এডিটোরিয়ালেজের সপ্তম বর্ষপূর্তি: সম্পাদকের চোখে সাত বছর

সর্বাধিক আলোচিত

আজ ৩০ অক্টোবর ২০২৬, এডিটোরিয়ালেজ সাত বছরে পা রাখল। কী কী বদলেছে জানতে চাইলে আমার ছোট্ট উত্তর হলো, প্রায় সবকিছুই। শুধু আমাদের পথচলার কারণটা বদলায়নি।

২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমি যখন যোগ দিই, তখন এডিটোরিয়ালেজ ছিল একটি ডিজিটাল মিডিয়ার পাশাপাশি একটি ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানির অধিকারী। আজ এটি একটি মিডিয়া ও টেকনোলজি গ্রুপ। এটি আট ভাষায় লেখা প্রকাশ করে, সাস (SaaS) সফটওয়্যার টুল চালায়, নিজস্ব এআই পণ্য তৈরি করে, আর শিশুদের জন্য শেখার গেম বানায়। পাশাপাশি আছে একটি ইকো শপ ও একটি ফিটনেস প্ল্যাটফর্ম।

এই লেখাটি এডিটোরিয়ালেজের সপ্তম বর্ষপূর্তিতে একজন সম্পাদকের ভাবনা। লিখছি এমন একজন, যে একজন সাধারণ এসইও কনটেন্ট রাইটার হিসেবে এসেছিল, আর এখন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের (ইংরেজি) দায়িত্বে আছে। লেখাটি একদিকে ধন্যবাদ জানানো, অন্যদিকে একটি সৎ রিপোর্ট কার্ড। কী বেড়েছে, কোথায় ভুল করেছি, আর কেন এখনো প্রতিটি কর্মদিবসের অপেক্ষায় থাকি, সবই বলব।

এডিটোরিয়ালেজ তখন ও এখন: এক নজরে

ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (আমার যোগদানের মাস) অক্টোবর ২০২৬ (আমাদের সপ্তম বর্ষপূর্তি)
আমরা কী ছিলাম একটি ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানির ভেতরের একটি নিউজ সাইট সহযোগী প্রতিষ্ঠানসহ একটি মিডিয়া ও টেক গ্রুপ
ভাষা মূলত ইংরেজি ৮টি ভাষা: ইংরেজি, বাংলা, হিন্দি, চীনা, পর্তুগিজ, ফরাসি, স্প্যানিশ ও জার্মান
পণ্য সংবাদ ও ফিচার লেখা একটি মাসিক ডিজিটাল ম্যাগাজিন, ১৫টি ফ্রি মাইক্রো সাস টুল, একটি নিউজ অ্যাপ, ImagineLab.art এবং RankPilot AI (নির্মাণাধীন)
শেখা ও জীবনযাপন তখনো শুরু হয়নি এডুটোরিয়াল, ইকো শপ ও হ্যাপিনেস ফিট
কর্মক্ষেত্র ঢাকা, কলকাতা ও সিঙ্গাপুর ছয়টি দেশ, যুক্তরাজ্য ও এস্তোনিয়ায় নতুন অফিসসহ
টিম ছোট, ঘনিষ্ঠ একটি দল বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে ৭০ জনেরও বেশি পেশাজীবী
আমার ভূমিকা এসইও কনটেন্ট রাইটার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক

এডিটোরিয়ালেজ এখন ও তখন

ফেব্রুয়ারি ২০২৩: এসেছিলাম একজন সাধারণ লেখক হিসেবে

বড় কোনো পদবি নিয়ে আমি এডিটোরিয়ালেজে আসিনি। এসেছিলাম একজন সাধারণ এসইও কনটেন্ট রাইটার হিসেবে। আমার দিন কাটত কিওয়ার্ড লিস্ট, আউটলাইন, শব্দসংখ্যা আর ডেডলাইন নিয়ে।

তখন এডিটোরিয়ালেজ ছিল মূলত একটি সংবাদ ও ফিচার সাইট। আর এর চারপাশের ব্যবসাটা ছিল আসলে একটি ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানি। আমরা লিখতাম, র‍্যাংক করাতাম, ক্লায়েন্টদের সেবা দিতাম। আমার ডেস্ক থেকে পুরো ছবিটা ছিল এটুকুই।

তাহলে চার বছরেরও কম সময়ে একজন লেখক কীভাবে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হয়ে উঠল? আমি চারটি কারণ বলতে পারি, যার মাত্র একটি আমার নিজের:

