স্মার্ট হোম অটোমেশন দিয়ে কীভাবে মাসের বিদ্যুৎ বিল কমাবেন?

সর্বাধিক আলোচিত

মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের কাগজটা হাতে পেলেই বুকটা ধক করে ওঠে, তাই না? গরমের দিনে এসি, শীতের দিনে গিজার—আর সারাবছর ফ্রিজ, টিভির মতো জিনিসগুলোর ওপর আমাদের নির্ভরতা যত বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুৎ বিল। অনেকেই ভাবেন, বিল কমানো মানেই বুঝি এসি বন্ধ করে গরমে কষ্ট পাওয়া বা ঘুটঘুটে অন্ধকারে বসে থাকা।

ধারণাটা একদম ভুল! আপনার দৈনন্দিন আরাম-আয়েশ বিসর্জন না দিয়েই খুব সহজে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। আর এই কাজে আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড হতে পারে স্মার্ট হোম অটোমেশন। চলুন, কোনো রকম বোরিং থিওরি বা গালভরা কথা না বলে সরাসরি দেখে নিই কীভাবে সাধারণ একটা বাড়িকে স্মার্ট বানিয়ে আপনি প্রতি মাসে বেশ ভালো অংকের টাকা বাঁচাতে পারেন।

স্মার্ট হোম সিস্টেম আসলে কীভাবে আপনার টাকা বাঁচায়?

স্মার্ট হোম ব্যাপারটা এখন আর সায়েন্স ফিকশন মুভিতে আটকে নেই। সহজ কথায়, এটি এমন একটা সিস্টেম যেখানে আপনার ঘরের লাইট, ফ্যান বা এসি ইন্টারনেটের (IoT) মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে। ধরুন, আপনি তাড়াহুড়ো করে এসি চালু রেখেই অফিসে চলে গেছেন। স্মার্ট সিস্টেম নিজে থেকেই সেটা বুঝে এসি বন্ধ করে দেবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ ম্যানুয়াল সুইচের বদলে সেন্সর ও এআই (AI) নির্ভর স্মার্ট অটোমেশন ব্যবহার করলে প্রায় ৪৬% পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।

সিস্টেমের ধরন কীভাবে কন্ট্রোল করবেন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের হার সেটআপের খরচ
ম্যানুয়াল সিস্টেম সাধারণ ফিজিক্যাল সুইচ ০% নেই
বেসিক টাইমার নির্দিষ্ট সময়ের রুটিন ৫% – ১০% খুব কম
স্মার্ট অটোমেশন স্মার্টফোন অ্যাপ ও সেন্সর ২০% – ৪৬% মাঝারি

How Smart Home Automation Reduce Electricity Bill

ডিভাইসের নিজেদের ভেতরের কানেকশন

স্মার্ট ডিভাইসগুলো মূলত ওয়াই-ফাই বা জিগবি (Zigbee) নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে একটি সেন্ট্রাল হাবের সাথে যুক্ত থাকে। আপনি রুমে ঢুকলেই মোশন সেন্সর হাবকে সিগন্যাল দেয়, আর হাব সাথে সাথে লাইট অন করে দেয়। কেউ না থাকলে এক সেকেন্ডের জন্যও লাইট বা ফ্যান চলবে না।

আপনার অভ্যাস শিখে নেওয়া

মজার ব্যাপার হলো, আধুনিক সিস্টেমগুলো প্রতিদিন আপনার রুটিন খেয়াল করে। আপনি কখন ঘুমান বা কখন বাসা থেকে বের হন—এসব ডেটা অ্যানালাইসিস করে তারা নিজে থেকেই লাইট বা এসির পাওয়ার অ্যাডজাস্ট করে নেয়। আপনার কোনো টেনশনই করতে হয় না!

