গুগল বিজনেস প্রোফাইল সম্পূর্ণ অপ্টিমাইজ করার চেকলিস্ট

সর্বাধিক আলোচিত

গুগলে নিজের দোকানের নাম লিখে খুঁজলে ঠিকই পাওয়া যায়। কিন্তু এলাকার মানুষ ‘মোবাইল সার্ভিসিং’ বা ‘কম্পিউটার মেরামত’ লিখে খুঁজলে সেই দোকান আর দেখা যাচ্ছে না। একই এলাকায় থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো গুগল ম্যাপসে জায়গা পাচ্ছে। তাদের ফোন নম্বর, খোলার সময়, ছবি ও গ্রাহকের পর্যালোচনা দেখা যাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে অনেক ব্যবসায়ী ধরে নেন, প্রতিযোগীরা হয়তো বিজ্ঞাপনে বেশি টাকা খরচ করছেন। বাস্তবে সমস্যাটি নিজের ব্যবসার প্রোফাইলেও থাকতে পারে। ভুল ক্যাটাগরি, অসম্পূর্ণ ঠিকানা, পুরোনো যোগাযোগের তথ্য কিংবা ব্যবসার সেবার বিবরণ না থাকলে সম্ভাব্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো কঠিন হতে পারে।

গুগল বিজনেস প্রোফাইল অপ্টিমাইজেশন বলতে ব্যবসার এসব তথ্য ঠিক করা, প্রয়োজনীয় বিবরণ যোগ করা এবং নিয়মিত হালনাগাদ রাখার কাজকে বোঝায়। এর মাধ্যমে গুগল সার্চ ও ম্যাপসে ব্যবসার প্রাসঙ্গিকতা ও দৃশ্যমানতা উন্নত করতে সাহায্য করা যায়। তবে গুগলে প্রথম অবস্থানে আসার কোনো নিশ্চিত পদ্ধতি নেই। স্থানীয় অনুসন্ধানে ব্যবসাটি কতটা প্রাসঙ্গিক, অনুসন্ধানকারী কত দূরে রয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানটি কতটা পরিচিত, সেসব বিষয়ও বিবেচনা করা হয়।

তাই প্রোফাইল অপ্টিমাইজ করার কাজ শুরু হওয়া উচিত একটি সাধারণ প্রশ্ন দিয়ে: আপনার ব্যবসার তথ্যগুলো কি সত্যিই ঠিক আছে?

প্রথমে নিশ্চিত করুন, প্রোফাইলটির নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে

কোনো প্রতিষ্ঠানের গুগল ম্যাপসে উপস্থিতি থাকলেই সেটি যে ব্যবসার মালিক নিজে পরিচালনা করছেন, এমন নয়। আগের কোনো কর্মী প্রোফাইল তৈরি করে থাকতে পারেন। আবার ডিজিটাল বিপণন সংস্থার অ্যাকাউন্টেও সেটির নিয়ন্ত্রণ থাকতে পারে। প্রথমে গুগল ম্যাপসে প্রতিষ্ঠানের নাম ও এলাকার নাম লিখে খুঁজুন। প্রোফাইল পাওয়া গেলে দেখুন সেটি আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট থেকে পরিচালনা করা যাচ্ছে কি না।

অন্য কারও মালিকানায় থাকলে বিদ্যমান প্রোফাইলের মালিকানা পাওয়ার আবেদন করতে হতে পারে। একই প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন আরেকটি প্রোফাইল তৈরি করলে বরং তথ্যের অসংগতি দেখা দিতে পারে। প্রোফাইল একেবারেই না থাকলে গুগলে নতুন ব্যবসার প্রোফাইল তৈরির পৃষ্ঠা থেকে তৈরি করা যায়। যোগ্য ব্যবসার জন্য এই সুবিধা বিনামূল্যে।

অবশ্য সব ধরনের প্রতিষ্ঠান গুগল বিজনেস প্রোফাইল ব্যবহারের যোগ্য নয়। দোকান, রেস্তোরাঁ, সেলুন কিংবা গ্রাহকের বাসায় গিয়ে মেরামতের সেবা দেওয়া ব্যবসাগুলো সাধারণত যোগ্য। কিন্তু সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা, যেখানে গ্রাহকের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ বা সরাসরি সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা নেই, সেটি এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারে না।