  • আমার নিজের কাজ: পুরো মন দিয়ে কাজ করেছি, আর নিজের দক্ষতা প্রতিনিয়ত শাণিত করেছি।
  • আমার সহকর্মীরা: এখানকার মানুষ না চাইতেই নিজেদের জানা বিষয়গুলো ভাগ করে নিয়েছেন।
  • প্রতিষ্ঠাতার তাড়না: সুকান্ত কুন্ডু পার্থিব বড় কিছু গড়ার চেষ্টা কখনো থামাননি।
  • তাঁর উদারতা: অনেক প্রতিষ্ঠাতা শুধু একটি চেয়ার পূরণ করতে লোক নেন। তিনি একজন লেখকের হাতে একটি সিঁড়ি তুলে দিয়েছেন, আর ভরসা রেখেছেন যে সে উঠতে পারবে।

গত বছর আমি ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব নিই। পাশাপাশি এডিটোরিয়ালেজের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ImagineLab Art-এর চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার হিসেবেও কাজ করছি, যা আমাকে আমাদের প্রোডাক্টের কাজের খুব কাছে রাখে। দুটি দায়িত্বই এখনো আমার কাছে উপহারের মতো, যার যোগ্য হয়ে ওঠার চেষ্টা করি প্রতিদিন।

একটি নিউজ সাইট যেভাবে হয়ে উঠল অনেক প্ল্যাটফর্মের এক পরিবার

আমার চোখে দেখা সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা বলা খুব সহজ: এডিটোরিয়ালেজ শুধু প্রকাশক হয়ে থাকেনি, মানুষ ব্যবহার করে এমন জিনিসও বানাতে শুরু করেছে। প্রতিটি নতুন উদ্যোগের জন্ম হয়েছে এমন কিছু থেকে, যা আমরা আগে থেকেই ভালো পারতাম।

একটি মাসিক ডিজিটাল ম্যাগাজিন

আমাদের মাসিক ডিজিটাল ম্যাগাজিন আমাদের একটু ধীরে চলার সুযোগ দিয়েছে। খবর দ্রুত ছোটে, কিন্তু থিমভিত্তিক সংখ্যাগুলোতে প্রযুক্তি, সংস্কৃতি, টেকসই জীবনযাপন আর নেতৃত্ব নিয়ে গভীরে যাওয়া যায়। একজন সম্পাদকের কাছে ভাবার এই জায়গাটুকু অমূল্য।

ফ্রি মাইক্রো সাস টুল

নিজেদের দক্ষতাকে আমরা ১৫টি ফ্রি ব্রাউজার টুলে রূপ দিয়েছি। স্বাস্থ্য, অর্থ, ই-কমার্স, টেকসই জীবনযাপন, বিনোদন, গেমিং আর এসইও, সব ধরনের কাজেই এগুলো কাজে লাগে। কোনো পাঠক একটি লেখা পড়তে এসে এখন একটি বাস্তব সমস্যার সমাধান নিয়েও ফিরতে পারেন।

ImagineLab.art: আমাদের সমন্বিত এআই প্ল্যাটফর্ম

ImagineLab.art এডিটোরিয়ালেজের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান, যা ২০২৬ সালের আগস্টে বিশ্বজুড়ে যাত্রা শুরু করেছে। এআই দিয়ে ছবি, ভিডিও, মিউজিক, ইনফোগ্রাফিক, বিজ্ঞাপনের কপি আর ভয়েস তৈরির টুল এখানে এক ছাদের নিচে পাওয়া যায়। এর Imagine Chat সব ব্যবহারকারীর জন্য ফ্রি। একটি কনটেন্ট টিম একটি ক্রিয়েটিভ এআই প্ল্যাটফর্ম বানাচ্ছে, এটা দেখে আমি এখনো অবাক হই।

RankPilot AI: এখনো তৈরির পথে

RankPilot AI হলো একটি কনটেন্ট ইন্টেলিজেন্স ও এসইও প্ল্যাটফর্ম, যা আমরা এখন তৈরি করছি। এতে সাইট অডিট, র‍্যাংক ট্র্যাকিং আর একটি একক ড্যাশবোর্ড একসঙ্গে থাকবে। সঙ্গে থাকবে সমস্যা সমাধান, কনটেন্ট ব্রিফ আর সার্চ সারাংশের জন্য এআই সহায়তা। এটি এখনো শেষ হয়নি, আর আমি শেষ হয়েছে বলে ভানও করব না। তবে প্রতি সপ্তাহে এটি আরেকটু এগোচ্ছে।

এডুটোরিয়াল, ইকো শপ ও হ্যাপিনেস ফিট

নিউজরুমের বাইরেও আমরা পা রেখেছি:

  • এডুটোরিয়াল শিশুদের জন্য আমাদের অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম। এর প্রথম অ্যাপ Alphabet Magic: Trace & Phonics এখন App Store ও Google Play-তে পাওয়া যাচ্ছে।
  • ইকো শপ ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি একটি পরিবেশবান্ধব অনলাইন স্টোর হিসেবে চালু হয়।
  • হ্যাপিনেস ফিট সেই পাঠকদের জন্য, যাঁরা ফিটনেস ও সুস্থতা নিয়ে ভাবেন।