থার্মোস্ট্যাট আর স্মার্ট এসি কন্ট্রোলার দিয়ে কুলিং

আমাদের দেশে বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ বিলের সবচেয়ে বড় ভিলেন হলো এসি। সাধারণ এসি একটানা চলতে থাকে। কিন্তু একটা স্মার্ট এসি কন্ট্রোলার বা থার্মোস্ট্যাট বাইরের আবহাওয়া, ভেতরের আর্দ্রতা আর ঘরে কয়জন মানুষ আছে—তার ওপর ভিত্তি করে নিখুঁতভাবে তাপমাত্রা কন্ট্রোল করে।

ফিচারের নাম কীভাবে কাজ করে সাশ্রয়ের প্রভাব
জিও-ফেন্সিং আপনার লোকেশন ট্র্যাক করে এসি অন/অফ করে উচ্চ
স্মার্ট শিডিউলিং আপনার রুটিন অনুযায়ী তাপমাত্রা ঠিক রাখে মাঝারি
এআই ইকো-মোড বাইরের আবহাওয়া বুঝে কম্প্রেসার চালায় সর্বোচ্চ

জিও-ফেন্সিংয়ের জাদুকরী কাজ

জিও-ফেন্সিং ব্যাপারটা দারুণ। এটি আপনার ফোনের জিপিএস ব্যবহার করে বাসার চারপাশে একটা অদৃশ্য সীমানা তৈরি করে। আপনি বাসা থেকে ৩০০ মিটার দূরে গেলেই এসি নিজে থেকে বন্ধ হয়ে যাবে। আবার ফেরার পথে সীমানায় ঢুকলেই এসি চালু হয়ে রুম ঠান্ডা করে রাখবে। ভুলে এসি অন রাখার দিন শেষ!

প্রতিদিনের এনার্জি ট্র্যাকিং

স্মার্ট কন্ট্রোলারের অ্যাপে আপনি প্রতিদিনের খরচের হিসাব দেখতে পাবেন। কোন দিন কত ঘণ্টা এসি চলেছে এবং কত ইউনিট বিদ্যুৎ পুড়েছে, তার গ্রাফ আপনার চোখের সামনে থাকবে। এই হিসাব দেখলে আপনি নিজেই হয়তো এসির তাপমাত্রা ২৪-এর বদলে ২৬ ডিগ্রিতে রাখবেন।

স্মার্ট লাইটিং দিয়ে আলোর অপচয় রোধ

বাথরুম, করিডোর বা বারান্দার লাইট অফ করতে ভুলে যাওয়া আমাদের জাতীয় সমস্যা। এই সমস্যার একদম পারফেক্ট সমাধান হলো স্মার্ট লাইটিং।

লাইটের ধরন পাওয়ার রেটিং স্মার্ট সুবিধা
সাধারণ বাল্ব ৬০ ওয়াট নেই
সাধারণ এলইডি ৯ ওয়াট নেই
স্মার্ট এলইডি ৭-৯ ওয়াট ব্রাইটনেস কমানো, টাইমার, রিমোট কন্ট্রোল

মোশন সেন্সরের ম্যাজিক

সিঁড়ি বা বাথরুমের মতো জায়গাগুলোতে সারাক্ষণ আলো জ্বালিয়ে রাখার কোনো মানে হয় না। মোশন সেন্সর লাগানো থাকলে, আপনি ওই জায়গায় গেলেই লাইট জ্বলবে, আর বেরিয়ে আসার একটু পরেই নিভে যাবে।

অটো-ডিমিং বা ডে-লাইট হার্ভেস্টিং

দিনের বেলা জানালা দিয়ে আলো আসলে, স্মার্ট বাল্ব নিজে থেকেই তার আলো কমিয়ে দেয়। একে বলে ডে-লাইট হার্ভেস্টিং। এতে করে আপনার পকেটের টাকা সরাসরি বাঁচে।