আরও পড়ুন: লোকাল SEO কী: কাছাকাছি গ্রাহকের অনুসন্ধানে দৃশ্যমান হওয়ার উপায়

ব্যবসার তথ্য যাচাই করতে গিয়ে আটকে গেলে

প্রোফাইল তৈরি বা মালিকানা দাবি করার পর গুগল ব্যবসার সত্যতা যাচাই করতে বলতে পারে। ফোন বা খুদে বার্তা, ইমেইল, ভিডিও ধারণ কিংবা সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে যাচাইয়ের সুযোগ থাকতে পারে। কোন পদ্ধতি পাওয়া যাবে, সেটি গুগল নির্ধারণ করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একাধিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়।

ভিডিওর মাধ্যমে যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান, বাস্তব কার্যক্রম এবং ব্যবসা পরিচালনার অনুমোদনের প্রমাণ দেখাতে হতে পারে। এ ধরনের ভিডিও মোবাইল ফোন দিয়ে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সরাসরি ধারণ ও আপলোড করতে হয়। আগে ধারণ করা বা সম্পাদিত ভিডিও গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রক্রিয়াটি সহজ করার জন্য ভুয়া সাইনবোর্ড বা অন্য প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ব্যবহার করবেন না। এতে প্রোফাইল স্থগিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

নামের সঙ্গে বেশি মূলশব্দ যোগ করলেই লাভ হবে না

নামের সঙ্গে বেশি মূলশব্দ যোগ করলেই লাভ হবে না

ধরা যাক, একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ‘রহমান ইলেকট্রনিকস’। কিন্তু গুগল ম্যাপসে সেটি লেখা হয়েছে ‘রহমান ইলেকট্রনিকস সেরা মোবাইল মেরামত ঢাকা’। অনেক ব্যবসা অনুসন্ধানের ফলাফলে বেশি দেখা যাওয়ার আশায় এমন নাম ব্যবহার করে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত পরিচিত নামের বাইরে অপ্রাসঙ্গিক মূলশব্দ বা প্রচারমূলক বাক্য যোগ করা গুগলের নীতিমালার পরিপন্থী হতে পারে। তবে এলাকার নাম ব্যবসার প্রকৃত নামের অংশ হলে সেটি আলাদা বিষয়।

প্রোফাইলে সেই নামই রাখুন, যা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড, ওয়েবসাইট ও অন্যান্য ব্যবসায়িক পরিচিতিতে ব্যবহার করা হয়। এরপর ব্যবসার ধরন বা ক্যাটাগরি দেখুন। স্থানীয় সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনে এটি বেশি মনোযোগ পাওয়ার মতো একটি জায়গা।

প্রোফাইল সম্পাদনা অংশ থেকে ব্যবসার প্রধান ক্যাটাগরি নির্বাচন করা যায়। একটি দোকান যদি প্রধানত ল্যাপটপ মেরামত করে, তাহলে সাধারণ ইলেকট্রনিকস দোকানের পরিবর্তে উপযুক্ত কম্পিউটার মেরামতসংক্রান্ত ক্যাটাগরি বেশি প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

গুগল সর্বোচ্চ ৯টি অতিরিক্ত ক্যাটাগরি যুক্ত করার সুযোগ দেয়। কিন্তু সবগুলো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক নয়। ব্যবসার মূল কাজের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন ক্যাটাগরি যোগ করারও প্রয়োজন নেই। এখানে একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সব ক্যাটাগরি প্রতিটি দেশে পাওয়া যায় না। তাই কোনো বিদেশি ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির পরামর্শ দেখলেই সেটি নিজের প্রোফাইলে পাওয়া যাবে, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

ঠিকানা ঠিক আছে, কিন্তু মানচিত্রে অবস্থান কোথায়?

বাংলাদেশে একটি মার্কেট বা বাণিজ্যিক ভবনে অনেক দোকান থাকে। সেখানে শুধু রাস্তা ও ভবনের নাম দিয়ে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পৌঁছানো কঠিন হতে পারে। বিশেষ করে গুগল ম্যাপসে অবস্থান নির্দেশক চিহ্নটি যদি ভবনের অন্য পাশে বা পাশের রাস্তায় থাকে। প্রোফাইলের প্রোফাইল সম্পাদনা → অবস্থান অংশে গিয়ে ঠিকানা ও মানচিত্রের অবস্থান পরীক্ষা করুন। রাস্তা, ভবন ও এলাকার নাম ঠিক আছে কি না, দেখুন। অবস্থান ভুল জায়গায় থাকলে সেটি সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।

ব্যবসা স্থানান্তর হয়ে গেলে নতুন ঠিকানা ব্যবহার করুন। ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য নির্ভরযোগ্য ব্যবসায়িক তালিকায় পুরোনো ঠিকানা থাকলে সেটিও সংশোধন করা প্রয়োজন। তবে সব ব্যবসার ঠিকানা প্রকাশ্যে দেখানোর প্রয়োজন হয় না।

বাসা থেকে ব্যবসা পরিচালনা করলে ঠিকানা দেখাবেন?