এর সঙ্গে অ্যান্ড্রয়েডের এডিটোরিয়ালেজ নিউজ অ্যাপ যোগ করলেই পুরো চেহারাটা বোঝা যায়। যে সাইটে আমি যোগ দিয়েছিলাম, সেটি এখন অনেক বড় একটি বাড়ির একটি দরজা মাত্র।

এক নিউজরুমে আট ভাষা

এডিটোরিয়ালেজ এখন আট ভাষায় প্রকাশিত হয়। ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা, হিন্দি, চীনা, পর্তুগিজ, ফরাসি, স্প্যানিশ ও জার্মান ভাষাতেও আমাদের লেখা পড়া যায়।

ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে বাংলাটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই ভাষাতেই আমি ভাবি। আমাদের কাজ দেশের পাঠকদের কাছে তাঁদের নিজের ভাষায় পৌঁছাচ্ছে, এটা দেখে মনে হয় একটা বৃত্ত পূর্ণ হলো। আর বাকি ভাষাগুলো প্রতিদিন মনে করিয়ে দেয়, আমরা এখন এমন মানুষের জন্যও লিখি, যাঁদের সঙ্গে হয়তো কোনোদিন দেখাই হবে না।

আরও মানুষ, আরও কণ্ঠ, আরও পরিণত হওয়া

আমাদের টিমে এখন ৭০ জনেরও বেশি পেশাজীবী, যাঁরা ছড়িয়ে আছেন বাংলাদেশ, ভারত, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও এস্তোনিয়ায়। এই বেড়ে ওঠার সঙ্গে এসেছে এমন কিছু, যা টাকা দিয়ে কেনা যায় না: নানা পটভূমি, বিশ্বাস আর মতের সহকর্মী।

যাঁরা পৃথিবীকে ভিন্নভাবে দেখেন, তাঁদের সঙ্গে কাজ করে আমি নিজেও বদলেছি। এখন সম্পাদনার আগে বেশি শুনি। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বেশি প্রশ্ন করি। প্রতিষ্ঠান হিসেবেও আমরা পরিণত হয়েছি; আমাদের চিন্তা আরও ধারালো, আরও শান্ত হয়েছে। এখানে তর্ক এখনো হয়, তবে এখন সেগুলো আরও ভালো তর্ক।

কোথায় ভুল করেছি, আর কী নিয়ে এখনো কাজ চলছে

যে শুভেচ্ছাবার্তা শুধু সাফল্যের তালিকা দেয়, তা সৎ নয়। তাই অন্য দিকটাও বলি। সাত বছরে আমরা কিছু কাজে ব্যর্থ হয়েছি। কিছু লক্ষ্যে এখনো পৌঁছাতে পারিনি। কিছু লক্ষ্যের পেছনে এখনো ছুটছি। আর হ্যাঁ, কিছু লক্ষ্য আমরা এরই মধ্যে ছাড়িয়েও গেছি।

  • পায়ের নিচের মাটি বদলেছে সার্চে: সার্চ ইঞ্জিনগুলো একাধিকবার নিয়ম বদলেছে, আর কিছু আপডেট আমাদের ট্রাফিকে বড় ধাক্কা দিয়েছে। কীভাবে লিখি আর কেন লিখি, দুটোই আমাদের নতুন করে ভাবতে হয়েছে।
  • কিছু পরিকল্পনায় বেশি সময় লেগেছে: RankPilot AI আমাদের ২০২৬ সালের রোডম্যাপে ছিল, আর এটি এখনো তৈরি হচ্ছে। সব সাহসী পরিকল্পনা সময়মতো পৌঁছায় না।
  • পুরোনো অভ্যাস ছেড়েছি: ২০২৩ সালে কাজের যে ধরনগুলো নিরাপদ মনে হতো, তার কিছু আর কাজ করছিল না। সেগুলো ছেড়ে দেওয়া কষ্টের ছিল, কিন্তু সিদ্ধান্তটা ঠিক ছিল।

এসব মুহূর্ত আমরা যেভাবে সামলাই, তা নিয়ে আমি গর্বিত। আমরা লুকাই না। আমরা বিষয়গুলো খতিয়ে দেখি, যা ঠিক করা যায় তা ঠিক করি, আর আরও অভিজ্ঞ হয়ে সামনে এগোই।