গিজারের বিদ্যুৎ খরচ কমানোর শর্টকাট

এসির পরেই সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ টানে গিজার। সকালে গরম পানির জন্য অনেকেই সারারাত গিজার অন করে রাখেন। এটা মারাত্মক অপচয়! পানি গরম হওয়ার পরও গিজার থেমে থেমে প্রচুর বিদ্যুৎ টানতে থাকে।

গিজার চালানোর ধরন চালুর সময়কাল মাসিক বিদ্যুৎ খরচ
ম্যানুয়াল সারাদিন বা সারারাত অন অনেক বেশি
ম্যানুয়াল শুধু প্রয়োজনের সময় অন মাঝারি
স্মার্ট টাইমার গোসলের ঠিক ২০ মিনিট আগে সবচেয়ে কম

স্মার্ট প্লাগ দিয়ে টাইমার সেট

আপনার যদি প্রতিদিন সকাল ৮টায় গোসল করার অভ্যাস থাকে, তবে গিজারের সাথে একটি ১৬ অ্যাম্পিয়ারের স্মার্ট প্লাগ লাগিয়ে দিন। অ্যাপ থেকে টাইম সেট করে দিন যেন সকাল ৭:৪০-এ গিজার অন হয় এবং ৮টায় অফ হয়ে যায়। পানিও গরম হলো, আবার সারারাতের বিলও বাঁচলো।

how to start smart home at low cost

স্মার্ট পর্দা বা ব্লাইন্ডস দিয়ে ঘর ঠান্ডা রাখা

জানালার পর্দার সাথে বিদ্যুৎ বিলের কী সম্পর্ক? সম্পর্ক আছে। দুপুরের কড়া রোদ ঘরে ঢুকলে রুম দ্রুত গরম হয়ে যায়। তখন ঘর ঠান্ডা করতে এসিকে ডাবল খাটতে হয়।

ব্লাইন্ডসের ধরন যেভাবে কন্ট্রোল করবেন এসির ওপর প্রভাব
সাধারণ পর্দা হাত দিয়ে টেনে সাধারণ
ম্যানুয়াল ব্লাইন্ডস হাত দিয়ে ঘুরিয়ে মাঝারি
স্মার্ট ব্লাইন্ডস রোদ ও তাপ অনুযায়ী অটোমেটিক সবচেয়ে কার্যকর

এসির সাথে পর্দার কানেকশন

স্মার্ট ব্লাইন্ডস সূর্যের আলো বুঝেই নিজে নিজে বন্ধ হয়ে যায়। আপনি যখন ফোন থেকে এসি অন করবেন, অটোমেশন সিস্টেম চাইলে একই সাথে জানালার স্মার্ট ব্লাইন্ডসগুলোও বন্ধ করে দিতে পারে। এতে এসির ঠান্ডা বাতাস বাইরে যেতে পারে না, আর ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয়।

ফ্যান্টম লোড বা ভ্যাম্পায়ার এনার্জি থেকে মুক্তি

টিভি রিমোট দিয়ে অফ করেছেন, কিন্তু প্লাগ তো লাগানোই আছে। জানেন কি, এই স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকা ডিভাইসগুলোও চুপিসারে বিদ্যুৎ টানে? একে বলে ভ্যাম্পায়ার এনার্জি বা ফ্যান্টম লোড। বাসাবাড়ির মোট বিদ্যুৎ খরচের ৩% থেকে ২০% পর্যন্ত শুধু এই কারণেই অপচয় হয়।

ডিভাইসের নাম স্ট্যান্ডবাই মোডে খরচ (বছরে) স্মার্ট প্লাগ লাগালে কী হবে?
টিভি ও সাউন্ড সিস্টেম ১৫ – ৩০ কিলোওয়াট সম্পূর্ণ পাওয়ার কাট থাকবে
ডেস্কটপ কম্পিউটার ২০ – ৪০ কিলোওয়াট রুটিন অনুযায়ী পাওয়ার অফ
মাইক্রোওয়েভ ওভেন ৫ – ১৫ কিলোওয়াট কাজ শেষে জিরো লোড

শিডিউল করে পাওয়ার কাট

স্মার্ট প্লাগ দিয়ে আপনি শিডিউল করে দিতে পারেন—যেমন রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত টিভির পেছনের স্মার্ট প্লাগ মেইন লাইন থেকেই পাওয়ার কাট করে দেবে। চোর পালানোর কোনো রাস্তাই আর থাকবে না!