এটি নির্ভর করে গ্রাহকেরা সেখানে আসেন কি না। ধরা যাক, একটি এসি মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান মিরপুর, উত্তরা ও মোহাম্মদপুরে গ্রাহকের বাসায় গিয়ে কাজ করে। তাদের নিজস্ব কোনো গ্রাহক গ্রহণের দোকান নেই। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য সেবার এলাকা নির্ধারণের ব্যবস্থা রয়েছে। গুগল সর্বোচ্চ ২০টি সেবার এলাকা যুক্ত করার সুযোগ দেয়। সাধারণভাবে ব্যবসার মূল অবস্থান থেকে প্রায় দুই ঘণ্টার গাড়িযাত্রার মধ্যে সেবার এলাকা রাখা উচিত। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ব্যতিক্রম হতে পারে।

গ্রাহকেরা যে ঠিকানায় আসেন না, সেটি প্রকাশ্যে দেখানো উচিত নয়। বাসা থেকে সেবাভিত্তিক ব্যবসা পরিচালনা করলে সাধারণত ঠিকানা গোপন রেখে সেবার এলাকা দেখাতে হবে। শুধু ডাক গ্রহণের ঠিকানা বা ভার্চুয়াল অফিসকে ব্যবসার অবস্থান হিসেবে দেখানোও গ্রহণযোগ্য নয়। যৌথ কার্যালয় ব্যবহার করলে বাস্তব অফিস, নিজস্ব কর্মী, স্থায়ী সাইনবোর্ড এবং গ্রাহক গ্রহণের শর্ত পূরণ করতে হয়।

ভিন্ন এলাকায় ব্যবসার উপস্থিতি দেখানোর জন্য কৃত্রিম ঠিকানা তৈরি করার বদলে প্রকৃত সেবার এলাকাগুলো সঠিকভাবে নির্ধারণ করাই যুক্তিসংগত।

একজন নতুন গ্রাহক আপনার প্রোফাইল দেখে কী জানতে পারবেন?

ধরা যাক, একজন ক্রেতা আপনার দোকান খুঁজে পেয়েছেন। এখন তিনি জানতে চান দোকানটি খোলা আছে কি না, ফোনে যোগাযোগ করা যাবে কি না কিংবা সেখানে তাঁর প্রয়োজনীয় সেবাটি পাওয়া যায় কি না। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর প্রোফাইলে না থাকলে ব্যবসাটি সম্পর্কে তাঁর ধারণা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

শুরু করুন ফোন নম্বর দিয়ে। নম্বরটি চালু আছে কি না, পরীক্ষা করুন। একাধিক শাখা থাকলে সম্ভব হলে সংশ্লিষ্ট শাখার নিজস্ব নম্বর দিন। ওয়েবসাইটের লিংক থাকলে সেটিও খুলে দেখুন। ভুল পৃষ্ঠা বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে চলে যাচ্ছে কি না, নিশ্চিত হওয়া দরকার।

খোলার সময় নিয়ে অসংগতি রাখবেন না

প্রোফাইল সম্পাদনা → খোলার সময় অংশে নিয়মিত সময়সূচি দেওয়া যায়। সাপ্তাহিক ছুটি বা নির্দিষ্ট দিনে সময় আলাদা হলে সেটিও লিখুন। ঈদ, পূজা কিংবা সরকারি ছুটিতে ব্যবসার সময় পরিবর্তন হলে বিশেষ সময়সূচি ব্যবহার করুন। ডেলিভারির মতো আলাদা সেবার জন্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময়সূচি পাওয়া যেতে পারে।

প্রতিষ্ঠান টানা ৭ দিন বা তার বেশি সময় সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলে কিংবা অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যক্রম বন্ধ থাকলে সাময়িকভাবে বন্ধ অবস্থা প্রযোজ্য হতে পারে। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী সময়সূচির সেটিং আলাদা হতে পারে। তাই নিজের প্রোফাইলে যে সুবিধা রয়েছে, সেটির ভিত্তিতে তথ্য দিন।

ব্যবসার বিবরণে কী রাখবেন?