এআইয়ের পেছনে নয়, পাশে থেকে কাজ

পুরো প্রযুক্তি দুনিয়া এখন এমন একটা সময় পার করছে, যখন মনে হয় এআই সবকিছু দখল করে নিচ্ছে। একটি কনটেন্ট কোম্পানির কাছে এটা কোনো তত্ত্ব নয়। প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য এটা প্রতিদিনের লড়াই।

আমাদের উত্তর হলো, এআইকে বিকল্প নয়, সঙ্গী বানানো। নিউজরুমের ভেতরে এআই গবেষণা, অনুবাদ আর কাজের গতিতে সাহায্য করে, কিন্তু আমাদের প্রকাশিত প্রতিটি লেখার দায়িত্ব থাকে একজন মানুষ সম্পাদকের হাতে। নিউজরুমের বাইরে আমরা নিজেরাই ImagineLab.art আর RankPilot AI-এর মাধ্যমে এআই পণ্য তৈরি করছি। এসব টুল বানাতে গিয়ে আমরা শিখছি, এআই কোথায় ভালো করে, আর কোথায় এখনো যত্নশীল মানুষের হাত দরকার।

আমাদের প্রতিষ্ঠাতাকে নিয়ে দুটি কথা

সুকান্ত কুন্ডু-এডিটোরিয়ালেজের প্রতিষ্ঠাতা

দীর্ঘদিন লেখক ও সাংবাদিক হিসেবে কাজ করার পর সুকান্ত কুন্ডু ২০১৯ সালের ৩০ অক্টোবর এডিটোরিয়ালেজ প্রতিষ্ঠা করেন। এই পথচলায় তাঁর কাজ সত্যিকারের স্বীকৃতিও পেয়েছে:

  • CXO 2.0 Conference Outstanding Leadership Award 2024: প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিনি এই পুরস্কার পান।
  • APAC CEO of the Year Awards 2025: অথেনটিক কনটেন্ট ক্রিয়েশন বিভাগে।

পুরস্কার পাওয়া আনন্দের, কিন্তু আমি বেশি মূল্য দিই তাঁর গড়ে তোলা সংস্কৃতিকে। সিইও থেকে শুরু করে সবচেয়ে নতুন সহকর্মী পর্যন্ত, এখানে সবার সঙ্গে সহজে কথা বলা যায়, আর সবাই দ্রুত সাহায্যে এগিয়ে আসে। আমরা কাজের বোঝা ভাগ করে নিই, তাই সেই বোঝা কখনো কাউকে চাপা দিতে পারে না।

কেন আমি বারবার আগমনী গান গাই

বাংলায় আমরা আগমনী গান গাই, যা আসছে তাকে বরণ করে নিতে। এডিটোরিয়ালেজের প্রতিটি পরিবর্তনকে আমি ঠিক সেভাবেই বরণ করে নিতে চাই।

আমি সবসময় নতুন কিছু শিখতে চাই। নতুন ভাবনাকে ভয় না পেয়ে গ্রহণ করতে চাই। এখনো প্রায় প্রতি সপ্তাহেই কাজের আরও ভালো উপায় শিখছি, আর তার বেশিরভাগই আসে পাশে বসা মানুষগুলোর কাছ থেকে। প্রায় চার বছর পেরিয়ে আমরা যা গড়েছি তা নিয়ে আমি গর্বিত, আর এই প্রতিষ্ঠান আমাকে যা শিখিয়েছে তার জন্য কৃতজ্ঞ।

শেষ কথা: এরপর কী

সম্পাদকের ডেস্ক থেকে আমি সামনের দিনগুলো দেখি আশা নিয়ে, তবে বাস্তবতা মাথায় রেখে। আমরা RankPilot AI-কে উদ্বোধনের দিকে এগিয়ে নেব, ImagineLab.art-কে আরও বড় করব, আর এডিটোরিয়ালেজের প্রতিটি লেখা থাকবে মানুষের যত্নে। আমরা শেখা চালিয়ে যাব, কারণ এটাই একমাত্র পরিকল্পনা যা কখনো পুরোনো হয় না।

আগেও আমরা কঠিন লড়াই জিতেছি, আর আমি বিশ্বাস করি এবারও জিতব। একা নয়, সবাই মিলে, যেভাবে আমরা সবসময় করে এসেছি। এডিটোরিয়ালেজের সপ্তম বর্ষপূর্তিতে এটাই আমার সম্পাদকীয় ভাবনা: ২০২৩ সালে যে প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলাম, সেটি আর নেই। তার জায়গায় যে প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়ে আছে, তা আরও বড়, আরও সাহসী, আর এখনো আমাদেরই।

যে সহকর্মী, লেখক, পাঠক আর অংশীদারেরা এই পথের কিছুটা আমাদের সঙ্গে হেঁটেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ। শুভ সপ্তম বর্ষপূর্তি, এডিটোরিয়ালেজ।

সর্বশেষ