পুরোনো ফ্যান বা টিভিকে স্মার্ট করবেন যেভাবে

ভাবছেন স্মার্ট হোম বানাতে পুরোনো সব ফ্যান বা এসি ফেলে দিতে হবে? একদমই না। সামান্য কিছু ছোট ডিভাইস লাগিয়েই পুরোনো জিনিসপত্রকে স্মার্ট করা সম্ভব।

পুরোনো ডিভাইস যা দিয়ে স্মার্ট করবেন কী সুবিধা পাবেন?
রিমোটওয়ালা এসি/টিভি ইউনিভার্সাল আইআর (IR) ব্লাস্টার ফোন থেকে পুরো কন্ট্রোল
সাধারণ সিলিং ফ্যান স্মার্ট ফ্যান সুইচ/রেগুলেটর স্পিড কন্ট্রোল ও টাইমার
সাধারণ ল্যাম্প স্মার্ট প্লাগ বা বাল্ব অটোমেটিক অন/অফ

ইউনিভার্সাল আইআর ব্লাস্টার

২০০-৩০০ টাকার একটা ‘ইউনিভার্সাল আইআর ব্লাস্টার’ কিনে টিভির বা এসির সামনে রেখে দিন। এটি পুরোনো রিমোটের সিগন্যাল কপি করে নেয়। ব্যস, আপনার পুরোনো টিভি বা এসি এখন ফোন দিয়েই কন্ট্রোল করতে পারবেন।

স্মার্ট রেগুলেটরের আরাম

ভোররাতে একটু ঠান্ডা লাগলে ঘুম থেকে উঠে ফ্যান কমানো বেশ বিরক্তিকর। স্মার্ট ফ্যান রেগুলেটর থাকলে রাতে টাইমার দিয়ে রাখুন, যেন রাত ৩টার পর স্পিড নিজে নিজেই কমে যায়। আরামের ঘুমও হলো, বিলও বাঁচলো।

এটা কি শুধু খরচ, নাকি ইনভেস্টমেন্ট?

অনেকেই ভাবেন এসব স্মার্ট ডিভাইস কেনা মানেই বড়লোকি কারবার এবং শুধুই টাকার শ্রাদ্ধ। আসলে এটি খরচ নয়, এটি একটি চমৎকার ইনভেস্টমেন্ট।

কোন ধরনের সেটআপ কত টাকা লাগতে পারে? বিল কতটুকু কমবে? টাকা উঠতে কতদিন লাগবে?
বেসিক (২-৩টি স্মার্ট প্লাগ) ২,০০০ – ৪,০০০ টাকা ৫% – ১০% ১০ – ১২ মাস
মাঝারি (এসি ও গিজার কন্ট্রোল) ৪,০০০ – ৬,০০০ টাকা ১৫% – ২০% ৬ – ৮ মাস
ফুল-হোম অটোমেশন ২০,০০০ – ৫০,০০০ টাকা ২৫% – ৪৫% ১৮ – ২৪ মাস

হিসাবটা একদম সোজা

ধরুন, আপনার মাসে বিদ্যুৎ বিল আসে ৪,০০০ টাকা। স্মার্ট প্লাগ ও থার্মোস্ট্যাট দিয়ে আপনি যদি ২০% বিল কমান, তবে মাসে বাঁচবে ৮০০ টাকা (বছরে ৯,৬০০ টাকা)। আপনি যদি ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ডিভাইসগুলো কেনেন, তবে এক বছরের একটু বেশি সময়ের মধ্যেই আপনার আসল টাকাটা পকেটে ফিরে আসবে। এরপর থেকে প্রতি মাসে যা বাঁচবে, পুরোটাই আপনার নিট লাভ!