ব্যবসার বিবরণ অংশে সর্বোচ্চ ৭৫০ অক্ষরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি লেখা যায়। এখানে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান, মূল কাজ এবং গ্রাহক কী ধরনের সেবা পাবেন, তা পরিষ্কারভাবে লিখুন। যেমন, একটি কম্পিউটার সার্ভিস সেন্টারের বিবরণ হতে পারে:

‘মিরপুরে অবস্থিত আমাদের কম্পিউটার সার্ভিস সেন্টারে ল্যাপটপের যন্ত্রাংশ পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পরিবর্তন এবং সফটওয়্যারসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের সেবা দেওয়া হয়। ডেস্কটপ কম্পিউটারের রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের ব্যবস্থাও রয়েছে।’

এটি নমুনা বিবরণ। বাস্তব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কেবল প্রকৃত সেবার তথ্যই ব্যবহার করতে হবে। বিবরণে ওয়েবসাইটের লিংক, ছাড়ের প্রচারণা কিংবা অপ্রাসঙ্গিক মূলশব্দের তালিকা রাখবেন না। সার্চে ব্যবহৃত একই শব্দ বারবার লেখারও প্রয়োজন নেই।

সেবার তালিকা আলাদা করে রাখা ভালো

সেবার তালিকা আলাদা করে রাখা ভালো

একটি পরিচ্ছন্নতাসেবা প্রতিষ্ঠান বাসাবাড়ি পরিষ্কার, অফিস পরিষ্কার এবং সোফা পরিষ্কারের কাজ করে। ব্যবসার বিবরণে সবকিছু একসঙ্গে লেখার পরিবর্তে সেবা সম্পাদনা অংশে সেবাগুলো আলাদাভাবে যুক্ত করা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী সেবার বিবরণ ও মূল্য দেওয়া সম্ভব। তবে নির্দিষ্ট মূল্য না থাকলে অনুমান করে কোনো অঙ্ক বসাবেন না।

পণ্য বিক্রেতাদের ক্ষেত্রেও পণ্যের নাম, ছবি ও অন্যান্য তথ্য দেখানোর সুযোগ থাকতে পারে। কিছু প্রতিষ্ঠানে পণ্য সম্পাদনার সুবিধা অথবা গুগল মার্চেন্ট সেন্টারের মাধ্যমে পণ্য পরিচালনা করা যায়। সব দেশে বা সব ধরনের ব্যবসায় এই সুবিধাগুলো একইভাবে পাওয়া যায় না। বাংলাদেশ কিংবা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোন অপশন চালু রয়েছে, সেটি সংশ্লিষ্ট প্রোফাইলে পরীক্ষা করতে হবে।

এ ছাড়া প্রোফাইল সম্পাদনা → আরও অংশে ব্যবসার ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। ধরা যাক, কেউ জানতে চাইছেন রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে কি না। আবার হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী কোনো গ্রাহকের জন্য প্রবেশের সুবিধার তথ্য প্রয়োজন হতে পারে।

ওয়াই-ফাই, প্রবেশের ব্যবস্থা কিংবা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সুবিধার তথ্য সেখানে যুক্ত করা যায়। ক্যাটাগরি ও অঞ্চলভেদে এগুলো আলাদা হতে পারে। কিছু তথ্য গ্রাহকদের মতামতের ভিত্তিতেও প্রদর্শিত হয়। প্রোফাইলে এমন কোনো সুবিধা দেখাবেন না, যা ব্যবসায় বাস্তবে নেই।

ছবিতে দোকানটিকে চেনা যাচ্ছে তো?

গুগল ম্যাপসে দোকানের নাম পাওয়া গেলেও সেটি কোথায়, তা অনেক সময় ছবি দেখে বোঝা সহজ হয়। একটি মার্কেটের ভেতরে দোকান থাকলে সাইনবোর্ড ও প্রবেশপথের ছবি কাজে আসতে পারে। রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে ভেতরের পরিবেশ, আর পণ্য বিক্রেতার ক্ষেত্রে বাস্তব পণ্যের ছবি প্রাসঙ্গিক। তাই প্রোফাইলে শুধু লোগো বা প্রচারমূলক ব্যানার না রেখে প্রতিষ্ঠানের বাস্তব ছবি দিন।

