম ক্লিক পাওয়া পৃষ্ঠা শনাক্ত করা সম্ভব। এরপর প্রয়োজনীয় উন্নতি করলে সার্চ পারফরম্যান্সে পরিবর্তন আসতে পারে, তবে উন্নতির নিশ্চয়তা নেই।