শেষ কথা

প্রযুক্তি এসেছে আমাদের জীবন সহজ করতে। মাসের শেষে বিলের কাগজ দেখে আর আফসোস করার দিন নেই। একবারে পুরো বাসা স্মার্ট করার কোনো দরকার নেই। শুরুতে শুধু এসি বা গিজারের মতো ভারী জিনিসগুলোতে স্মার্ট প্লাগ ব্যবহার করে দেখুন। নিজের চোখে যখন বিল কমার ম্যাজিকটা দেখবেন, তখন আপনি নিজেই বাকি ডিভাইসগুলো স্মার্ট করে ফেলবেন। স্মার্ট হোম অটোমেশন শুধু আপনার পকেটই বাঁচাবে না, আমাদের পরিবেশ রক্ষায়ও দারুণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মনে আসতে পারে এমন কিছু প্রশ্ন

১. কারেন্ট চলে গেলে বা ইন্টারনেট না থাকলে কি স্মার্ট ডিভাইসগুলো অকেজো হয়ে যায়? একদমই না। ইন্টারনেট না থাকলে অ্যাপ দিয়ে হয়তো কন্ট্রোল করতে পারবেন না, কিন্তু ফিজিক্যাল সুইচগুলো সাধারণ সুইচের মতোই কাজ করবে। আর কারেন্ট চলে গিয়ে আবার আসলে, স্মার্ট ডিভাইসগুলো নিজে থেকেই আগের কথা মনে করে রিস্টার্ট নিয়ে নেয়। আপনাকে নতুন করে কিছুই সেট করতে হবে না।

২. স্মার্ট ডিভাইসগুলো তো সারাক্ষণ ওয়াই-ফাইতে কানেক্টেড থাকে, এরা নিজেরাই কি অনেক বিল টানে না? এটি খুব কমন একটা ভুল ধারণা। স্মার্ট ডিভাইসে জিগবি (Zigbee) বা লো-পাওয়ার ব্লুটুথ ব্যবহার করা হয়। সারা বছরে এরা হয়তো ১-২ ইউনিটের বেশি কারেন্ট পোড়ায় না। এরা নিজেরা যে সামান্য বিদ্যুৎ খরচ করে, তার চেয়ে কয়েকশো গুণ বেশি বিদ্যুৎ তারা আপনার এসি বা গিজার থেকে বাঁচিয়ে দেয়।

৩. বিদ্যুৎ বাঁচানোর জন্য কি আলাদা কোনো সেন্ট্রাল হাব কিনতেই হবে? না, কিনতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। আপনি চাইলে সরাসরি ওয়াই-ফাই সাপোর্টেড স্মার্ট প্লাগ বা বাল্ব কিনতে পারেন। তবে আপনার বাসায় যদি ২৫-৩০টার বেশি স্মার্ট ডিভাইস হয়ে যায়, তখন রাউটার হ্যাং করা থেকে বাঁচাতে একটা স্মার্ট হাব (যেমন: SmartThings) ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।

৪. আমার বাসার পুরোনো গিজারটা কি স্মার্ট করা যাবে? খুব সহজেই যাবে! আপনার গিজারের প্লাগটা খুলে সেখানে একটা ১৬ অ্যাম্পিয়ারের (16A) স্মার্ট ওয়াই-ফাই প্লাগ বসিয়ে দিন, আর গিজারের লাইনটা সেই স্মার্ট প্লাগে ঢুকিয়ে দিন। ব্যস, পুরোনো গিজার হয়ে গেলো স্মার্ট গিজার। নতুন গিজার কেনার কোনো দরকার নেই।

সর্বশেষ