গুগল সার্চ বা ম্যাপস থেকে নিজের প্রোফাইল খুলে ছবি → ছবি যোগ করুন নির্বাচন করা যায়। মোবাইলের গুগল ম্যাপস অ্যাপে ধাপ কিছুটা আলাদা হতে পারে। ছবি আপলোডের ক্ষেত্রেও গুগলের কিছু শর্ত রয়েছে। জেপিজি বা পিএনজি ফরম্যাটের ছবির ফাইলের আকার ১০ কিলোবাইট থেকে ৫ মেগাবাইটের মধ্যে রাখতে হয়। প্রস্তাবিত রেজল্যুশন ৭২০ × ৭২০ পিক্সেল, আর ন্যূনতম রেজল্যুশন ২৫০ × ২৫০ পিক্সেল।

ভিডিওর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্য, ৭৫ মেগাবাইট ফাইলের আকার এবং অন্তত ৭২০পি রেজল্যুশনের নির্দেশনা রয়েছে। অবশ্য ছবির মান বলতে শুধু রেজল্যুশন বোঝায় না। অতিরিক্ত ফিল্টার, বিভ্রান্তিকর সম্পাদনা কিংবা বাস্তবে নেই এমন দোকানের কৃত্রিম ছবি ব্যবহার করা ঠিক নয়।

আর প্রচ্ছদ ছবি নির্বাচন করলেই সেটি সব সময় প্রথম ছবি হিসেবে দেখাবে না। আপলোড করা ছবি প্রকাশের আগে গুগলের পর্যালোচনার মধ্য দিয়েও যেতে পারে।

পর্যালোচনা সংগ্রহে তাড়াহুড়া করলে উল্টো সমস্যা হতে পারে

একই এলাকায় কয়েকটি দোকান থাকলে অনেক ক্রেতা গ্রাহকের দেওয়া রেটিং ও পর্যালোচনা মিলিয়ে দেখেন। আগে কখনো সেবা নেননি এমন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অন্য গ্রাহকের মন্তব্য তাঁদের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করতে পারে। গুগল স্থানীয় অনুসন্ধানে অবস্থান নির্ধারণের সময় পর্যালোচনার সংখ্যা ও রেটিং বিবেচনা করতে পারে। তবে নির্দিষ্টসংখ্যক পর্যালোচনা সংগ্রহ করলেই ব্যবসার অবস্থান উন্নত হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

পর্যালোচনা চাওয়ার জন্য আলাদা কোনো জটিল ব্যবস্থা প্রয়োজন নেই। সেবা শেষ হওয়ার পর গ্রাহককে ভদ্রভাবে অনুরোধ করতে পারেন। প্রোফাইলের পর্যালোচনা পড়ুন → আরও পর্যালোচনা সংগ্রহ করুন অংশ থেকে পর্যালোচনা দেওয়ার লিংক বা কিউআর সংকেত পাওয়া যায়। কিউআর সংকেত তৈরির সুবিধা কম্পিউটারের ব্রাউজারে রয়েছে। মোবাইলে একইভাবে এটি তৈরি করা যায় না।

কিন্তু ভালো পর্যালোচনার বিনিময়ে টাকা, ছাড় কিংবা বিনামূল্যের পণ্য দেওয়া যাবে না। নেতিবাচক পর্যালোচনা পরিবর্তন বা মুছে ফেলার জন্য পুরস্কার দেওয়াও গুগলের নীতিমালায় নিষিদ্ধ। নেতিবাচক মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রেও একটু সতর্কতা প্রয়োজন। কেউ দেরিতে সেবা পাওয়ার অভিযোগ করলে আগে বিষয়টি বুঝুন। সমস্যা সমাধানের সুযোগ থাকলে যোগাযোগের উপায় জানান। প্রকাশ্যে তর্ক করা কিংবা গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা এড়িয়ে চলুন। সব পর্যালোচনায় একই প্রস্তুত উত্তর বসানোর পরিবর্তে মন্তব্যের বিষয় অনুযায়ী উত্তর দিন।

পোস্ট না করলে কি স্থানীয় অনুসন্ধানে অবস্থান কমে যাবে?

গুগল বিজনেস প্রোফাইলে নতুন সেবা, বিশেষ আয়োজন কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের অফারের খবর প্রকাশ করা যায়। পোস্ট → নতুন পোস্ট যোগ করুন অংশে সাধারণত হালনাগাদ তথ্য, অফার ও অনুষ্ঠানের পোস্ট তৈরির সুযোগ থাকে। ধরা যাক, কোনো সেলুনে নতুন সেবা চালু হয়েছে। সেটি জানিয়ে পোস্ট দেওয়া যেতে পারে। আবার রেস্তোরাঁর নতুন খাবারের তালিকা বা বিশেষ আয়োজনের তথ্যও প্রকাশ করা যায়।

প্রাসঙ্গিক ছবি, বিবরণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত করা সম্ভব। তবে প্রতিদিন পোস্ট করলেই গুগল ম্যাপসে ব্যবসার অবস্থান বাড়বে, এমন প্রমাণিত নিয়ম নেই। তাই পোস্টের সংখ্যা বাড়ানোকে আলাদা লক্ষ্য বানানোর দরকার নেই। নতুন কোনো তথ্য থাকলে পোস্ট করুন। প্রকাশের আগে গুগল সেটি পর্যালোচনা করতে পারে, ফলে জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃশ্যমান নাও হতে পারে।

প্রোফাইলের দর্শক বাড়ছে, কিন্তু গ্রাহক বাড়ছে কি?

গুগল বিজনেস প্রোফাইল অপ্টিমাইজ করার পর অনেকেই শুধু গুগল ম্যাপসে নিজের অবস্থান দেখতে থাকেন। কিন্তু অনুসন্ধানকারীর অবস্থান ও সার্চের ধরন অনুযায়ী ফলাফল বদলাতে পারে। তাই প্রোফাইলের কার্যক্রমের প্রতিবেদন অংশে গ্রাহকের কার্যক্রম দেখাও প্রয়োজন।

সেখানে ব্যবসার ধরন অনুযায়ী প্রোফাইল কতজন দেখেছেন, কোন ধরনের অনুসন্ধানে ব্যবসা পাওয়া গেছে, কতবার কল করার বোতামে ক্লিক হয়েছে, কতবার দিকনির্দেশনা চাওয়া হয়েছে কিংবা ওয়েবসাইটের লিংকে কতবার ক্লিক হয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

তবে সংখ্যাগুলো সরাসরি বিক্রির হিসাব নয়। কল করার বোতামে ক্লিক হলেই গ্রাহকের সঙ্গে সফলভাবে কথা হয়েছে, তা নিশ্চিত নয়। প্রোফাইল দেখার সংখ্যা গণনার সময় একই ব্যক্তির একই দিনের একাধিক ভিজিট সাধারণত আলাদাভাবে ধরা হয় না। কিছু কার্যক্রমের তথ্যে স্বাভাবিক অনুসন্ধানের পাশাপাশি গুগল বিজ্ঞাপন থেকে আসা কার্যক্রমও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

সব প্রোফাইলে একই ধরনের পরিমাপ পাওয়া যায় না। ধরা যাক, আগের মাসের তুলনায় ব্যবসার প্রোফাইল বেশি মানুষ দেখেছেন। কিন্তু ফোন বা দিকনির্দেশনার অনুরোধ বাড়েনি। সে ক্ষেত্রে আরও বেশি দর্শক পাওয়ার চেষ্টা করার আগে যোগাযোগের তথ্য, ছবি ও সেবার বিবরণে কোনো ঘাটতি রয়েছে কি না, দেখা যেতে পারে। ফলাফল তুলনা করার সময় ব্যবসার মৌসুমি চাহিদা ও স্থানীয় প্রতিযোগিতাও বিবেচনায় রাখুন।

ওয়েবসাইটে কতজন আসছেন, আলাদাভাবে বুঝতে চাইলে

গুগল ম্যাপসে ব্যবসা দেখে কেউ সরাসরি ফোন করতে পারেন, কেউ দিকনির্দেশনা নিয়ে দোকানে চলে আসবেন। ফলে সম্ভাব্য সব গ্রাহক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন না। তবু গুগল বিজনেস প্রোফাইল থেকে কতজন ওয়েবসাইটে আসছেন, তা জানার প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে একাধিক শাখা বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গ্রাহক সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য।

গুগল অ্যানালিটিকসে ইউটিএম প্যারামিটার ব্যবহার করে এই দর্শকদের আলাদাভাবে শনাক্ত করা যায়।

যেমন:

utm_source=google&utm_medium=organic&utm_campaign=gbp

এটি একটি নমুনা, যা ওয়েবসাইটের উপযুক্ত ঠিকানার সঙ্গে যুক্ত করা যেতে পারে। অন্য প্রচার কার্যক্রমের তথ্যের সঙ্গে যেন মিশে না যায়, সে জন্য নামকরণের নিয়ম আগে নির্ধারণ করুন। লিংকটি সঠিক পৃষ্ঠায় যাচ্ছে কি না এবং গুগল অ্যানালিটিকসের ওয়েবসাইটে দর্শক আসার উৎসসংক্রান্ত প্রতিবেদনে তথ্য জমা হচ্ছে কি না, পরীক্ষা করুন।

ইউটিএম ব্যবহার করলে ওয়েবসাইটের সার্চ র‍্যাংকিং বাড়ে না। এটি দর্শক আসার উৎস শনাক্ত করার ব্যবস্থা। একাধিক শাখা থাকলে প্রতিটি যোগ্য শাখার প্রোফাইল থেকে সংশ্লিষ্ট শাখার তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবপৃষ্ঠায় লিংক দেওয়াও বিবেচনা করতে পারেন।

স্থানীয় সার্চ অপ্টিমাইজেশনের সেবায় টাকা খরচ করবেন?

গুগল বিজনেস প্রোফাইল নিজে তৈরি ও পরিচালনা করতে কোনো ফি লাগে না। তবে কোনো ডিজিটাল বিপণন সংস্থা বা স্থানীয় সার্চ অপ্টিমাইজেশন সেবাদাতাকে দায়িত্ব দিলে তাদের নিজস্ব ফি থাকতে পারে। এখানে বিশেষভাবে সতর্ক হওয়া দরকার নিশ্চিত র‍্যাংকিংয়ের প্রতিশ্রুতি নিয়ে।

গুগলের স্থানীয় স্বাভাবিক অনুসন্ধানের ফলাফলে অবস্থান সরাসরি অর্থ দিয়ে কেনা যায় না। তাই কোনো সংস্থা নিশ্চিতভাবে প্রথম অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা বললে তাদের কাজের পদ্ধতি না বুঝে অর্থ খরচ করা ঠিক নয়।

ভুয়া অবস্থান তৈরি, ব্যবসার নামের সঙ্গে অতিরিক্ত মূলশব্দ যুক্ত করা, অর্থ দিয়ে সাজানো পর্যালোচনা সংগ্রহ কিংবা অপ্রাসঙ্গিক ক্যাটাগরি ব্যবহার করার মতো পদ্ধতি এড়িয়ে চলতে হবে। বাইরের সংস্থাকে দায়িত্ব দিলেও ব্যবসার প্রোফাইলের মালিকানা নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখুন। প্রয়োজনে সংস্থাকে পরিচালক হিসেবে যুক্ত করা যায়। যাদের আর কাজের প্রয়োজন নেই, তাদের প্রবেশাধিকার সরিয়ে দিন।

তাহলে নিজের প্রোফাইলে কোন কাজ আগে করবেন?

সবকিছু একসঙ্গে পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। প্রথমে গুগল ম্যাপসে নিজের প্রতিষ্ঠানটি খুঁজুন। প্রোফাইলের মালিকানা ও যাচাই সম্পন্ন হয়েছে কি না, দেখুন। এরপর ব্যবসার নাম, ক্যাটাগরি, ঠিকানা ও মানচিত্রের অবস্থান মিলিয়ে নিন। যোগাযোগের তথ্য ঠিক থাকলে সেবার বিবরণ, বাস্তব ছবি এবং প্রযোজ্য অন্যান্য তথ্য যুক্ত করুন। গ্রাহকের পর্যালোচনার উত্তর দিন। ব্যবসার নতুন তথ্য থাকলে পোস্ট করতে পারেন।

এসবের পর কার্যক্রমের প্রতিবেদন দেখুন। আগের সময়কালের সঙ্গে তুলনা করে বোঝার চেষ্টা করুন, গ্রাহকেরা ব্যবসাটি খুঁজে পাওয়ার পর কী করছেন। প্রোফাইলের তথ্য মাসে অন্তত একবার পরীক্ষা করার অভ্যাস করতে পারেন। এটি গুগলের বাধ্যতামূলক নিয়ম নয়। তবে দোকান স্থানান্তর, ফোন নম্বর পরিবর্তন, নতুন সেবা চালু কিংবা উৎসবের ছুটির আগে তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

আর কত দিনে সার্চ ফলাফলে অবস্থান বাড়বে? এর নির্দিষ্ট সময় নেই। গুগলের নির্দেশনায় নতুন ব্যবসার অবস্থান সার্চ ফলাফলে দেখা যেতে এক মাস পর্যন্ত সময় লাগার কথা রয়েছে। তথ্য পরিবর্তন করলে তা সার্চ ফলাফলে প্রতিফলিত হতে তিন দিন পর্যন্ত লাগতে পারে। তবে এগুলো অবস্থান উন্নতির নিশ্চয়তা নয়।

গুগল বিজনেস প্রোফাইল অপ্টিমাইজেশনের মূল কাজ হলো ব্যবসার নির্ভরযোগ্য পরিচিতি তৈরি করা এবং গ্রাহকের প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে পাওয়ার ব্যবস্থা রাখা। প্রোফাইলে ভুল থাকলে আগে সেগুলো সংশোধন করুন। সব তথ্য ঠিক থাকার পরও কাঙ্ক্ষিত দৃশ্যমানতা না পেলে ওয়েবসাইটের প্রাসঙ্গিকতা, স্থানীয় প্রতিযোগিতা এবং ব্যবসার অনলাইন পরিচিতির বিষয়গুলো আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা যেতে পারে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

গুগল বিজনেস প্রোফাইল কি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়?

হ্যাঁ। যোগ্য ব্যবসার জন্য গুগল বিজনেস প্রোফাইল তৈরি, তথ্য যাচাই এবং পরিচালনা করা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। তবে কোনো ডিজিটাল বিপণন সংস্থা বা স্থানীয় সার্চ অপ্টিমাইজেশন বিশেষজ্ঞকে দায়িত্ব দিলে তাদের সেবার জন্য আলাদা খরচ হতে পারে।

ওয়েবসাইট ছাড়াই কি গুগল বিজনেস প্রোফাইল তৈরি করা সম্ভব?

হ্যাঁ। ব্যবসাটি গুগলের যোগ্যতার শর্ত পূরণ করলে নিজস্ব ওয়েবসাইট ছাড়াও প্রোফাইল তৈরি করা যায়। সেখানে ব্যবসার নাম, অবস্থান, ফোন নম্বর, খোলার সময়, ছবি ও সেবার বিবরণ যুক্ত করা সম্ভব। তবে ওয়েবসাইট থাকলে গ্রাহকদের আরও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সহজ হয়।

গুগল ম্যাপসে ব্যবসার নাম দেখা না গেলে কী করবেন?

প্রথমে প্রতিষ্ঠানের নাম ও এলাকার নাম দিয়ে গুগল ম্যাপসে খুঁজুন। প্রোফাইল পাওয়া না গেলে সেটি আগে থেকে তৈরি হয়েছে কি না এবং ব্যবসার তথ্য যাচাই সম্পন্ন হয়েছে কি না, পরীক্ষা করুন। প্রোফাইল থাকলে ক্যাটাগরি, ঠিকানা ও ম্যাপের অবস্থান সঠিক রয়েছে কি না, দেখুন। নতুন ব্যবসার অবস্থান অনুসন্ধানের ফলাফলে দেখা যেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

একটি ব্যবসার একাধিক শাখার জন্য কি আলাদা প্রোফাইল তৈরি করা যায়?

হ্যাঁ। প্রতিটি শাখা গুগলের যোগ্যতার শর্ত পূরণ করলে আলাদা প্রোফাইল থাকতে পারে। তবে প্রতিটি শাখার বাস্তব অবস্থান থাকতে হবে। একই জায়গায় একটি ব্যবসার জন্য অপ্রয়োজনীয় একাধিক প্রোফাইল তৈরি করা উচিত নয়। প্রতিটি শাখার যোগাযোগের তথ্য ও সময়সূচিও আলাদাভাবে সঠিক রাখতে হবে।

গুগল বিজনেস প্রোফাইল অপ্টিমাইজ করার কত দিন পর র‍্যাংকিং বাড়ে?

র‍্যাংকিং বাড়ার নির্দিষ্ট সময় নেই। গুগলের নির্দেশনায় নতুন ব্যবসার অবস্থান অনুসন্ধানের ফলাফলে দেখা যেতে এক মাস পর্যন্ত সময় লাগার কথা রয়েছে। প্রোফাইলের তথ্য পরিবর্তন করলে সেটি অনুসন্ধানের ফলাফলে প্রতিফলিত হতে তিন দিন পর্যন্ত লাগতে পারে। তবে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে র‍্যাংকিং উন্নত হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

সর্বশেষ